
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে দেশ-বিদেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়েছে। তবে বিরোধী দলের আপত্তির মুখে শোক প্রস্তাবে নামের তালিকা বাড়িয়েছে সংসদ।
আজ বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকালে নতুন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়। দিনের কার্যক্রমে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মনোনয়ন এবং শোক প্রস্তাব উপস্থাপন অন্তর্ভুক্ত ছিল।
জ্যেষ্ঠ সংসদ সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে প্রথমে অধিবেশন শুরু হয়। পরে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের পর অধিবেশন কিছুক্ষণ মুলতবি করা হয়। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাদের শপথবাক্য পাঠ করান। বিরতি শেষে বেলা দেড়টায় অধিবেশন পুনরায় শুরু হয়। অধিবেশনের শুরুতেই সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যদের মনোনয়ন দেওয়া হয়। এরপর একে একে শোক প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়।
প্রথম দিনের অধিবেশনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহিদ, মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তিসহ দেশি-বিদেশি বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তির মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব আনা হয়।
খালেদা জিয়াকে নিয়ে সংসদে উপস্থাপিত শোক প্রস্তাবে বলা হয়, ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের দুবারের বিরোধী দলীয় নেতা, মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী ও গণতন্ত্রের আপসহীন নেত্রী, বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন’ বেগম খালেদা জিয়াকে হারিয়েছে দেশ। প্রস্তাবে বলা হয়, তার মৃত্যুতে ‘মহান জাতীয় সংসদ গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করছে।’
অধিবেশনে ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, ক্যাথলিক ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুতে পৃথক শোক প্রস্তাব আনা হয়। এ ছাড়া সাবেক রাষ্ট্রপতিসহ ৬২ জন সাবেক সংসদ সদস্যের মৃত্যুতে শোক প্রকাশের প্রস্তাব সংসদে উপস্থাপন করা হয়।
তালিকায় সাবেক রাষ্ট্রপতি ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী, ফরহাদ আহমেদ চৌধুরী, শহীদুল্লাহ শহিদ, মেজর জেনারেল অব. কে এম সফিউল্লাহ, অধ্যাপিকা নূরুন নেসা হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান, আবদুল্লাহ আল নোমান, কর্নেল অব. এম আনোয়ারুল আজিম, শহীদার হাসান তারেক সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নাম রয়েছে।
সংসদে উপস্থাপিত আরেকটি শোক প্রস্তাবে ২০০৭ থেকে ২০২৪ সালের অগাস্ট পর্যন্ত গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও মানবাধিকারের জন্য নিহতদের স্মরণ করা হয়। সেখানে বলা হয়, গুম, মানবতাবিরোধী অপরাধ, গোপন ও ক্রসফায়ারের নামে হত্যাকাণ্ড, নির্যাতন ও গণগ্রেপ্তারের শিকার হয়েছেন বহু মানুষ।
একই প্রস্তাবে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ আবু সাঈদ, মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ, মেহেদী হাসান জুনায়েদ এবং ফাইয়াজসহ আন্দোলনে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সংসদ গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করে।
মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিমান দুর্ঘটনায় নিহতদের প্রতি শোকও প্রকাশ করা হয়। ২০২৫ সালের ১১ জুলাই উত্তরার মাইলস্টোন স্কুলে প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে বহু মানুষ নিহত হন। সংসদ আহতদের প্রতিও সহমর্মিতা প্রকাশ করে।
জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সিস্টেম অ্যানালিস্ট নুসরাত শারমিন মোরী, উপপরিচালক রিপোর্টিং মোহাম্মদ হুসান, সহকারী পরিচালক গণসংযোগ মাহফুজা বেগম এবং অফিস সহায়ক মো. আব্দুল লতিফের মৃত্যুতে আলাদা শোক প্রস্তাব আনা হয়।
অধিবেশনে জানানো হয়, এসব শোক প্রস্তাবের অনুলিপি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট পরিবার বা প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হবে।
বিরোধী দলের আপত্তি ও তালিকা সম্প্রসারণ
শোক প্রস্তাব উপস্থাপনের সময় বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান মাইক নেন। তিনি বলেন, শোক প্রস্তাবে কিছু নাম বাদ পড়েছে। সেগুলো বলার জন্য বিরোধী উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরকে অনুরোধ করেন। পরে তাহেরকে মাইক দেন স্পিকার।
পরে তাহের বলেন, শোক প্রস্তাব একটি দুঃখের বিষয়। প্রস্তাবনাটি একপেশে করে তৈরি করা হয়েছে। আশা করি ভবিষ্যতে সংসদকে নিরপেক্ষ ও প্রানবন্ত করতে হলে আরও সচেতন হওয়া দরকার।
এ সময় কতিপয় সংসদ সদস্য ও সমাজের গণমান্য ব্যক্তির নাম বাদ পড়েছে বলে উল্লেখ করে তিনি অনেকের নাম বলেন, ‘শহিদ মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, শহিদ আল্লামা দেলওয়ার হোসেন সাঈদী, শহিদ মাওলানা আবদুস সোবহান, মরহুম শেখ আনছার আলী, মরহুম রিয়াসাত আলী, মরহুম আবদুল খালেক মণ্ডল, হাফেজা আছমা খাতুন, রোকেয়া আনছার, সুলতানা রাজিয়া, রাশেদা খাতুন, শহিদ আলী আহসান মো. মুজাহিদ, মাওলানা একে এম ইউসুফ, অধ্যাপক নাজির আহমেদ, শহিদ কামারুজ্জামান, শহিদ আবদুল কাদের মোল্লা, শহিদ মীর কাসেম আলী।’
তিনি আরও বলেন, শাপলা চত্বরের জামায়াতে ইসলামী বলা হয়েছিল। কিন্তু সেটা হবে হেফাজতে ইসলামী। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রায় ২ হাজার শহিদ, শহিদ ওসমান হাদির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা।
পরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, বিরোধী দলীয় উপনেতা যাদের নাম বলেছেন তাদের নাম শোক প্রস্তাবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
পরে চীফ হুইপ নূরুল ইসলাম আরও শোক প্রস্তাবের জন্য আরও কয়েকটি নাম যুক্ত করেন। তারা হলেন গৌতম চক্রবর্তী, এম এ মতিন, মুজিবুর রহমান মঞ্জু, আনোয়ারুল হোসেন খান এবং এয়ার ভাইস মার্শাল একে খন্দকারের নাম যুক্ত করার প্রস্তাব করেন চীফ হুইপ। তিনি অন্য কোনো এমপির নাম বাদ পড়লে সংসদ সচিবালয়কে জানানো অনুরোধ করেন।
পরে বিরোধী দলীয় চীফ হুইপ নাহিদ ইসলাম কথা বলেন। তিনি শোক প্রস্তাবে শরিফ ওসমান বিন হাদি এবং সীমান্তে নিহত ফেলানীর নাম যুক্ত করার প্রস্তাব করেন।
পরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, নামগুলো শোক প্রস্তাবে অন্তর্ভুক্ত হবে। শোক প্রস্তাবের নাম গ্রহণের পূর্বে প্রয়াত খালেদা জিয়া ও শহিদ জুলাই যোদ্ধাদের ওপর আলোচনা হবে।
এ ছাড়া শোক প্রস্তাবে ২০১৩ সালে শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামীর সমাবেশে হামলায় নিহত ও ২০০৯ সালে পিলখানায় শহিদদের নাম শোক প্রস্তাবে যুক্ত করার প্রস্তাব করেন স্পিকার।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে দেশ-বিদেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়েছে। তবে বিরোধী দলের আপত্তির মুখে শোক প্রস্তাবে নামের তালিকা বাড়িয়েছে সংসদ।
আজ বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকালে নতুন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়। দিনের কার্যক্রমে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মনোনয়ন এবং শোক প্রস্তাব উপস্থাপন অন্তর্ভুক্ত ছিল।
