
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বলেছেন, অভিযুক্তদের ফেরত না দেওয়া পর্যন্ত ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করা যাবে না। এছাড়া দাবি অনতিবিলম্বে বাস্তবায়ন না হলে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে দৃশ্যমান পরিবর্তন না এলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, আইন উপদেষ্টা ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টাকে পদত্যাগ করতে হবে।
এ সময় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনিসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) বিকাল ৩টার দিকে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন সাদিক কায়েম।
ডাকসু ভিপি ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে প্রথম ও অপরিহার্য পদক্ষেপ হিসেবে খুনি হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে তার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে প্রদত্ত রায় কার্যকর করার দাবি জানান।
সাদিক কায়েম বলেন, আমাদের ভাই শরীফ ওসমান হাদির ওপর গুলিবর্ষণের সঙ্গে জড়িত প্রত্যক্ষ হামলাকারী, পরিকল্পনাকারী ও সহায়তাকারী— সব সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করতে হবে। গোয়েন্দা সংস্থাসহ রাষ্ট্রের সব সংশ্লিষ্ট অর্গানকে দ্রুত জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। যাদের গাফিলতি প্রমাণিত হবে, তাদের বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, যারা এই হামলাকে সমর্থন জুগিয়েছে, হাদি ভাই ও জুলাই বিপ্লবীদের হত্যাযোগ্য করে তুলেছে— সেই কালচারাল ফ্যাসিস্টদের সামাজিকভাবে সম্পূর্ণ বয়কট করতে হবে। এসব পদক্ষেপ অনতিবিলম্বে দৃশ্যমান করতে হবে।
ডাকসু ভিপি আরও দাবি করেন, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নিষিদ্ধ লীগের বিরুদ্ধে এলাকাভিত্তিক চিরুনি অভিযান শুরু করতে হবে। নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সব স্তরের সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার এবং সব ধরনের অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে। তিনি বলেন, এই বিষয়ে সরকারের অবহেলা আমরা আর সহ্য করবো না।
পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, ‘ছোট ভাই সাদিক কায়েমদের দাবিগুলো সম্পূর্ণ যৌক্তিক। আমরা এসব দাবি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেবো।

ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বলেছেন, অভিযুক্তদের ফেরত না দেওয়া পর্যন্ত ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করা যাবে না। এছাড়া দাবি অনতিবিলম্বে বাস্তবায়ন না হলে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে দৃশ্যমান পরিবর্তন না এলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, আইন উপদেষ্টা ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টাকে পদত্যাগ করতে হবে।
এ সময় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনিসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) বিকাল ৩টার দিকে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন সাদিক কায়েম।
ডাকসু ভিপি ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে প্রথম ও অপরিহার্য পদক্ষেপ হিসেবে খুনি হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে তার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে প্রদত্ত রায় কার্যকর করার দাবি জানান।
সাদিক কায়েম বলেন, আমাদের ভাই শরীফ ওসমান হাদির ওপর গুলিবর্ষণের সঙ্গে জড়িত প্রত্যক্ষ হামলাকারী, পরিকল্পনাকারী ও সহায়তাকারী— সব সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করতে হবে। গোয়েন্দা সংস্থাসহ রাষ্ট্রের সব সংশ্লিষ্ট অর্গানকে দ্রুত জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। যাদের গাফিলতি প্রমাণিত হবে, তাদের বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, যারা এই হামলাকে সমর্থন জুগিয়েছে, হাদি ভাই ও জুলাই বিপ্লবীদের হত্যাযোগ্য করে তুলেছে— সেই কালচারাল ফ্যাসিস্টদের সামাজিকভাবে সম্পূর্ণ বয়কট করতে হবে। এসব পদক্ষেপ অনতিবিলম্বে দৃশ্যমান করতে হবে।
ডাকসু ভিপি আরও দাবি করেন, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নিষিদ্ধ লীগের বিরুদ্ধে এলাকাভিত্তিক চিরুনি অভিযান শুরু করতে হবে। নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সব স্তরের সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার এবং সব ধরনের অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে। তিনি বলেন, এই বিষয়ে সরকারের অবহেলা আমরা আর সহ্য করবো না।
পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, ‘ছোট ভাই সাদিক কায়েমদের দাবিগুলো সম্পূর্ণ যৌক্তিক। আমরা এসব দাবি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেবো।

আসিফ নজরুল বলেন, জুলাই-আগস্টে অভ্যুত্থানকারীদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা থাকলে, তা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এমনকি নতুন কোনো মামলা করা যাবে না বলেও জানান তিনি।
৪ ঘণ্টা আগে
তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, আমাদের অবস্থানটা স্পষ্ট। আমরা মানুষকে বলব, যদি পরিবর্তন চান, সংস্কার চান, তাহলে গণভোটে অংশগ্রহণ করুন এবং হ্যাঁ ভোট দিন।
৪ ঘণ্টা আগে
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী এবং গণভোট সংক্রান্ত জনসচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রমের মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, একটি মহল প্রচারণা চালাচ্ছে যে জুলাই সনদ পাস হলে সংবিধান থেকে ১৯৭১-কে মুছে ফেলা হবে, বিসমিল্লাহ থাকবে না—এসব কথা ঠিক নয়।
৫ ঘণ্টা আগে
শিক্ষার্থীদের দাবি, গত ৭ ও ৮ ডিসেম্বর শিক্ষা ভবনের সামনে টানা অবস্থান কর্মসূচির সময় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠকে জানুয়ারির প্রথম দিকেই অধ্যাদেশ জারির আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। তবে এখনও সে বিষয়ে কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় তারা বাধ্য হয়ে অবরোধ কর্মসূচিতে নেমেছেন।
৬ ঘণ্টা আগে