
কূটনৈতিক প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ভোটের পরের দিন সকালেই দেশের অধিকাংশ আসনের ফলাফল জানা যাবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
আজ বুধবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দেশি-বিদেশি সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের জন্য আয়োজিত আনুষ্ঠানিক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
গণনা প্রক্রিয়া সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ভোটের পরের দিন সকালেই অধিকাংশ আসনের ফল পাওয়া যাবে।
নির্বাচনের পরিবেশ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশের সর্বাধিক রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে একটি সাধারণ দৃষ্টিভঙ্গি হলো যে, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচন সাধারণত ভালো হয়। বাংলাদেশ ১৯৯১ সাল থেকে এ ক্ষেত্রে অগ্রণী। ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১ এবং ২০০৮ সালের নির্বাচনের সময় একধরনের তত্ত্বাবধায়ক সরকার থাকায় আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসা পেয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে আমাদের একটি অন্তর্বর্তী সরকার রয়েছে, যা কোনো রাজনৈতিক দলের প্রভাবমুক্ত। প্রাকৃতিকভাবেই, আমাদের দেশের মতো দেশে রাজনৈতিক সরকার থাকলে নির্বাচনের উপর প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা থাকে, তবে এবারের নির্বাচন সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ। সাম্প্রতিক নির্বাচনের তুলনায় এবারের পরিবেশ সবচেয়ে ভালো, যদিও কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে।
নির্বাচনী প্রস্তুতি সম্পর্কে ইসি জানান, বাংলাদেশ কখনো এত বড় পরিসরে নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়নি। প্রায় ৯ লাখ ৫০ হাজার কর্মী মাঠে মোতায়েন রয়েছে। প্রথমবারের মতো ব্যবহার করা হচ্ছে ইউএভি (ড্রোন), বডি ক্যামেরা এবং সিসিটিভি কভারেজ। যেকেউ বিঘ্ন ঘটানোর চেষ্টা করলেও ধরা পড়বে, এমনকি নির্বাচন পরেও।
নিরাপত্তা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ডিসেম্বর ১৩ তারিখ থেকে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’-এ প্রায় ৯০০টি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে, যা পূর্বের উত্তেজনার সময় হারিয়েছিল। আমরা তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা তৈরি করেছি। সাধারণভাবে কোনো বড় হুমকি নেই, বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটলেও আমরা কার্যকরভাবে সাড়া দেব।
মোবাইল ফোন ব্যবহারের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ইসি জানান, ভোটকেন্দ্রের ভেতরে লাইভ সম্প্রচার বা সাক্ষাৎকার দেওয়া যাবে না। তবে ক্যামেরা ও মোবাইল ফোন সঙ্গে নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করা যাবে। ভোটাররা ভোট দেওয়ার সময় মোবাইল ব্যবহার করতে পারবেন না।
গণভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গণভোটের ফল দেশের সর্বত্র গণনা করা হবে এবং ভোটার অংশগ্রহণ সম্পূর্ণ স্বেচ্ছামূলক।
সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের উদ্দেশে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকরা ভোটকেন্দ্র ও গণনা প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে পারবেন।

ভোটের পরের দিন সকালেই দেশের অধিকাংশ আসনের ফলাফল জানা যাবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
আজ বুধবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দেশি-বিদেশি সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের জন্য আয়োজিত আনুষ্ঠানিক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
গণনা প্রক্রিয়া সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ভোটের পরের দিন সকালেই অধিকাংশ আসনের ফল পাওয়া যাবে।
নির্বাচনের পরিবেশ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশের সর্বাধিক রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে একটি সাধারণ দৃষ্টিভঙ্গি হলো যে, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচন সাধারণত ভালো হয়। বাংলাদেশ ১৯৯১ সাল থেকে এ ক্ষেত্রে অগ্রণী। ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১ এবং ২০০৮ সালের নির্বাচনের সময় একধরনের তত্ত্বাবধায়ক সরকার থাকায় আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসা পেয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে আমাদের একটি অন্তর্বর্তী সরকার রয়েছে, যা কোনো রাজনৈতিক দলের প্রভাবমুক্ত। প্রাকৃতিকভাবেই, আমাদের দেশের মতো দেশে রাজনৈতিক সরকার থাকলে নির্বাচনের উপর প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা থাকে, তবে এবারের নির্বাচন সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ। সাম্প্রতিক নির্বাচনের তুলনায় এবারের পরিবেশ সবচেয়ে ভালো, যদিও কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে।
নির্বাচনী প্রস্তুতি সম্পর্কে ইসি জানান, বাংলাদেশ কখনো এত বড় পরিসরে নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়নি। প্রায় ৯ লাখ ৫০ হাজার কর্মী মাঠে মোতায়েন রয়েছে। প্রথমবারের মতো ব্যবহার করা হচ্ছে ইউএভি (ড্রোন), বডি ক্যামেরা এবং সিসিটিভি কভারেজ। যেকেউ বিঘ্ন ঘটানোর চেষ্টা করলেও ধরা পড়বে, এমনকি নির্বাচন পরেও।
নিরাপত্তা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ডিসেম্বর ১৩ তারিখ থেকে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’-এ প্রায় ৯০০টি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে, যা পূর্বের উত্তেজনার সময় হারিয়েছিল। আমরা তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা তৈরি করেছি। সাধারণভাবে কোনো বড় হুমকি নেই, বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটলেও আমরা কার্যকরভাবে সাড়া দেব।
মোবাইল ফোন ব্যবহারের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ইসি জানান, ভোটকেন্দ্রের ভেতরে লাইভ সম্প্রচার বা সাক্ষাৎকার দেওয়া যাবে না। তবে ক্যামেরা ও মোবাইল ফোন সঙ্গে নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করা যাবে। ভোটাররা ভোট দেওয়ার সময় মোবাইল ব্যবহার করতে পারবেন না।
গণভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গণভোটের ফল দেশের সর্বত্র গণনা করা হবে এবং ভোটার অংশগ্রহণ সম্পূর্ণ স্বেচ্ছামূলক।
সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের উদ্দেশে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকরা ভোটকেন্দ্র ও গণনা প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে পারবেন।

আগামীকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নারীদের নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ।
১ ঘণ্টা আগে
প্রবাসী ও দেশের অভ্যন্তরে অবস্থানরত ভোটারদের পাঠানো ৮ লাখ ৮৩ হাজার পোস্টাল ভোট রিটার্নিং কর্মকর্তাদের হাতে পৌঁছেছে।
২ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনকালীন যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবির অপারেশনাল সক্ষমতা সরেজমিনে পর্যালোচনা করেন। পাশাপাশি নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গৃহীত পরিকল্পনা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
২ ঘণ্টা আগে
আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের লক্ষ্যে আজ বুধবার দেশের প্রতিটি কেন্দ্রে পৌঁছাতে শুরু করেছে ব্যালট পেপার ও নির্বাচনি সরঞ্জাম।
২ ঘণ্টা আগে