জ্যেষ্ঠ সংসদ সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে প্রথমে অধিবেশন শুরু হয়। পরে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের পর অধিবেশন কিছুক্ষণ মুলতবি করা হয়। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাদের শপথবাক্য পাঠ করান। বিরতি শেষে বেলা দেড়টায় অধিবেশন পুনরায় শুরু হয়। অধিবেশনের শুরুতেই সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যদের মনোনয়ন দেওয়া হয়। এরপর একে একে শোক প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়।
প্রথম দিনের অধিবেশনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহিদ, মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তিসহ দেশি-বিদেশি বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তির মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব আনা হয়।
খালেদা জিয়াকে নিয়ে সংসদে উপস্থাপিত শোক প্রস্তাবে বলা হয়, ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের দুবারের বিরোধী দলীয় নেতা, মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী ও গণতন্ত্রের আপসহীন নেত্রী, বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন’ বেগম খালেদা জিয়াকে হারিয়েছে দেশ। প্রস্তাবে বলা হয়, তার মৃত্যুতে ‘মহান জাতীয় সংসদ গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করছে।’
অধিবেশনে ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, ক্যাথলিক ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুতে পৃথক শোক প্রস্তাব আনা হয়। এ ছাড়া সাবেক রাষ্ট্রপতিসহ ৬২ জন সাবেক সংসদ সদস্যের মৃত্যুতে শোক প্রকাশের প্রস্তাব সংসদে উপস্থাপন করা হয়।
তালিকায় সাবেক রাষ্ট্রপতি ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী, ফরহাদ আহমেদ চৌধুরী, শহীদুল্লাহ শহিদ, মেজর জেনারেল অব. কে এম সফিউল্লাহ, অধ্যাপিকা নূরুন নেসা হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান, আবদুল্লাহ আল নোমান, কর্নেল অব. এম আনোয়ারুল আজিম, শহীদার হাসান তারেক সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নাম রয়েছে।
সংসদে উপস্থাপিত আরেকটি শোক প্রস্তাবে ২০০৭ থেকে ২০২৪ সালের অগাস্ট পর্যন্ত গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও মানবাধিকারের জন্য নিহতদের স্মরণ করা হয়। সেখানে বলা হয়, গুম, মানবতাবিরোধী অপরাধ, গোপন ও ক্রসফায়ারের নামে হত্যাকাণ্ড, নির্যাতন ও গণগ্রেপ্তারের শিকার হয়েছেন বহু মানুষ।
একই প্রস্তাবে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ আবু সাঈদ, মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ, মেহেদী হাসান জুনায়েদ এবং ফাইয়াজসহ আন্দোলনে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সংসদ গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করে।
মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিমান দুর্ঘটনায় নিহতদের প্রতি শোকও প্রকাশ করা হয়। ২০২৫ সালের ১১ জুলাই উত্তরার মাইলস্টোন স্কুলে প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে বহু মানুষ নিহত হন। সংসদ আহতদের প্রতিও সহমর্মিতা প্রকাশ করে।
জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সিস্টেম অ্যানালিস্ট নুসরাত শারমিন মোরী, উপপরিচালক রিপোর্টিং মোহাম্মদ হুসান, সহকারী পরিচালক গণসংযোগ মাহফুজা বেগম এবং অফিস সহায়ক মো. আব্দুল লতিফের মৃত্যুতে আলাদা শোক প্রস্তাব আনা হয়।
অধিবেশনে জানানো হয়, এসব শোক প্রস্তাবের অনুলিপি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট পরিবার বা প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হবে।
বিরোধী দলের আপত্তি ও তালিকা সম্প্রসারণ
