আনিস আলমগীরকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার: আসকের গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা

কূটনৈতিক প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৯: ৩৫
ছবি: সংগৃহীত

সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সংস্থাটির সিনিয়র সমন্বয়কারী আবু আহমেদ ফয়জুল কবিরের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

একজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে এ ধরনের কঠোর আইন প্রয়োগ আইনটির উদ্দেশ্য ও পরিধির সুস্পষ্ট অপপ্রয়োগ বলে মনে করছে আসক।

বিজ্ঞপ্তিতে আসক জানায়, সম্প্রতি সাংবাদিক আনিস আলমগীর সরকার ও রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন নীতি ও কর্মকাণ্ডের সমালোচনায় সরব ছিলেন। টেলিভিশন টকশোসহ বিভিন্ন মাধ্যমে তিনি ভিন্নমত প্রকাশ করে নিজের মতামত তুলে ধরেছেন। এমন প্রেক্ষাপটে তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইন প্রয়োগ মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত।

আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) মনে করে, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড দমনের জন্য প্রণীত একটি কঠোর আইনকে সাংবাদিকতা ও মতপ্রকাশের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মৌলিক নীতির পরিপন্থি। সরকার বা রাষ্ট্রীয় নীতির সমালোচনা কোনো অপরাধ নয়; বরং স্বাধীন ও সমালোচনামূলক সাংবাদিকতা জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থার অপরিহার্য অংশ।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এ ধরনের গ্রেপ্তার গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি করে এবং ভিন্নমত দমনের একটি বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত স্থাপন করে। বাংলাদেশের সংবিধানে স্বীকৃত মতপ্রকাশের স্বাধীনতা খর্ব করতে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মতো কঠোর আইন ব্যবহার কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

আইন ও সালিশ কেন্দ্র অবিলম্বে সাংবাদিক আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইন প্রয়োগ প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে ভবিষ্যতে ভিন্নমত ও সাংবাদিকতার কণ্ঠরোধে এ ধরনের আইন অপব্যবহার বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

ad
ad

খবরাখবর থেকে আরও পড়ুন

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন

আসিফ নজরুল বলেন, জুলাই-আগস্টে অভ্যুত্থানকারীদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা থাকলে, তা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এমনকি নতুন কোনো মামলা করা যাবে না বলেও জানান তিনি।

৪ ঘণ্টা আগে

পরিবর্তন, সংস্কার চাইলে হ্যাঁ ভোট দিন: তথ্য উপদেষ্টা

তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, আমাদের অবস্থানটা স্পষ্ট। আমরা মানুষকে বলব, যদি পরিবর্তন চান, সংস্কার চান, তাহলে গণভোটে অংশগ্রহণ করুন এবং হ্যাঁ ভোট দিন।

৫ ঘণ্টা আগে

‘একাত্তর মুছে যাবে, বিসমিল্লাহ থাকবে না বলে অপপ্রচার চলছে’

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী এবং গণভোট সংক্রান্ত জনসচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রমের মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, একটি মহল প্রচারণা চালাচ্ছে যে জুলাই সনদ পাস হলে সংবিধান থেকে ১৯৭১-কে মুছে ফেলা হবে, বিসমিল্লাহ থাকবে না—এসব কথা ঠিক নয়।

৬ ঘণ্টা আগে

ফের ঢাকার তিন স্থান অবরোধ সাত কলেজ শিক্ষার্থীদের

শিক্ষার্থীদের দাবি, গত ৭ ও ৮ ডিসেম্বর শিক্ষা ভবনের সামনে টানা অবস্থান কর্মসূচির সময় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠকে জানুয়ারির প্রথম দিকেই অধ্যাদেশ জারির আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। তবে এখনও সে বিষয়ে কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় তারা বাধ্য হয়ে অবরোধ কর্মসূচিতে নেমেছেন।

৭ ঘণ্টা আগে