
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভের মুখে দেশে উৎপাদিত ফোনের যন্ত্রাংশ ও আমদানি করা মোবাইল ফোনের শুল্ক-কর কমিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মোবাইল আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। অর্থাৎ, আগের তুলনায় এ শুল্ক কমানো হয়েছে ৬০ শতাংশ।
এ ছাড়া ব্যবসায়ীদের হাতে থাকা বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আমদানি করা মোবাইল ফোনগুলোকে অতিরিক্ত শুল্ক ছাড়াই স্টক-লট হিসেবে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) সিস্টেমে অনুমোদনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এর মাধ্যমে আমদানি শুল্ক হ্রাস ও বর্তমানে বাজারে থাকা মোবাইল ফোন বৈধকরণ নিয়ে ব্যবসায়ীদের সব যৌক্তিক দাবি মেনে নিয়েছে সরকার।
এর আগে কর ফাঁকি রোধ এবং অবৈধ ও নিম্নমানের হ্যান্ডসেট আমদানি বন্ধ করতে সরকার গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর থেকে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) চালুর ঘোষণা দেয়। সে অনুযায়ী, দেশের সব মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীর আমদানি করা সব মোবাইল ফোনের মধ্যে বিক্রি না হওয়া মোবাইল ফোনের আইএমইআই (শনাক্তকরণ নম্বর) ও অন্যান্য তথ্য ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে জমা দিতে বলা হয়।
ওই সময় অনেক ব্যবসায়ী জানান, তারা তাদের কাছে থাকা অবিক্রীত মোবাইল ফোনের তথ্য জমা দিতে পারেননি। এ পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে এনইআইআর সিস্টেম চালুর তারিখ ১৬ ডিসেম্বর থেকে পিছিয়ে আজ তথা ১ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়।
এনইআইআর পদ্ধতি চালুর ঘোষণার পর থেকেই এর বিরোধিতা করে মোবাইল হ্যান্ডসেট ব্যবসায়ীরা বিক্ষোভ করে আসছিলেন। সরকারের অভিযোগ, এসব ব্যবসায়ীর একটি অংশ অবৈধ পথে কর ফাঁকি দিয়ে নিম্নমানের, ক্লোনড ও ব্যবহৃত পুরোনো ফোন দেশের বাজারে সরবরাহ করছে। এনইআইআর ব্যবস্থা কার্যকর হলে অবৈধভাবে দেশে আসা ফোন আর নেটওয়ার্কে ব্যবহার করা যাবে না এবং বিদেশ থেকে অবৈধভাবে আনা পুরোনো ফোনের ব্যবসাও বন্ধ হয়ে যাবে বলে জানিয়েছিল সরকার।
এ পরিস্থিতিতে এনইআইআর পদ্ধতি চালুর প্রতিবাদে আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিটিআরসি কার্যালয়ের সামনে মোবাইল হ্যান্ডসেট ব্যবসায়ীরা বিক্ষোভ করেন। পরে সেখানে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ২৬ জনকে আটক করা হয়।
এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে মোবাইল ফোনে শুল্কছাড়ের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈধ মোবাইল আমদানিকারকদের কাস্টমস ডিউটি ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ এবং দেশীয় উৎপাদকদের ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে, যা যথাক্রমে ৬০ শতাংশ ও ৫০ শতাংশ হ্রাস। গাড়ি, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও কম্পিউটারসহ অন্যান্য পণ্যের তুলনায় মোবাইল আমদানিতে শুল্ক উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হয়েছে।
এর মাধ্যমে বৈধ আমদানি ও দেশীয় উৎপাদন উভয়ই উৎসাহিত হবে এবং বাজারে মোবাইল ফোনের দাম সহনীয় পর্যায়ে আসবে বলে আশা করছে সরকার। তবে এতে চলমান অর্থবছরে সরকারের প্রায় ৩৫ কোটি টাকা লোকসান হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।
এ ছাড়া মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে প্রবাসীদের বিষয়টি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, প্রবাসীরা দেশে ফেরার পর তাদের ব্যবহার করা ফোন তিন মাস বন্ধ করা হবে না। কেউ তিন মাসের কম সময় দেশে অবস্থান করলে রেজিস্ট্রেশনের প্রয়োজন হবে না। তবে দেশে অবস্থানের সময় তিন মাসের বেশি হলে তিন মাস পর রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাধারণ গ্রাহকদের ক্ষেত্রেও আগামী তিন মাস ফোন ব্লক করা হবে না এবং ব্যবসায়ীদের স্টক-লট নিয়মিত করা হবে। এ জন্য শুধু মোবাইল হ্যান্ডসেটের বৈধ নম্বরের তালিকা বিটিআরসিকে দিতে হবে।