শোক প্রস্তাব উপস্থাপনের সময় বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান মাইক নেন। তিনি বলেন, শোক প্রস্তাবে কিছু নাম বাদ পড়েছে। সেগুলো বলার জন্য বিরোধী উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরকে অনুরোধ করেন। পরে তাহেরকে মাইক দেন স্পিকার।
পরে তাহের বলেন, শোক প্রস্তাব একটি দুঃখের বিষয়। প্রস্তাবনাটি একপেশে করে তৈরি করা হয়েছে। আশা করি ভবিষ্যতে সংসদকে নিরপেক্ষ ও প্রানবন্ত করতে হলে আরও সচেতন হওয়া দরকার।
এ সময় কতিপয় সংসদ সদস্য ও সমাজের গণমান্য ব্যক্তির নাম বাদ পড়েছে বলে উল্লেখ করে তিনি অনেকের নাম বলেন, ‘শহিদ মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, শহিদ আল্লামা দেলওয়ার হোসেন সাঈদী, শহিদ মাওলানা আবদুস সোবহান, মরহুম শেখ আনছার আলী, মরহুম রিয়াসাত আলী, মরহুম আবদুল খালেক মণ্ডল, হাফেজা আছমা খাতুন, রোকেয়া আনছার, সুলতানা রাজিয়া, রাশেদা খাতুন, শহিদ আলী আহসান মো. মুজাহিদ, মাওলানা একে এম ইউসুফ, অধ্যাপক নাজির আহমেদ, শহিদ কামারুজ্জামান, শহিদ আবদুল কাদের মোল্লা, শহিদ মীর কাসেম আলী।’
তিনি আরও বলেন, শাপলা চত্বরের জামায়াতে ইসলামী বলা হয়েছিল। কিন্তু সেটা হবে হেফাজতে ইসলামী। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রায় ২ হাজার শহিদ, শহিদ ওসমান হাদির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা।
পরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, বিরোধী দলীয় উপনেতা যাদের নাম বলেছেন তাদের নাম শোক প্রস্তাবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
পরে চীফ হুইপ নূরুল ইসলাম আরও শোক প্রস্তাবের জন্য আরও কয়েকটি নাম যুক্ত করেন। তারা হলেন গৌতম চক্রবর্তী, এম এ মতিন, মুজিবুর রহমান মঞ্জু, আনোয়ারুল হোসেন খান এবং এয়ার ভাইস মার্শাল একে খন্দকারের নাম যুক্ত করার প্রস্তাব করেন চীফ হুইপ। তিনি অন্য কোনো এমপির নাম বাদ পড়লে সংসদ সচিবালয়কে জানানো অনুরোধ করেন।
পরে বিরোধী দলীয় চীফ হুইপ নাহিদ ইসলাম কথা বলেন। তিনি শোক প্রস্তাবে শরিফ ওসমান বিন হাদি এবং সীমান্তে নিহত ফেলানীর নাম যুক্ত করার প্রস্তাব করেন।
পরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, নামগুলো শোক প্রস্তাবে অন্তর্ভুক্ত হবে। শোক প্রস্তাবের নাম গ্রহণের পূর্বে প্রয়াত খালেদা জিয়া ও শহিদ জুলাই যোদ্ধাদের ওপর আলোচনা হবে।
এ ছাড়া শোক প্রস্তাবে ২০১৩ সালে শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামীর সমাবেশে হামলায় নিহত ও ২০০৯ সালে পিলখানায় শহিদদের নাম শোক প্রস্তাবে যুক্ত করার প্রস্তাব করেন স্পিকার।

দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা শক্তিশালী করা, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং জবাবদিহিতা বজায় রাখতে সংসদ সদস্যদের একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রবীণ সংসদ সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
৪ ঘণ্টা আগে
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে এক লাখ ১৩ হাজার ২১৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেল (হরিণ প্রতীক) পেয়েছেন ৭৬ হাজার ৪৪৮ ভোট।
৬ ঘণ্টা আগে
৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সংস্কার এবং ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত এই সংসদে তার উপস্থিতি এক বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।
৬ ঘণ্টা আগে
মির্জা আব্বাসের সহধর্মিণী ও জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস বিষয়টি নিশ্চিত করে তার স্বামীর দ্রুত সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন। বর্তমানে তিনি চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে