
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) আওয়ামীপন্থি হিসেবে পরিচিত ছয়জন ডিন তাদের পদ ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। রাবি শাখা ছাত্রশিবিরসহ শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে তারা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
রোববার (২১ ডিসেম্বর) রাতে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই ছয় ডিন দায়িত্ব পালনে অপারগতা প্রকাশ করেন বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
রাবি জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক আখতার হোসেন মজুমদার বলেন, শিক্ষার্থী প্রতিনিধি ও ডিনদের সঙ্গে আলোচনার পর ছয় ডিন স্বেচ্ছায় দায়িত্ব ছাড়ার কথা জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন এস এম এক্রাম উল্ল্যাহ বলেন, আমরা স্পষ্টভাবে জানিয়েছি— আর দায়িত্বে থাকতে আগ্রহী নই।
রাবি প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ১৭ ডিসেম্বর শিক্ষক সমিতি, ডিন, সিন্ডিকেট, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কমিটি এবং শিক্ষা পরিষদের নির্বাচন হয়। ১২টি অনুষদের মধ্যে ছয়টিতে আওয়ামীপন্থি হলুদ প্যানেলের প্রার্থীরা ডিন নির্বাচিত হন।
গত বুধবার এসব ডিনের নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হয়েছে। তবে নতুন নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত তাদের দায়িত্বে থাকার নির্দেশ দিয়েছিলেন রাবি উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ্ হাসান নকীব। এরপর থেকে তাদের দায়িত্ব থেকে সরানোর ডাক দেয় রাবি ছাত্রশিবিরসহ কিছু শিক্ষার্থী। এ নিয়ে তারা আন্দোলনও করেন।
রোববার সকাল ১০টার দিকে ছয় ডিনের পদত্যাগ দাবিতে শিক্ষার্থীরা ডিনস কমপ্লেক্সে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় ডিনস কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন ভবনে থাকা সংশ্লিষ্ট ডিনদের কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেন তারা। এ দিন কোনো ডিন কিংবা বিভাগের শিক্ষককে ক্লাসে উপস্থিত থাকতে দেখা যায়নি।
দুপুর আড়াইটার দিকে শিক্ষার্থীরা রেজিস্ট্রার দপ্তরে গিয়ে দাবির কথা জানান। সেখানে রাবি শাখা শিবিরের সাধারণ সম্পাদক মুজাহিদ ফয়সাল দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ভবন না ছাড়ার ঘোষণা দেন। একপর্যায়ে রেজিস্ট্রার ভবনের পাশাপাশি উপউপাচার্য ও প্রক্টরের দপ্তরেও তালা দেওয়া হয়।
আধা ঘণ্টা পর তালা খুলে দেওয়া হয়। এরপর উপউপাচার্য, প্রক্টর ও জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসকের উপস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসায় রাতে পুনরায় সভা ডাকার ঘোষণা দিয়ে আলোচনা শেষ করা হয়।
এ বিষয়ে জানতে রাবি উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ্ হাসান নকীবের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) আওয়ামীপন্থি হিসেবে পরিচিত ছয়জন ডিন তাদের পদ ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। রাবি শাখা ছাত্রশিবিরসহ শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে তারা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
রোববার (২১ ডিসেম্বর) রাতে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই ছয় ডিন দায়িত্ব পালনে অপারগতা প্রকাশ করেন বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
রাবি জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক আখতার হোসেন মজুমদার বলেন, শিক্ষার্থী প্রতিনিধি ও ডিনদের সঙ্গে আলোচনার পর ছয় ডিন স্বেচ্ছায় দায়িত্ব ছাড়ার কথা জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন এস এম এক্রাম উল্ল্যাহ বলেন, আমরা স্পষ্টভাবে জানিয়েছি— আর দায়িত্বে থাকতে আগ্রহী নই।
রাবি প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ১৭ ডিসেম্বর শিক্ষক সমিতি, ডিন, সিন্ডিকেট, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কমিটি এবং শিক্ষা পরিষদের নির্বাচন হয়। ১২টি অনুষদের মধ্যে ছয়টিতে আওয়ামীপন্থি হলুদ প্যানেলের প্রার্থীরা ডিন নির্বাচিত হন।
গত বুধবার এসব ডিনের নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হয়েছে। তবে নতুন নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত তাদের দায়িত্বে থাকার নির্দেশ দিয়েছিলেন রাবি উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ্ হাসান নকীব। এরপর থেকে তাদের দায়িত্ব থেকে সরানোর ডাক দেয় রাবি ছাত্রশিবিরসহ কিছু শিক্ষার্থী। এ নিয়ে তারা আন্দোলনও করেন।
রোববার সকাল ১০টার দিকে ছয় ডিনের পদত্যাগ দাবিতে শিক্ষার্থীরা ডিনস কমপ্লেক্সে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় ডিনস কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন ভবনে থাকা সংশ্লিষ্ট ডিনদের কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেন তারা। এ দিন কোনো ডিন কিংবা বিভাগের শিক্ষককে ক্লাসে উপস্থিত থাকতে দেখা যায়নি।
দুপুর আড়াইটার দিকে শিক্ষার্থীরা রেজিস্ট্রার দপ্তরে গিয়ে দাবির কথা জানান। সেখানে রাবি শাখা শিবিরের সাধারণ সম্পাদক মুজাহিদ ফয়সাল দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ভবন না ছাড়ার ঘোষণা দেন। একপর্যায়ে রেজিস্ট্রার ভবনের পাশাপাশি উপউপাচার্য ও প্রক্টরের দপ্তরেও তালা দেওয়া হয়।
আধা ঘণ্টা পর তালা খুলে দেওয়া হয়। এরপর উপউপাচার্য, প্রক্টর ও জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসকের উপস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসায় রাতে পুনরায় সভা ডাকার ঘোষণা দিয়ে আলোচনা শেষ করা হয়।
এ বিষয়ে জানতে রাবি উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ্ হাসান নকীবের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, শুধু জ্বালানি নয়, সরকারি খাতে গাড়ি, জলযান ও কম্পিউটার ক্রয়ও আপাতত সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সরকারি কার্যালয়ে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের ব্যবহার ৩০ শতাংশ এবং ভবন শোভাবর্ধন ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে কমানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, বিশেষ করে এই অঞ্চলে যেমন পাট রয়েছে, এগুলো মাথায় রেখে আমাদের কৃষক ডিজেলের ক্ষেত্রে যেন কোনো ধরনের সমস্যায় না পড়ে এবং নিরবচ্ছিন্নভাবে তারা যেন ডিজেল ও বিদ্যুৎ পায় সেক্ষেত্রে আমরা তৎপর আছি। কৃষকদের কোনো সমস্যা হবে না।
১৬ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রশাসন শাখা থেকে জারি করা অফিস আদেশে বলা হয়, আপৎকালীন সময়ে নিরবচ্ছিন্ন চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত এবং হামের টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
মন্ত্রী বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার হিসেবে আমরা প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর। নির্বাচনের আঙুলের দাগ মুছে যাওয়ার আগেই ফ্যামিলি কার্ড চালু, ইমামদের ভাতা প্রদান এবং কৃষি ঋণ মওকুফের মতো গুরুত্বপূর্ণ জনকল্যাণমূলক সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে