
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার বাছাই ও নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিলে বৈধ প্রার্থীদের প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন আজ মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি)। এরপর আর কোনো প্রার্থী তার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে পারবেন না।
ইসির তথ্য বলছে, বিভিন্ন আসনে অনেক রাজনৈতিক দলেরই একাধিক প্রার্থী রয়েছে। অনেক আসনে দলীয় প্রার্থীর পাশাপাশি একই দলের কোনো কোনো নেতা ‘বিদ্রোহী’ তথা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। দলীয় সূত্রগুলো বলছে, শেষ মুহূর্তে এসে দলগুলো তাদের প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে। ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীরাও অনেকে দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারে সম্মত হয়েছেন।
এ ক্ষেত্রে আজই দলের চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা পাঠানো হবে ইসিতে। পাশাপাশি ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীদের অনেকেই প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেবেন।
এদিকে নির্বাচনি জোটের হিসাব-নিকাশে অনেক দল আসন সমঝোতার ভিত্তিতে শরিক দলগুলোর জন্য আসন ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তও চূড়ান্ত করেছে। এ ক্ষেত্রে শরিকদের ছেড়ে দেওয়া আসনগুলোতে দলীয় প্রার্থীরা আজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেবেন।
নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী, আজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার শেষে সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করবে ইসি। আগামীকাল বুধবার (২১ জানুয়ারি) এসব প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করা হবে। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) প্রার্থীরা নির্বাচনি প্রচার শুরু করতে পারবেন।
তফসিলে বলা হয়েছে, আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত নির্বাচনি প্রচার চালাতে পারবেন প্রার্থীরা। এরপর ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট নেওয়া হবে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি একই দিনে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের গণভোটও নেওয়া হবে।
‘গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২’-এর ১৬ অনুচ্ছেদে দলীয় মনোনয়ন ও প্রার্থিতা প্রত্যাহারের বিধান রয়েছে। ইসির পরিপত্রে বলা হয়েছে, বিধান অনুযায়ী বৈধভাবে মনোনীত প্রার্থী তার সই করা কোনো লিখিত নোটিশের মাধ্যমে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে নিজে বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের আবেদন করতে পারবেন।
রাজনৈতিক দলের ক্ষেত্রে বিধানে বলা হয়েছে, কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল একটি নির্বাচনি এলাকায় একাধিক প্রার্থী মনোনয়ন দিয়ে থাকলে ওই দলের সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক বা একই ধরনের পদধারী কোনো ব্যক্তিকে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিতভাবে দলের চূড়ান্ত প্রার্থী মনোনয়নের তথ্য জানাতে হবে। সেক্ষেত্রে ওই লিখিত চিঠিতে যে প্রার্থীর নাম থাকবে, তিনি ছাড়া বাকি আর কোনো প্রার্থী দলের প্রার্থী হিসেবে গণ্য হবেন না।
ইসির পরিপত্রে বলা হয়েছে, কোনো প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের জন্য লিখিত নোটিশ দিলে বা রাজনৈতিক দল কারও দলীয় মনোনয়ন চূড়ান্ত করলে নির্ধারিত সময়ের পর সেসব লিখিত নোটিশ কোনো অবস্থাতেই প্রত্যাহার বা বাতিল করা যাবে না।
এর আগে রিটার্নিং কর্মকর্তার বাছাইয়ে মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও বাতিল আদেশের বিরুদ্ধে ইসিতে আপিল নিষ্পত্তি শেষ হয়েছে রোববার। ইসি জানিয়েছে, রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ইসিতে ৬৪৫টি আপিল আবেদন জমা পড়ে। এর মধ্যে আপিল মঞ্জুর হয়েছে ৪২৫টি, ২০৯টি আপিল নামঞ্জুর করা হয়েছে। আর ১১টি আপিল প্রত্যাহার করা হয়েছে।
আপিল নিষ্পত্তির শেষ দিন রোববার প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, কোনো পক্ষপাতিত্ব করে কোনো রায় আমরা দেইনি। অনেক বিশ্লেষণ করে যেটি সঠিক মনে করেছি, সেটি করেছি। আপিল নিষ্পত্তি করতে আপনারা সুন্দরভাবে সহায়তা করেছেন। এটা শেষ সহায়তা নয়। ভোটটা যেন সুন্দরভাবে করতে পারি সেই সহায়তা দরকার। সেই সহায়তা চাই।
জুলাই অভ্যুত্থানের পর বহুল প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয় গত ১১ ডিসেম্বর। জাতির উদ্দেশে ভাষণের মাধ্যমে তফসিল ঘোষণা করেন সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন।
তফসিল ঘোষণার পর রিটার্নিং কর্মকর্তা বা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে সম্ভাব্য প্রার্থীরা ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। ইসির তথ্য, গত ৪ জানুয়ারি বাছাইয়ের শেষ দিনে রিটার্নিং কর্মকর্তারা ৩০০ নির্বাচনি এলাকায় মোট দুই হাজার ৫৬৮টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে এক হাজার ৮৪২টিকে বৈধ ও ৭২৩টিকে বাতিল ঘোষণা করেছিলেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার বাছাই ও নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিলে বৈধ প্রার্থীদের প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন আজ মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি)। এরপর আর কোনো প্রার্থী তার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে পারবেন না।
