গোপন এজেন্ডা নয়, প্রয়োজন বিবেচনাতেই বোয়িং কেনা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

কূটনৈতিক প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১: ২৪
প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফর নিয়ে সোমবার সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। ছবি: সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফর নিয়ে সোমবার সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। ছবি: সংগৃহীত

কোনো ধরনের গোপন এজেন্ডা নয়, বরং প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়েই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে বোয়িং উড়োজাহাজ কেনা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

তিনি বলেন, কাউকে খুশি করতে নয়, দেশের প্রয়োজন ও যাত্রীচাহিদা বিবেচনায় নিয়েই বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ কেনা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের কোনো চাপের কারণেও এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। এতে কোনো গোপন এজেন্ডা নেই।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণ নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

গত ২৩ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে বোয়িংয়ের সঙ্গে আরও ১১টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। নতুন চুক্তির আওতায় পাঁচটি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার ও ছয়টি ৭৩৭-৮ উড়োজাহাজ কেনা হবে।

এর আগে গত এপ্রিলেও বোয়িংয়ের কাছ থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করেছিল বাংলাদেশ। এ নিয়ে দুই দফায় বোয়িংয়ের কাছ থেকে মোট ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি হলো।

এ নিয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, একটি উন্মুক্ত পরিবেশেই বোয়িং কেনার চুক্তি হয়েছে। বাংলাদেশের চাহিদা বিবেচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঐতিহাসিকভাবেই বাংলাদেশ বোয়িংয়ের বড় উড়োজাহাজ ব্যবহার করে আসছে। তবে আন্তর্জাতিক রুট বাড়ানো ও বাংলাদেশকে এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে মিশ্র বহর প্রয়োজন।

বোয়িং কেনার সিদ্ধান্তের পেছনে বাইরের কোনো চাপ রয়েছে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি সম্পূর্ণ বাংলাদেশের প্রয়োজনের ভিত্তিতে করা হয়েছে। প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে আরও উড়োজাহাজ কেনা হবে। যাত্রীসেবার মান বাড়ানো ও আন্তর্জাতিক এভিয়েশন হাব হিসেবে বাংলাদেশের সক্ষমতা বাড়াতে বহর সম্প্রসারণ প্রয়োজন।

বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তি সইয়ের অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদি আমিন ও বিনিয়োগ বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন উপস্থিত ছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক ও উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টোফার ল্যান্ডাওও অনুষ্ঠানে ছিলেন।

Ad
ad
Ad 300x250

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Ad 300x250
ad
Advertisement