
বিবিসি বাংলা

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদীর হত্যার বিচার নিয়ে এবার তোপের মুখে পড়লেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
হত্যার বিচারে বিলম্বের অভিযোগে মি. নজরুলের কাছে জবাবদিহি চান নিহত হাদীর সমর্থকরা।
সোমবার গাইবান্ধায় এক অনুষ্ঠানের মঞ্চে এ ঘটনা ঘটেছে।
চিৎকার-চেঁচামেচির একপর্যায়ে মি. নজরুল ডায়াসে থাকা মাইক্রোফোনের সামনে থেকে সরে যেতে যেতে বলেন, এভাবে তো কথা বলা যাবে না।
ভোটারদের আস্থা বৃদ্ধি করা, অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ নিশ্চিত ও গণভোট নিয়ে ভোটারদের সচেতনতা শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় আইন উপদেষ্টা এমন ঘটনার মুখোমুখি হন।
তিনি তাদের শান্ত করতে চেয়ে মঞ্চের সামনে পোস্টার হাতে নিয়ে থাকা দুইজনকে পরে তার সাথে কথা বলতে আসার আহ্বান জানান।
তবে, সেসময় তাদের চিৎকার করতে শোনা যায়।
ডায়াসে থাকা মাইক্রোফোনে মি. নজরুল বলেন, আপনাদের অনেক ব্যাপারে প্রশ্ন থাকবে যে চার্জশিট এমন কেন হলো, বিচার হচ্ছে না কেন?আসিফ নজরুল স্যারকে আমরা এতো ভালোবাসতাম উনি কী করছেন?আপনাদের সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য.... আপনাদের এখানে দুইটা ভাই পোস্টার নিয়ে এতোক্ষণ কষ্ট করে দাঁড়ায়ে আছে।আপনারা দুইজনে আমার সাথে আসবেন, আমি আপনাদের সকল প্রশ্নের উত্তর দিব।
‘আপনারা কি চান যে চার্জশিট গ্রহণ করে ফেলুক, চান? চান কি না চান?’ এমন প্রশ্নও করেন আইন উপদেষ্টা।
এরপরও হাদীর বিচারের অগ্রগতি জানতে চেয়ে উপস্থিত ব্যক্তিরা চিৎকার করতে থাকেন।
তখন মি. নজরুল তাদের কেন দেরি হচ্ছে, চার্জশিট কোন পর্যায়ে সে বিষয়ে ব্যাখ্যা দেন।
‘ভালো করে বলি শুনেন, একটা বিচার কাজ শুরু হয় চার্জশিট দেয়ার পর। আপনারা কি চান যে চার্জশিট গ্রহণ করে ফেলুক, এটা চান? চান কিনা বলেন। হ্যাঁ বা না বলেন। চান.... এই চার্জশিট করার দায়িত্ব পুলিশের, আপনাদের তো বললাম যেদিন চার্জশিট গৃহীত হয়ে যাবে, এরপর বিন্দুমাত্র কালক্ষেপণ করা হবে না। প্রতিদিন কোর্ট বসবে’ বলেন মি. নজরুল।
এ সময় তিনি নিহত হাদীর অনুসারীদের ‘পুলিশের ব্যাপার দেখার দায়িত্ব যেই মন্ত্রণালয়ের আপনাদের যে কনসার্ন আছে, আমি কথা দিচ্ছি আপনারা যেভাবে বলেছেন আপনাদের কনসার্নটা আমি ওনাদেরকে পৌঁছে দেবো’ বলে আশ্বস্ত করেন।