ইসির তথ্য বলছে, বিভিন্ন আসনে অনেক রাজনৈতিক দলেরই একাধিক প্রার্থী রয়েছে। অনেক আসনে দলীয় প্রার্থীর পাশাপাশি একই দলের কোনো কোনো নেতা ‘বিদ্রোহী’ তথা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। দলীয় সূত্রগুলো বলছে, শেষ মুহূর্তে এসে দলগুলো তাদের প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে। ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীরাও অনেকে দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারে সম্মত হয়েছেন।
এ ক্ষেত্রে আজই দলের চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা পাঠানো হবে ইসিতে। পাশাপাশি ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীদের অনেকেই প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেবেন।
এদিকে নির্বাচনি জোটের হিসাব-নিকাশে অনেক দল আসন সমঝোতার ভিত্তিতে শরিক দলগুলোর জন্য আসন ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তও চূড়ান্ত করেছে। এ ক্ষেত্রে শরিকদের ছেড়ে দেওয়া আসনগুলোতে দলীয় প্রার্থীরা আজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেবেন।
নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী, আজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার শেষে সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করবে ইসি। আগামীকাল বুধবার (২১ জানুয়ারি) এসব প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করা হবে। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) প্রার্থীরা নির্বাচনি প্রচার শুরু করতে পারবেন।
তফসিলে বলা হয়েছে, আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত নির্বাচনি প্রচার চালাতে পারবেন প্রার্থীরা। এরপর ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট নেওয়া হবে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি একই দিনে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের গণভোটও নেওয়া হবে।
‘গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২’-এর ১৬ অনুচ্ছেদে দলীয় মনোনয়ন ও প্রার্থিতা প্রত্যাহারের বিধান রয়েছে। ইসির পরিপত্রে বলা হয়েছে, বিধান অনুযায়ী বৈধভাবে মনোনীত প্রার্থী তার সই করা কোনো লিখিত নোটিশের মাধ্যমে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে নিজে বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের আবেদন করতে পারবেন।
রাজনৈতিক দলের ক্ষেত্রে বিধানে বলা হয়েছে, কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল একটি নির্বাচনি এলাকায় একাধিক প্রার্থী মনোনয়ন দিয়ে থাকলে ওই দলের সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক বা একই ধরনের পদধারী কোনো ব্যক্তিকে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিতভাবে দলের চূড়ান্ত প্রার্থী মনোনয়নের তথ্য জানাতে হবে। সেক্ষেত্রে ওই লিখিত চিঠিতে যে প্রার্থীর নাম থাকবে, তিনি ছাড়া বাকি আর কোনো প্রার্থী দলের প্রার্থী হিসেবে গণ্য হবেন না।
ইসির পরিপত্রে বলা হয়েছে, কোনো প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের জন্য লিখিত নোটিশ দিলে বা রাজনৈতিক দল কারও দলীয় মনোনয়ন চূড়ান্ত করলে নির্ধারিত সময়ের পর সেসব লিখিত নোটিশ কোনো অবস্থাতেই প্রত্যাহার বা বাতিল করা যাবে না।
এর আগে রিটার্নিং কর্মকর্তার বাছাইয়ে মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও বাতিল আদেশের বিরুদ্ধে ইসিতে আপিল নিষ্পত্তি শেষ হয়েছে রোববার। ইসি জানিয়েছে, রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ইসিতে ৬৪৫টি আপিল আবেদন জমা পড়ে। এর মধ্যে আপিল মঞ্জুর হয়েছে ৪২৫টি, ২০৯টি আপিল নামঞ্জুর করা হয়েছে। আর ১১টি আপিল প্রত্যাহার করা হয়েছে।
আপিল নিষ্পত্তির শেষ দিন রোববার প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, কোনো পক্ষপাতিত্ব করে কোনো রায় আমরা দেইনি। অনেক বিশ্লেষণ করে যেটি সঠিক মনে করেছি, সেটি করেছি। আপিল নিষ্পত্তি করতে আপনারা সুন্দরভাবে সহায়তা করেছেন। এটা শেষ সহায়তা নয়। ভোটটা যেন সুন্দরভাবে করতে পারি সেই সহায়তা দরকার। সেই সহায়তা চাই।
জুলাই অভ্যুত্থানের পর বহুল প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয় গত ১১ ডিসেম্বর। জাতির উদ্দেশে ভাষণের মাধ্যমে তফসিল ঘোষণা করেন সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন।
তফসিল ঘোষণার পর রিটার্নিং কর্মকর্তা বা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে সম্ভাব্য প্রার্থীরা ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। ইসির তথ্য, গত ৪ জানুয়ারি বাছাইয়ের শেষ দিনে রিটার্নিং কর্মকর্তারা ৩০০ নির্বাচনি এলাকায় মোট দুই হাজার ৫৬৮টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে এক হাজার ৮৪২টিকে বৈধ ও ৭২৩টিকে বাতিল ঘোষণা করেছিলেন।

প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন বিষয়ক ‘ওসিভি-এসডিআই’ প্রকল্পের টিম লিডার সালীম আহমাদ খান বাসসকে বলেন, ‘এ পর্যন্ত ৩ লাখ ৭৩ হাজার ৩৯৮ জন প্রবাসীর ঠিকানায় পোস্টাল ব্যালট গেছে। তবে সঠিক ঠিকানা না দেওয়ায় বা ভোটারকে ঠিকানায় না পাওয়ার কারণে ৫ হাজার ১২৬টি ব্যালট দেশে ফেরত এসেছে।’
২ ঘণ্টা আগে
ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় আজ হচ্ছে না।
৩ ঘণ্টা আগে
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত একদিনের অভিযানে গ্রেফতারের পাশাপাশি সারাদেশ থেকে ১৬টি আগ্নেয়াস্ত্র, ৪৯ রাউন্ড গুলি, ৬ রাউন্ড কার্তুজ ও ৯ হাজার ৬৯০ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়।
৩ ঘণ্টা আগে