
আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

মাজার ভাঙচুরকে একটি গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে অভিহিত করে এর সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন বিশিষ্ট রাষ্ট্রচিন্তক ও কবি ফরহাদ মজহার।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার দগরীসার মোড়ে আধ্যাত্মিক সাধক আব্দুল কাদির শাহ রহ.-এর ৫৮তম স্মরণোৎসব ও বার্ষিক ওরসে ‘সুফিবাদ ও আত্মদর্শন’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
আলোচনা সভায় তিনি বলেন, যারা মাজার ভাঙছে তারা দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। একই সঙ্গে তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতা চিন্ময় কৃষ্ণদাসের গ্রেপ্তারের সমালোচনা করে একে 'অন্যায়' এবং একটি বিশেষ গোষ্ঠীর 'মিথ্যা প্রোপাগান্ডা' বলে দাবি করেন।
বর্তমান সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এর আগের সরকার চেষ্টা করেছে, কিন্তু মাজার ভাঙা বন্ধ হয়নি। বর্তমান সরকারের সময়ে আমরা আশা করব যেন কোনো মাজার ভাঙা না হয়। যারা মাজার ভেঙেছে, স্থানীয় জনগণের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে তাদের আইনের আওতায় এনে বিচার করতে হবে। এর মধ্য দিয়েই আমরা বুঝব এ সরকারের মাজারের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি কেমন।’
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার প্রসঙ্গ টেনে ফরহাদ মজহার বলেন, ‘বৃহস্পতিবার এই মঞ্চে এলাকার সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বেশ চমৎকার একটি কথা বলে গেছেন। আমাদের সংস্কৃতির মধ্যে কীর্তন, বাউল গান, সাধকদের গান, ভক্তির ধারার গান এবং ওয়াজ সবই অন্তর্গত। তিনি বলেছেন, তার এলাকায় সবই চলবে; এটি নিঃসন্দেহে ভালো দিক।’
সাংস্কৃতিক সহাবস্থানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘কারো বিরুদ্ধে কোনো বক্তব্য থাকলে ওয়াজ বা গানের মাধ্যমে বলা যেতে পারে। কিন্তু বিশেষ পক্ষ নিয়ে অন্য পক্ষকে দমন বা নির্যাতন করা আইনবিরোধী কাজ। সস্তা জনপ্রিয়তার জন্য যখন-তখন যাকে-তাকে ভারতীয় দালাল, ইসকনের দালাল বা বিজেপির দালাল বলে অভিহিত করা হয়। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিরুদ্ধে একটি বিশেষ গোষ্ঠী দীর্ঘকাল ধরে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এদের বিষয়ে আমাদের সকলকে সাবধান হতে হবে।’
মাজারকেন্দ্রিক সংস্কৃতিকে বাংলাদেশের প্রকৃত গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি আখ্যা দিয়ে এই রাষ্ট্রচিন্তক বলেন, ‘এখানে যেকোনো ধর্মের মানুষ অংশগ্রহণ করতে পারে। আস্তিক, নাস্তিক, হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ- প্রত্যেকেই মাজারকেন্দ্রিক সংস্কৃতির অংশ। ফলে মাজারের সংস্কৃতিকে শক্তিশালী করার অর্থই হলো বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে শক্তিশালী করা।’
আব্দুল কাদির শাহ পাঠাগার আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পাঠাগারের উপদেষ্টা মো. খালিদ সাহিদ বিদ্যুৎ। আলোচনা শেষে রাতব্যাপী আধ্যাত্মিক ও বাউল গানের আসর অনুষ্ঠিত হয়।