এদিকে দেশ জুড়ে উদ্বেগ ছড়ানো ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত খুনির ১৭টি সক্রিয় সিম পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। বলা হয়েছে, এ প্রেক্ষাপটে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলোর পক্ষ থেকে এনইআইআর বাস্তবায়ন ও জনপ্রতি সিম সংখ্যা কমানোর বিষয়ে জোরালো তাগিদ রয়েছে।
সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের পাশাপাশি ডিজিটাল নিরাপত্তার স্বার্থে এনইআইআর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, সিম, ডাটাবেজ ও এনইআইআর ডাটাবেজের অপব্যবহার রোধে নতুন টেলিযোগাযোগ অধ্যাদেশে কঠোর সুরক্ষা ধারা সংযোজন করা হয়েছে এবং যেকোনো অপব্যবহারের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিটিআরসি ভবনে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা প্রসঙ্গে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিটিআরসিতে যারা হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে তারা কোনোভাবেই আইনের ঊর্ধ্বে নয়। এ ধরনের ন্যক্কারজনক ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত প্রত্যেককে চিহ্নিত করে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিচারের আওতায় আনা হবে। একই সঙ্গে অবৈধ মোবাইল আমদানি রোধে দেশের সব স্থল ও বিমানবন্দরের কাস্টমস হাউজে কঠোর অভিযান শুরু হবে।

ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভের মুখে দেশে উৎপাদিত ফোনের যন্ত্রাংশ ও আমদানি করা মোবাইল ফোনের শুল্ক-কর কমিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মোবাইল আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। অর্থাৎ, আগের তুলনায় এ শুল্ক কমানো হয়েছে ৬০ শতাংশ।
এ ছাড়া ব্যবসায়ীদের হাতে থাকা বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আমদানি করা মোবাইল ফোনগুলোকে অতিরিক্ত শুল্ক ছাড়াই স্টক-লট হিসেবে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) সিস্টেমে অনুমোদনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এর মাধ্যমে আমদানি শুল্ক হ্রাস ও বর্তমানে বাজারে থাকা মোবাইল ফোন বৈধকরণ নিয়ে ব্যবসায়ীদের সব যৌক্তিক দাবি মেনে নিয়েছে সরকার।
এর আগে কর ফাঁকি রোধ এবং অবৈধ ও নিম্নমানের হ্যান্ডসেট আমদানি বন্ধ করতে সরকার গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর থেকে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) চালুর ঘোষণা দেয়। সে অনুযায়ী, দেশের সব মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীর আমদানি করা সব মোবাইল ফোনের মধ্যে বিক্রি না হওয়া মোবাইল ফোনের আইএমইআই (শনাক্তকরণ নম্বর) ও অন্যান্য তথ্য ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে জমা দিতে বলা হয়।
ওই সময় অনেক ব্যবসায়ী জানান, তারা তাদের কাছে থাকা অবিক্রীত মোবাইল ফোনের তথ্য জমা দিতে পারেননি। এ পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে এনইআইআর সিস্টেম চালুর তারিখ ১৬ ডিসেম্বর থেকে পিছিয়ে আজ তথা ১ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়।
এনইআইআর পদ্ধতি চালুর ঘোষণার পর থেকেই এর বিরোধিতা করে মোবাইল হ্যান্ডসেট ব্যবসায়ীরা বিক্ষোভ করে আসছিলেন। সরকারের অভিযোগ, এসব ব্যবসায়ীর একটি অংশ অবৈধ পথে কর ফাঁকি দিয়ে নিম্নমানের, ক্লোনড ও ব্যবহৃত পুরোনো ফোন দেশের বাজারে সরবরাহ করছে। এনইআইআর ব্যবস্থা কার্যকর হলে অবৈধভাবে দেশে আসা ফোন আর নেটওয়ার্কে ব্যবহার করা যাবে না এবং বিদেশ থেকে অবৈধভাবে আনা পুরোনো ফোনের ব্যবসাও বন্ধ হয়ে যাবে বলে জানিয়েছিল সরকার।
এ পরিস্থিতিতে এনইআইআর পদ্ধতি চালুর প্রতিবাদে আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিটিআরসি কার্যালয়ের সামনে মোবাইল হ্যান্ডসেট ব্যবসায়ীরা বিক্ষোভ করেন। পরে সেখানে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ২৬ জনকে আটক করা হয়।
এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে মোবাইল ফোনে শুল্কছাড়ের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈধ মোবাইল আমদানিকারকদের কাস্টমস ডিউটি ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ এবং দেশীয় উৎপাদকদের ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে, যা যথাক্রমে ৬০ শতাংশ ও ৫০ শতাংশ হ্রাস। গাড়ি, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও কম্পিউটারসহ অন্যান্য পণ্যের তুলনায় মোবাইল আমদানিতে শুল্ক উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হয়েছে।
এর মাধ্যমে বৈধ আমদানি ও দেশীয় উৎপাদন উভয়ই উৎসাহিত হবে এবং বাজারে মোবাইল ফোনের দাম সহনীয় পর্যায়ে আসবে বলে আশা করছে সরকার। তবে এতে চলমান অর্থবছরে সরকারের প্রায় ৩৫ কোটি টাকা লোকসান হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।
এ ছাড়া মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে প্রবাসীদের বিষয়টি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, প্রবাসীরা দেশে ফেরার পর তাদের ব্যবহার করা ফোন তিন মাস বন্ধ করা হবে না। কেউ তিন মাসের কম সময় দেশে অবস্থান করলে রেজিস্ট্রেশনের প্রয়োজন হবে না। তবে দেশে অবস্থানের সময় তিন মাসের বেশি হলে তিন মাস পর রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাধারণ গ্রাহকদের ক্ষেত্রেও আগামী তিন মাস ফোন ব্লক করা হবে না এবং ব্যবসায়ীদের স্টক-লট নিয়মিত করা হবে। এ জন্য শুধু মোবাইল হ্যান্ডসেটের বৈধ নম্বরের তালিকা বিটিআরসিকে দিতে হবে।
এদিকে দেশ জুড়ে উদ্বেগ ছড়ানো ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত খুনির ১৭টি সক্রিয় সিম পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। বলা হয়েছে, এ প্রেক্ষাপটে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলোর পক্ষ থেকে এনইআইআর বাস্তবায়ন ও জনপ্রতি সিম সংখ্যা কমানোর বিষয়ে জোরালো তাগিদ রয়েছে।
সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের পাশাপাশি ডিজিটাল নিরাপত্তার স্বার্থে এনইআইআর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, সিম, ডাটাবেজ ও এনইআইআর ডাটাবেজের অপব্যবহার রোধে নতুন টেলিযোগাযোগ অধ্যাদেশে কঠোর সুরক্ষা ধারা সংযোজন করা হয়েছে এবং যেকোনো অপব্যবহারের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিটিআরসি ভবনে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা প্রসঙ্গে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিটিআরসিতে যারা হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে তারা কোনোভাবেই আইনের ঊর্ধ্বে নয়। এ ধরনের ন্যক্কারজনক ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত প্রত্যেককে চিহ্নিত করে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিচারের আওতায় আনা হবে। একই সঙ্গে অবৈধ মোবাইল আমদানি রোধে দেশের সব স্থল ও বিমানবন্দরের কাস্টমস হাউজে কঠোর অভিযান শুরু হবে।

পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার ইবনে মিজান জানান, মোবাইল ব্যবসায়ীরা হঠাৎ হামলা চালান। বিটিআরসি ভবনের দিকে ইটপাটকেল ছুড়ে মারেন। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী, পুলিশ, র্যাব ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে
তিন দিনের রিমান্ড শেষে আজ বৃহস্পতিবার তাদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়ায় পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলম তাদে
৫ ঘণ্টা আগে
ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) কার্যক্রম চালুর প্রতিবাদে বিটিআরসি ভবন ভাঙচুর করছে বিক্ষোভকারীরা।
৭ ঘণ্টা আগে
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, মহামান্য রাষ্ট্রপতি অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আরশাদুর রউফকে বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল পদের অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদান করেছেন। এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
৭ ঘণ্টা আগে