
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, মনগড়া টেলিভিশন রেটিং পয়েন্ট (টিআরপি) এবং পত্রিকার ভুয়া প্রচার সংখ্যার ভিত্তিতে সরকারি বিজ্ঞাপন বণ্টন ব্যবস্থা থেকে সরকার ধীরে ধীরে সম্পূর্ণভাবে বেরিয়ে আসবে। রোববার (১৭ মে) সচিবালয়ে টেলিভিশন এডিটর্স কাউন্সিলের (টিইসি) নেতাদের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান ডিজিটাল যুগে কোন টেলিভিশন কত দর্শকের কাছে পৌঁছাচ্ছে—এটি নির্ভুলভাবে নির্ধারণ করা এখন আর কঠিন নয়। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে বাস্তবসম্মত ও স্বচ্ছ তথ্যের অভাবে দীর্ঘদিন ধরে বিভ্রান্তিকর টিআরপি ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে বিজ্ঞাপন বণ্টন করা হচ্ছে, যা গ্রহণযোগ্য নয়।
তিনি আরও বলেন, 'মাত্র কয়েকশ টিআরপির ভিত্তিতে কোটি দর্শকের চিত্র তুলে ধরা কিংবা পত্রিকার অতিরঞ্জিত প্রচার সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে সরকারি বিজ্ঞাপন বণ্টনের যে প্রথা চালু আছে, তা স্বচ্ছ ও ন্যায্য নয়।'
তথ্যমন্ত্রী জানান, ভবিষ্যতে বিজ্ঞাপন বণ্টনের ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য ও ডিজিটাল তথ্য-প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা চালু করা হবে। এতে করে প্রকৃত দর্শকসংখ্যা ও পাঠকসংখ্যার ভিত্তিতে গণমাধ্যমগুলো মূল্যায়ন করা সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, আমরা এমন একটি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই, যেখানে তথ্যের কোনো ধরনের বিকৃতি বা অসত্য উপস্থাপনের সুযোগ থাকবে না। ডিজিটাল পদ্ধতিতে নির্ভরযোগ্য ডেটা নিশ্চিত করা গেলে সরকারি বিজ্ঞাপন বণ্টন আরও স্বচ্ছ ও ন্যায্য হবে।”
মন্ত্রী আরও বলেন, ডিজিটাল প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে গণমাধ্যমের মূল্যায়ন ও রাষ্ট্রীয় সহায়তার কাঠামোও আধুনিকায়ন করা জরুরি। এ লক্ষ্যেই তথ্য মন্ত্রণালয় সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নিচ্ছে।
রাজনীতি/একে

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, মনগড়া টেলিভিশন রেটিং পয়েন্ট (টিআরপি) এবং পত্রিকার ভুয়া প্রচার সংখ্যার ভিত্তিতে সরকারি বিজ্ঞাপন বণ্টন ব্যবস্থা থেকে সরকার ধীরে ধীরে সম্পূর্ণভাবে বেরিয়ে আসবে। রোববার (১৭ মে) সচিবালয়ে টেলিভিশন এডিটর্স কাউন্সিলের (টিইসি) নেতাদের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান ডিজিটাল যুগে কোন টেলিভিশন কত দর্শকের কাছে পৌঁছাচ্ছে—এটি নির্ভুলভাবে নির্ধারণ করা এখন আর কঠিন নয়। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে বাস্তবসম্মত ও স্বচ্ছ তথ্যের অভাবে দীর্ঘদিন ধরে বিভ্রান্তিকর টিআরপি ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে বিজ্ঞাপন বণ্টন করা হচ্ছে, যা গ্রহণযোগ্য নয়।
তিনি আরও বলেন, 'মাত্র কয়েকশ টিআরপির ভিত্তিতে কোটি দর্শকের চিত্র তুলে ধরা কিংবা পত্রিকার অতিরঞ্জিত প্রচার সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে সরকারি বিজ্ঞাপন বণ্টনের যে প্রথা চালু আছে, তা স্বচ্ছ ও ন্যায্য নয়।'
তথ্যমন্ত্রী জানান, ভবিষ্যতে বিজ্ঞাপন বণ্টনের ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য ও ডিজিটাল তথ্য-প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা চালু করা হবে। এতে করে প্রকৃত দর্শকসংখ্যা ও পাঠকসংখ্যার ভিত্তিতে গণমাধ্যমগুলো মূল্যায়ন করা সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, আমরা এমন একটি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই, যেখানে তথ্যের কোনো ধরনের বিকৃতি বা অসত্য উপস্থাপনের সুযোগ থাকবে না। ডিজিটাল পদ্ধতিতে নির্ভরযোগ্য ডেটা নিশ্চিত করা গেলে সরকারি বিজ্ঞাপন বণ্টন আরও স্বচ্ছ ও ন্যায্য হবে।”
মন্ত্রী আরও বলেন, ডিজিটাল প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে গণমাধ্যমের মূল্যায়ন ও রাষ্ট্রীয় সহায়তার কাঠামোও আধুনিকায়ন করা জরুরি। এ লক্ষ্যেই তথ্য মন্ত্রণালয় সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নিচ্ছে।
রাজনীতি/একে

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে ১০৬ শিশু। এছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৯২৫ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৮৭৮ শিশু, আর চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র পেয়েছে ৯০৪ জন।
৪ ঘণ্টা আগে
রোবরার (৫ জুলাই) তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম।
৫ ঘণ্টা আগে
মন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে মানুষের যোগাযোগ, তথ্য আদান-প্রদান ও সামাজিক আচরণে বড় পরিবর্তন এসেছে। এতে যেমন নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে, তেমনি সৃষ্টি হয়েছে নানা ধরনের ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জ।
৬ ঘণ্টা আগে