মাজার ভাঙচুরকে একটি গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে অভিহিত করে এর সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন বিশিষ্ট রাষ্ট্রচিন্তক ও কবি ফরহাদ মজহার।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার দগরীসার মোড়ে আধ্যাত্মিক সাধক আব্দুল কাদির শাহ রহ.-এর ৫৮তম স্মরণোৎসব ও বার্ষিক ওরসে ‘সুফিবাদ ও আত্মদর্শন’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
আলোচনা সভায় তিনি বলেন, যারা মাজার ভাঙছে তারা দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। একই সঙ্গে তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতা চিন্ময় কৃষ্ণদাসের গ্রেপ্তারের সমালোচনা করে একে 'অন্যায়' এবং একটি বিশেষ গোষ্ঠীর 'মিথ্যা প্রোপাগান্ডা' বলে দাবি করেন।
বর্তমান সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এর আগের সরকার চেষ্টা করেছে, কিন্তু মাজার ভাঙা বন্ধ হয়নি। বর্তমান সরকারের সময়ে আমরা আশা করব যেন কোনো মাজার ভাঙা না হয়। যারা মাজার ভেঙেছে, স্থানীয় জনগণের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে তাদের আইনের আওতায় এনে বিচার করতে হবে। এর মধ্য দিয়েই আমরা বুঝব এ সরকারের মাজারের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি কেমন।’
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার প্রসঙ্গ টেনে ফরহাদ মজহার বলেন, ‘বৃহস্পতিবার এই মঞ্চে এলাকার সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বেশ চমৎকার একটি কথা বলে গেছেন। আমাদের সংস্কৃতির মধ্যে কীর্তন, বাউল গান, সাধকদের গান, ভক্তির ধারার গান এবং ওয়াজ সবই অন্তর্গত। তিনি বলেছেন, তার এলাকায় সবই চলবে; এটি নিঃসন্দেহে ভালো দিক।’
সাংস্কৃতিক সহাবস্থানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘কারো বিরুদ্ধে কোনো বক্তব্য থাকলে ওয়াজ বা গানের মাধ্যমে বলা যেতে পারে। কিন্তু বিশেষ পক্ষ নিয়ে অন্য পক্ষকে দমন বা নির্যাতন করা আইনবিরোধী কাজ। সস্তা জনপ্রিয়তার জন্য যখন-তখন যাকে-তাকে ভারতীয় দালাল, ইসকনের দালাল বা বিজেপির দালাল বলে অভিহিত করা হয়। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিরুদ্ধে একটি বিশেষ গোষ্ঠী দীর্ঘকাল ধরে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এদের বিষয়ে আমাদের সকলকে সাবধান হতে হবে।’
মাজারকেন্দ্রিক সংস্কৃতিকে বাংলাদেশের প্রকৃত গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি আখ্যা দিয়ে এই রাষ্ট্রচিন্তক বলেন, ‘এখানে যেকোনো ধর্মের মানুষ অংশগ্রহণ করতে পারে। আস্তিক, নাস্তিক, হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ- প্রত্যেকেই মাজারকেন্দ্রিক সংস্কৃতির অংশ। ফলে মাজারের সংস্কৃতিকে শক্তিশালী করার অর্থই হলো বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে শক্তিশালী করা।’
আব্দুল কাদির শাহ পাঠাগার আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পাঠাগারের উপদেষ্টা মো. খালিদ সাহিদ বিদ্যুৎ। আলোচনা শেষে রাতব্যাপী আধ্যাত্মিক ও বাউল গানের আসর অনুষ্ঠিত হয়।

শুক্রবার জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক অনলাইন সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
২ ঘণ্টা আগে
যদিও সরকারের দাবি, সার নিয়ে শঙ্কার কোনো কারণ নেই। এই মুহূর্তে দেশে যে পরিমাণ সার মজুদ রয়েছে, তা দিয়ে অন্তত এক বছর পর্যন্ত চালিয়ে নেওয়া যাবে।
৪ ঘণ্টা আগে
সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেছেন, কৃষককে স্বাবলম্বী করা ও অর্থনৈতিকভাবে স্বচ্ছল করা কৃষিকার্ডের প্রধান লক্ষ্য। আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে কৃষকদের মাঝে কৃষিকার্ড বিতরণ কর্মসূচি শুরু হবে।
১৭ ঘণ্টা আগে
নকল বন্ধের বিষয়ে তিনি বলেন, আওয়ামী আমলের মতো পরীক্ষা এদেশে আর হবে না। তখন শিক্ষকদের হাতে ২টা কলম থাকতো। ১টা কালো, আরেকটা লাল। কালো কলম দিয়ে শিক্ষকরা ছাত্রদের খাতায় লিখে দিতো। শিক্ষকরা নকল সরবরাহ করতো। এখন থেকে তা বন্ধ। আগামীর পরীক্ষা হবে নকলমুক্ত পরীক্ষা
১৮ ঘণ্টা আগে