
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে দেশের কারাগারে বন্দিদের জন্য বিশেষ খাবারের আয়োজন করতে যাচ্ছে কারা অধিদপ্তর। প্রতি বছরই দুই ঈদে দেশের কারাগারগুলোতে বন্দিদের জন্য বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। এ ছাড়া থাকে ফোনে স্বজনদের সঙ্গে কথা বলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগের সুযোগ। এবারও এসব আয়োজনে সাজানো হচ্ছে বন্দিদের ঈদ আনন্দ।
কারা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকাসহ দেশের ৭৫টি কারাগারের ৭৩টিতে হাজতি ও কয়েদি মিলিয়ে প্রায় ৭৮ হাজার ৫০০ কারাবন্দি রয়েছেন।
ঈদের দিন বন্দিদের জন্য খাবারের আয়োজন নিয়ে অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক মো. জাহাঙ্গীর কবির জানান, ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে বন্দিরা বিশেষ খাবার পাবেন। ঈদের দিন সকালের নাস্তায় থাকবে পায়েস-সেমাই-মুড়ি। দুপুরে থাকবে পোলাও, গরুর রেজালা (যারা গরু খায় না ও হিন্দু বন্দিদের জন্য খাসি), সেদ্ধ ডিম, মুরগির রোস্ট, মিষ্টি, সালাদ, পান-সুপারি। রাতের খাবারে পরিবেশন করা হবে সাদা ভাত, রুই মাছ ও আলুর দম।
তবে সূত্রমতে, বন্দিদের জন্য ধার্য করে দেওয়া খাবারের মেন্যুর বাইরে কারাগারগুলো সরকারি বরাদ্দ করা অর্থ দিয়ে দু-একটা আইটেম পরিবর্তনও করতে পারে। অনেক কারাগার নির্ধারিত মেন্যুর অতিরিক্ত হিসেবে বন্দিদের কোমল পানীয় সরবরাহ করে থাকে।
কারাগার সূত্রে আরও জানা যায়, ঈদের দিন স্বজনদের রান্না করে আনা খাবার খাওয়ার সুযোগও পাবেন বন্দিরা। ঈদ জামাতও হবে কারাগারে। বন্দিদের বিনোদনের জন্য সাংস্কৃতিক ও খেলাধুলার আয়োজনও থাকছে। স্বজনদের সঙ্গে পাঁচ মিনিট ফোনে কথা বলার সুযোগও পাবেন তারা।
আরও জানা যায়, ঈদের দিন নামাজের পর বন্দিদের জন্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। বন্দিদের মধ্যে যারা শিল্পী রয়েছেন, তারা এই অনুষ্ঠানে গান গাইবেন। ঈদের পরদিন বন্দিদের মধ্য থেকে বাছাই করে প্রীতি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা হয়েছে। ঈদের তিন দিনের মধ্যে স্বজনরা একবার বন্দিদের সঙ্গে দেখা করতে পারবেন।

ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে দেশের কারাগারে বন্দিদের জন্য বিশেষ খাবারের আয়োজন করতে যাচ্ছে কারা অধিদপ্তর। প্রতি বছরই দুই ঈদে দেশের কারাগারগুলোতে বন্দিদের জন্য বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। এ ছাড়া থাকে ফোনে স্বজনদের সঙ্গে কথা বলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগের সুযোগ। এবারও এসব আয়োজনে সাজানো হচ্ছে বন্দিদের ঈদ আনন্দ।
কারা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকাসহ দেশের ৭৫টি কারাগারের ৭৩টিতে হাজতি ও কয়েদি মিলিয়ে প্রায় ৭৮ হাজার ৫০০ কারাবন্দি রয়েছেন।
ঈদের দিন বন্দিদের জন্য খাবারের আয়োজন নিয়ে অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক মো. জাহাঙ্গীর কবির জানান, ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে বন্দিরা বিশেষ খাবার পাবেন। ঈদের দিন সকালের নাস্তায় থাকবে পায়েস-সেমাই-মুড়ি। দুপুরে থাকবে পোলাও, গরুর রেজালা (যারা গরু খায় না ও হিন্দু বন্দিদের জন্য খাসি), সেদ্ধ ডিম, মুরগির রোস্ট, মিষ্টি, সালাদ, পান-সুপারি। রাতের খাবারে পরিবেশন করা হবে সাদা ভাত, রুই মাছ ও আলুর দম।
তবে সূত্রমতে, বন্দিদের জন্য ধার্য করে দেওয়া খাবারের মেন্যুর বাইরে কারাগারগুলো সরকারি বরাদ্দ করা অর্থ দিয়ে দু-একটা আইটেম পরিবর্তনও করতে পারে। অনেক কারাগার নির্ধারিত মেন্যুর অতিরিক্ত হিসেবে বন্দিদের কোমল পানীয় সরবরাহ করে থাকে।
কারাগার সূত্রে আরও জানা যায়, ঈদের দিন স্বজনদের রান্না করে আনা খাবার খাওয়ার সুযোগও পাবেন বন্দিরা। ঈদ জামাতও হবে কারাগারে। বন্দিদের বিনোদনের জন্য সাংস্কৃতিক ও খেলাধুলার আয়োজনও থাকছে। স্বজনদের সঙ্গে পাঁচ মিনিট ফোনে কথা বলার সুযোগও পাবেন তারা।
আরও জানা যায়, ঈদের দিন নামাজের পর বন্দিদের জন্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। বন্দিদের মধ্যে যারা শিল্পী রয়েছেন, তারা এই অনুষ্ঠানে গান গাইবেন। ঈদের পরদিন বন্দিদের মধ্য থেকে বাছাই করে প্রীতি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা হয়েছে। ঈদের তিন দিনের মধ্যে স্বজনরা একবার বন্দিদের সঙ্গে দেখা করতে পারবেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শুক্রবার সকালে ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করার কথা রয়েছে হাকান ফিদানের। এই বৈঠক শেষেই দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক সম্পদ সুরক্ষার ওই সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে। এ ছাড়া দ্বিপাক্ষিক অন্য বিষয়গুলোও আলোচনায় আসবে।
১২ ঘণ্টা আগে
বুধবার সকাল ৮টায় দিল্লির দক্ষিণাঞ্চলের মালভিয়া নগরের ওই হোটেলে আগুন লাগে। এতে ২২ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেকে। বৃহস্পতিবার দুপুরে বাংলাদেশ দূতাবাস জানায়, আগুনে আট বাংলাদেশি আহত হয়েছেন। এর মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
১৩ ঘণ্টা আগে
খলিলুর রহমান বলেন, ‘আমি তখন তার ব্যক্তিগত সচিব ছিলাম। তিনি দুই দায়িত্বই সফলভাবে পালন করেছিলেন। তখন ছিল ইন্টারনেটপূর্ব যুগ। এখন প্রযুক্তির এই সময়ে দুটো কাজ একসঙ্গে করা আরও সহজ।’
১ দিন আগে
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— সচিবালয়ের আউটসোর্সিং কর্মী রঞ্জন চন্দ্র (২৫) ও ভাঙারি ব্যবসায়ী রেজাউল ইসলাম (৩২)। তাদের কাছ থেকে চুরি হওয়া তারও উদ্ধার করা হয়েছে।
১ দিন আগে