
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

মহান স্বাধীনতা দিবসে বাংলাদেশের অব্যাহত শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেছে পাকিস্তান ও ভারত। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি দুই দেশের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গভীর করার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছে। অন্যদিকে, ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এক বার্তায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, অভিন্ন ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক সংযোগই দুই দেশের ঘনিষ্ঠ অংশীদারত্বের মূল ভিত্তি।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) এক বার্তায় এ শুভেচ্ছা জানায় পাকিস্তান ।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে পাকিস্তান সরকার ও জনগণ বাংলাদেশ সরকার ও জনগণকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছে। পাকিস্তান বাংলাদেশের অব্যাহত শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে। দুই দেশের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক ও সহযোগিতা আরও গভীর করার আকাঙ্ক্ষাও রাখে পাকিস্তান।
এদিকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। গতকাল বুধবার ভারতীয় হাইকমিশন থেকে পাঠানো এক বার্তায় তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে এ শুভেচ্ছা জানান।
শুভেচ্ছা বার্তায় বলা হয়, ভারতের সরকার, জনগণ ও আমার নিজের পক্ষ থেকে আপনাদের জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি আপনাকে এবং বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ জনগণকে আমি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি। ভারত ও বাংলাদেশ একটি অভিন্ন ইতিহাস, সুগভীর সাংস্কৃতিক সংযোগ ও দীর্ঘস্থায়ী ভাষাগত ঐতিহ্যের মাধ্যমে আবদ্ধ, যা আমাদের ঘনিষ্ঠ অংশীদারত্বের ভিত্তিটিকে রূপদান করে।
এতে আরও বলা হয়, বছরের পর বছর ধরে আমরা সংযুক্তি, বাণিজ্য, উন্নয়ন অংশীদারত্ব, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ, শিক্ষাসহ প্রধান খাতগুলোতে জনগণকেন্দ্রিক উন্নয়নকে অগ্রসর করার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করে সীমান্তের উভয় পাশের নাগরিকদের কাছে বাস্তবিক সুফল পৌঁছে দিয়েছি। অনুগ্রহ করে ফের আমার সর্বোচ্চ বিবেচনার আশ্বাস এবং বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের প্রতি আমার আন্তরিক শুভ কামনা গ্রহণ করুন।

মহান স্বাধীনতা দিবসে বাংলাদেশের অব্যাহত শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেছে পাকিস্তান ও ভারত। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি দুই দেশের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গভীর করার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছে। অন্যদিকে, ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এক বার্তায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, অভিন্ন ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক সংযোগই দুই দেশের ঘনিষ্ঠ অংশীদারত্বের মূল ভিত্তি।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) এক বার্তায় এ শুভেচ্ছা জানায় পাকিস্তান ।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে পাকিস্তান সরকার ও জনগণ বাংলাদেশ সরকার ও জনগণকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছে। পাকিস্তান বাংলাদেশের অব্যাহত শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে। দুই দেশের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক ও সহযোগিতা আরও গভীর করার আকাঙ্ক্ষাও রাখে পাকিস্তান।
এদিকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। গতকাল বুধবার ভারতীয় হাইকমিশন থেকে পাঠানো এক বার্তায় তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে এ শুভেচ্ছা জানান।
শুভেচ্ছা বার্তায় বলা হয়, ভারতের সরকার, জনগণ ও আমার নিজের পক্ষ থেকে আপনাদের জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি আপনাকে এবং বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ জনগণকে আমি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি। ভারত ও বাংলাদেশ একটি অভিন্ন ইতিহাস, সুগভীর সাংস্কৃতিক সংযোগ ও দীর্ঘস্থায়ী ভাষাগত ঐতিহ্যের মাধ্যমে আবদ্ধ, যা আমাদের ঘনিষ্ঠ অংশীদারত্বের ভিত্তিটিকে রূপদান করে।
এতে আরও বলা হয়, বছরের পর বছর ধরে আমরা সংযুক্তি, বাণিজ্য, উন্নয়ন অংশীদারত্ব, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ, শিক্ষাসহ প্রধান খাতগুলোতে জনগণকেন্দ্রিক উন্নয়নকে অগ্রসর করার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করে সীমান্তের উভয় পাশের নাগরিকদের কাছে বাস্তবিক সুফল পৌঁছে দিয়েছি। অনুগ্রহ করে ফের আমার সর্বোচ্চ বিবেচনার আশ্বাস এবং বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের প্রতি আমার আন্তরিক শুভ কামনা গ্রহণ করুন।

ডিপোর নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিজিবি সদর দপ্তরের তত্ত্বাবধানে মোতায়েন কার্যক্রম একটি সুপরিকল্পিত কাঠামোর আওতায় পরিচালিত হচ্ছে। ইউনিট সদর থেকে দূরবর্তী স্থানে দায়িত্ব পালনের সুবিধার্থে নিরাপদ স্থানে অস্থায়ী বেইজ ক্যাম্প স্থাপন করে বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছে।
৩ ঘণ্টা আগে
বর্তমান সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এর আগের সরকার চেষ্টা করেছে, কিন্তু মাজার ভাঙা বন্ধ হয়নি। বর্তমান সরকারের সময়ে আমরা আশা করব যেন কোনো মাজার ভাঙা না হয়। যারা মাজার ভেঙেছে, স্থানীয় জনগণের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে তাদের আইনের আওতায় এনে বিচার করতে হবে। এর মধ্য দিয়েই আমরা বুঝব এ স
৩ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক অনলাইন সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
৪ ঘণ্টা আগে
যদিও সরকারের দাবি, সার নিয়ে শঙ্কার কোনো কারণ নেই। এই মুহূর্তে দেশে যে পরিমাণ সার মজুদ রয়েছে, তা দিয়ে অন্তত এক বছর পর্যন্ত চালিয়ে নেওয়া যাবে।
৫ ঘণ্টা আগে