
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আদালতে সীমানা জটিলতা নিরসন হওয়া পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনে এবার ভোট স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আদেশে এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকালে এই দুই আসনের ভোট স্থগিত হওয়ার তথ্য জানা গেছে।
ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, আদালত নির্দেশ দিয়েছেন যে পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনে ভোটের কোনো কার্যক্রম না করা হয়। সে কারণেএই দুই আসনে ভোটের কার্যক্রম আপাতত বন্ধ করা হয়েছে।
ইসি এবারের নির্বাচন সামনে রেখে যে কয়েকটি আসনের সীমানা পরিবর্তন করেছিল তার মধ্যে দুটি ছিল পাবনা-১ ও পাবনা-২। স্বাধীনতার পর থকেই পুরো সাঁথিয়া উপজেলা এবং বেড়া পৌরসভা ও বেড়া উপজেলার চার ইউনিয়ন হাটুরিয়া-নাকালিয়া, নতুন ভারেঙ্কা, চাকলা ও কৈটোলা নিয়ে গঠিত ছিল পাবনা-১ আসন। আর পাবনা-২ আসন গঠিত ছিল বেড়া উপজেলার বাকি পাঁচটি ইউনিয়ন ও পুরো সুজানগর উপজেলা নিয়ে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে গত ৪ সেপ্টেম্বর বিভিন্ন সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্বিন্যাস করে গেজেট প্রকাশ করে ইসি। নতুন গেজেটে দেখা যায়, শুধু সাঁথিয়া উপজেলা মিলে গঠন করে দেওয়া হয়েছে পাবনা-১ আসন এবং সুজানগর ও বেড়া দুই উপজেলা মিলে গঠন করে দেওয়া হয়েছে পাবনা-২ আসন।
এ নিয়ে একাধিক প্রার্থী হাইকোর্টে রিট করলে শুনানি নিয়ে গত ১৮ ডিসেম্বর আগের সীমানা পুনর্বহাল করার আদেশ দেন হাইকোর্ট। ২৪ ডিসেম্বর আগের সীমানায় পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসন পুনর্বহাল করে ইসি সংশোধিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে।
ইসি সূত্র জানিয়েছে, হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে ইসি আপিল করেছিল আপিল বিভাগে। আরও এক প্রার্থীও আপিল করেছিলেন, তার নাম জানা যায়নি। এই দুই আপিলের শুনানি নিয়ে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ গত ৫ জানুয়ারি আদেশ দেন। আদেশে ইসির ২৪ ডিসেম্বরের বিজ্ঞপ্তির সংশোধিত অংশটুকু স্থগিত করেন আপিল বিভাগ।
ইসি সূত্র বলছে, এর ফলে ইসির পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনের সীমানা পরিবর্তনের সেপ্টেম্বরের গেজেটটিই পুনর্বহাল হয়ে গেছে। কিন্তু এরই মধ্যে পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনের মনোনয়নপত্র দাখিল ও বাছাই কার্যক্রম শেষ হয়েছে আগের সীমানা ধরে। ফলে নির্বাচন স্থগিত করতে হয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে পাবনা-১ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন সাতজন— বিএনপির ভিপি শামসুর রহমান, জামায়াতে ইসলামীর ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আব্দুল গণি এবং চার স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যাপক আবু সাইয়িদ, ইউনুস আলী, মাসুদুল হক ও খায়রুন নাহার খানম। মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে এ আসন থেকে বাদ পড়েছেন দুই স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুস আলী ও খায়রুন নাহার খানম।
অন্যদিকে পাবনা-২ মনোনয়নপত্র দাখিল করেন পাঁচজন— বিএনপির এ কে এম সেলিম রেজা হাবিব, জামায়াতের হেসাব উদ্দিন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আফজাল হোসেন খান কাসেমী, জাতীয় পার্টির মেহেদী হাসান রুবেল ও গণফোরামের নাসির উদ্দিন। বাছাইয়ে গণফোরাম প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে।
পাবনার এ দুই আসনে মনোনয়নপত্র বৈধ হওয়া ৯ প্রার্থীই ভোট সামনে রেখে জনসংযোগসহ নানা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন। এখন আদালতের আদেশের ফলে পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত এই দুই আসনের যাবতীয় নির্বাচনি কার্যক্রম স্থগিত থাকবে।

আদালতে সীমানা জটিলতা নিরসন হওয়া পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনে এবার ভোট স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আদেশে এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকালে এই দুই আসনের ভোট স্থগিত হওয়ার তথ্য জানা গেছে।
ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, আদালত নির্দেশ দিয়েছেন যে পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনে ভোটের কোনো কার্যক্রম না করা হয়। সে কারণেএই দুই আসনে ভোটের কার্যক্রম আপাতত বন্ধ করা হয়েছে।