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদীর হত্যার বিচার নিয়ে এবার তোপের মুখে পড়লেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
হত্যার বিচারে বিলম্বের অভিযোগে মি. নজরুলের কাছে জবাবদিহি চান নিহত হাদীর সমর্থকরা।
সোমবার গাইবান্ধায় এক অনুষ্ঠানের মঞ্চে এ ঘটনা ঘটেছে।
চিৎকার-চেঁচামেচির একপর্যায়ে মি. নজরুল ডায়াসে থাকা মাইক্রোফোনের সামনে থেকে সরে যেতে যেতে বলেন, এভাবে তো কথা বলা যাবে না।
ভোটারদের আস্থা বৃদ্ধি করা, অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ নিশ্চিত ও গণভোট নিয়ে ভোটারদের সচেতনতা শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় আইন উপদেষ্টা এমন ঘটনার মুখোমুখি হন।
তিনি তাদের শান্ত করতে চেয়ে মঞ্চের সামনে পোস্টার হাতে নিয়ে থাকা দুইজনকে পরে তার সাথে কথা বলতে আসার আহ্বান জানান।
তবে, সেসময় তাদের চিৎকার করতে শোনা যায়।
ডায়াসে থাকা মাইক্রোফোনে মি. নজরুল বলেন, আপনাদের অনেক ব্যাপারে প্রশ্ন থাকবে যে চার্জশিট এমন কেন হলো, বিচার হচ্ছে না কেন?আসিফ নজরুল স্যারকে আমরা এতো ভালোবাসতাম উনি কী করছেন?আপনাদের সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য.... আপনাদের এখানে দুইটা ভাই পোস্টার নিয়ে এতোক্ষণ কষ্ট করে দাঁড়ায়ে আছে।আপনারা দুইজনে আমার সাথে আসবেন, আমি আপনাদের সকল প্রশ্নের উত্তর দিব।
‘আপনারা কি চান যে চার্জশিট গ্রহণ করে ফেলুক, চান? চান কি না চান?’ এমন প্রশ্নও করেন আইন উপদেষ্টা।
এরপরও হাদীর বিচারের অগ্রগতি জানতে চেয়ে উপস্থিত ব্যক্তিরা চিৎকার করতে থাকেন।
তখন মি. নজরুল তাদের কেন দেরি হচ্ছে, চার্জশিট কোন পর্যায়ে সে বিষয়ে ব্যাখ্যা দেন।
‘ভালো করে বলি শুনেন, একটা বিচার কাজ শুরু হয় চার্জশিট দেয়ার পর। আপনারা কি চান যে চার্জশিট গ্রহণ করে ফেলুক, এটা চান? চান কিনা বলেন। হ্যাঁ বা না বলেন। চান.... এই চার্জশিট করার দায়িত্ব পুলিশের, আপনাদের তো বললাম যেদিন চার্জশিট গৃহীত হয়ে যাবে, এরপর বিন্দুমাত্র কালক্ষেপণ করা হবে না। প্রতিদিন কোর্ট বসবে’ বলেন মি. নজরুল।
এ সময় তিনি নিহত হাদীর অনুসারীদের ‘পুলিশের ব্যাপার দেখার দায়িত্ব যেই মন্ত্রণালয়ের আপনাদের যে কনসার্ন আছে, আমি কথা দিচ্ছি আপনারা যেভাবে বলেছেন আপনাদের কনসার্নটা আমি ওনাদেরকে পৌঁছে দেবো’ বলে আশ্বস্ত করেন।

ভোট কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে তাসনিম জারা বলেন, বিভিন্ন অজুহাতে আমাদের পোলিং এজেন্টদের প্রবেশ করতে দিচ্ছে না। বের করে দেওয়া হচ্ছে। বানোয়াট কিছু নিয়ম বানিয়ে এই কাজ করা হচ্ছে। বলা হচ্ছে, এজেন্টরা এখানকার ভোটার নয়। পোলিং এজেন্ট হতে হলে এখানকার ভোটার হতে হবে। হেনস্তা করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে
১৯৭১ সালে স্বাধীনতা লাভের পর থেকে এই দীর্ঘ সময়ে দেশে ক্ষমতার পালাবদল, সামরিক শাসন, গণআন্দোলন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের একাধিক নির্বাচন বর্জন— সব মিলিয়ে দেশের নির্বাচনি রাজনীতি এক জটিল ও বহুমাত্রিক অধ্যায় রচনা করেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
২৩ সদস্যের কমনওয়েলথ অবজারভার গ্রুপের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ঘানার সাবেক প্রেসিডেন্ট নানা আকুফো-আডো। প্রতিনিধি দলটি দিনভর বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শনের মাধ্যমে নির্বাচন প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করবে বলে জানান তারা।
৫ ঘণ্টা আগে