প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও সমসাময়িক পরিস্থিতি নিয়ে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির সঙ্গে আজ রোববার বৈঠক করবেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। গতকাল শনিবার বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
তিনি বলেন, রোববার কিছু রাজনৈতিক দলের সঙ্গে চিফ অ্যাডভাইজর বসবেন। বিকেল ৩টার সময় বিএনপির সঙ্গে এবং বর্তমান পরিস্থিতি ও ইলেকশন নিয়ে আলাপ-আলোচনা হবে; সাড়ে ৪টায় জামায়াত এবং সন্ধ্যা ৬টায় এনসিপির সঙ্গে।
প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গতকাল শনিবার যমুনায় অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে জানিয়ে প্রেস সচিব বলেন, বৈঠকে কয়েকজন উপদেষ্টার পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান এবং প্রধান উপদেষ্টার স্বরাষ্ট্রবিষয়ক বিশেষ সহকারী খোদা বখস চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর এক বিবৃতিতে বলেছে, আগামী জাতীয় নির্বাচন ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশের জনগণের প্রতি এটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একনিষ্ঠ অঙ্গীকার। নির্বাচন বিলম্বিত বা বানচাল করার জন্য সব ষড়যন্ত্র, বাধা অথবা প্রচেষ্টা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং আমাদের গণতন্ত্রপ্রেমী দেশপ্রেমিক জনগণ দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করবে। জনগণের ইচ্ছা জয়ী হবে, কোনো অশুভ শক্তিকে গণতন্ত্রের পথে আমাদের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে দেওয়া হবে না।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও সমসাময়িক পরিস্থিতি নিয়ে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির সঙ্গে আজ রোববার বৈঠক করবেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। গতকাল শনিবার বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
তিনি বলেন, রোববার কিছু রাজনৈতিক দলের সঙ্গে চিফ অ্যাডভাইজর বসবেন। বিকেল ৩টার সময় বিএনপির সঙ্গে এবং বর্তমান পরিস্থিতি ও ইলেকশন নিয়ে আলাপ-আলোচনা হবে; সাড়ে ৪টায় জামায়াত এবং সন্ধ্যা ৬টায় এনসিপির সঙ্গে।
প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গতকাল শনিবার যমুনায় অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে জানিয়ে প্রেস সচিব বলেন, বৈঠকে কয়েকজন উপদেষ্টার পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান এবং প্রধান উপদেষ্টার স্বরাষ্ট্রবিষয়ক বিশেষ সহকারী খোদা বখস চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর এক বিবৃতিতে বলেছে, আগামী জাতীয় নির্বাচন ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশের জনগণের প্রতি এটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একনিষ্ঠ অঙ্গীকার। নির্বাচন বিলম্বিত বা বানচাল করার জন্য সব ষড়যন্ত্র, বাধা অথবা প্রচেষ্টা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং আমাদের গণতন্ত্রপ্রেমী দেশপ্রেমিক জনগণ দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করবে। জনগণের ইচ্ছা জয়ী হবে, কোনো অশুভ শক্তিকে গণতন্ত্রের পথে আমাদের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে দেওয়া হবে না।
একাডেমিক কাউন্সিলের এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে শিক্ষার্থীরা বলছেন, শিক্ষকরা এখন যে তিনটি ডিগ্রি রাখতে চাইছেন, তাতে ভবিষ্যতে সমস্যা আরও বাড়বে। আমাদের একটাই কথা— এক পেশায় একটাই ডিগ্রি থাকবে। এ দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলে জানান তারা
৩ ঘণ্টা আগে