ইসি এবারের নির্বাচন সামনে রেখে যে কয়েকটি আসনের সীমানা পরিবর্তন করেছিল তার মধ্যে দুটি ছিল পাবনা-১ ও পাবনা-২। স্বাধীনতার পর থকেই পুরো সাঁথিয়া উপজেলা এবং বেড়া পৌরসভা ও বেড়া উপজেলার চার ইউনিয়ন হাটুরিয়া-নাকালিয়া, নতুন ভারেঙ্কা, চাকলা ও কৈটোলা নিয়ে গঠিত ছিল পাবনা-১ আসন। আর পাবনা-২ আসন গঠিত ছিল বেড়া উপজেলার বাকি পাঁচটি ইউনিয়ন ও পুরো সুজানগর উপজেলা নিয়ে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে গত ৪ সেপ্টেম্বর বিভিন্ন সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্বিন্যাস করে গেজেট প্রকাশ করে ইসি। নতুন গেজেটে দেখা যায়, শুধু সাঁথিয়া উপজেলা মিলে গঠন করে দেওয়া হয়েছে পাবনা-১ আসন এবং সুজানগর ও বেড়া দুই উপজেলা মিলে গঠন করে দেওয়া হয়েছে পাবনা-২ আসন।
এ নিয়ে একাধিক প্রার্থী হাইকোর্টে রিট করলে শুনানি নিয়ে গত ১৮ ডিসেম্বর আগের সীমানা পুনর্বহাল করার আদেশ দেন হাইকোর্ট। ২৪ ডিসেম্বর আগের সীমানায় পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসন পুনর্বহাল করে ইসি সংশোধিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে।
ইসি সূত্র জানিয়েছে, হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে ইসি আপিল করেছিল আপিল বিভাগে। আরও এক প্রার্থীও আপিল করেছিলেন, তার নাম জানা যায়নি। এই দুই আপিলের শুনানি নিয়ে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ গত ৫ জানুয়ারি আদেশ দেন। আদেশে ইসির ২৪ ডিসেম্বরের বিজ্ঞপ্তির সংশোধিত অংশটুকু স্থগিত করেন আপিল বিভাগ।
ইসি সূত্র বলছে, এর ফলে ইসির পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনের সীমানা পরিবর্তনের সেপ্টেম্বরের গেজেটটিই পুনর্বহাল হয়ে গেছে। কিন্তু এরই মধ্যে পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনের মনোনয়নপত্র দাখিল ও বাছাই কার্যক্রম শেষ হয়েছে আগের সীমানা ধরে। ফলে নির্বাচন স্থগিত করতে হয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে পাবনা-১ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন সাতজন— বিএনপির ভিপি শামসুর রহমান, জামায়াতে ইসলামীর ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আব্দুল গণি এবং চার স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যাপক আবু সাইয়িদ, ইউনুস আলী, মাসুদুল হক ও খায়রুন নাহার খানম। মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে এ আসন থেকে বাদ পড়েছেন দুই স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুস আলী ও খায়রুন নাহার খানম।
অন্যদিকে পাবনা-২ মনোনয়নপত্র দাখিল করেন পাঁচজন— বিএনপির এ কে এম সেলিম রেজা হাবিব, জামায়াতের হেসাব উদ্দিন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আফজাল হোসেন খান কাসেমী, জাতীয় পার্টির মেহেদী হাসান রুবেল ও গণফোরামের নাসির উদ্দিন। বাছাইয়ে গণফোরাম প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে।
পাবনার এ দুই আসনে মনোনয়নপত্র বৈধ হওয়া ৯ প্রার্থীই ভোট সামনে রেখে জনসংযোগসহ নানা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন। এখন আদালতের আদেশের ফলে পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত এই দুই আসনের যাবতীয় নির্বাচনি কার্যক্রম স্থগিত থাকবে।

আজ শনিবার সন্ধ্যায় পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘তুরাগ নদীতে ভাসছে আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের সাত নেতা-কর্মীর লাশ’ শিরোনামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।’
১১ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরে দেশটির কাছ থেকে প্রকল্প সহায়তার বিষয়ে করা প্রশ্নে ‘বিব্রত’ হওয়ার কথা বলেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। এক প্রশ্নের রেশ ধরে তিনি বলেন, ‘উনি নগদ প্রাপ্তির কথা বললেন। ভাই, এ সমস্ত প্রশ্ন করবেন না, আমরা খুব বিব্রত হই। এখানে উনি (প্রধানমন্ত্রী) ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে
১২ ঘণ্টা আগে
শনিবার (২৭ জুন) জাতীয় সংসদে ২২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।
১৩ ঘণ্টা আগে
শনিবার (২৭ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, চীনের করিডোর প্রস্তাবটি সরকার খতিয়ে দেখছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো অবস্থান নেওয়া হয়নি। পরিবহন ব্যয় কমানোর সম্ভাবনাই এ প্রস্তাবে সরকারের আগ্রহের অন্যতম কারণ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
১৪ ঘণ্টা আগে