
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটে বিজয়ী হলেও বিএনপি মনোনীত চার প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ করবেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত। তারা হলেন—চট্টগ্রাম-৪ আসনের আসলাম চৌধুরী, চট্টগ্রাম-২ আসনের সারোয়ার আলমগীর, শেরপুর-২ আসনের ফাহিম চৌধুরী ও কুমিল্লা-১০ আসনের প্রার্থী মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া।
এরমধ্যে ঋণখেলাপির অভিযোগ এনে আসলাম চৌধুরী ও সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে সংশ্লিষ্ট আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের করা লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। তাদের বিষয়ে আদালত বলেছেন, তারা নির্বাচন করতে পারবেন। কিন্তু আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ফল স্থগিত থাকবে, ফল গেজেট আকারে প্রকাশ হবে না।
অন্যদিকে, ফাহিম চৌধুরীর দ্বৈত নাগরিকত্ব ইস্যুতে জামায়াত প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া ও মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার মনোনয়নপত্রে দলীয় প্রত্যয়নপত্র না থাকার বিষয়ে বাংলাদেশ কংগ্রেস মনোনীত প্রার্থী হাছান আহম্মেদের করা লিভ টু আপিল মঞ্জুর করে আদালত বলেছেন, তারা ভোটে বিজয়ী হলে ফলের গেজেট প্রকাশ ও শপথগ্রহণে কোনো বাধা নেই। মামলায় জয়ী হলে তারা সংসদ সদস্য পদে থাকবেন। কিন্তু আপিলকারীরা মামলায় জয়ী হলে তাদের সংসদ সদস্য পদ থাকবে না।
আইনজীবীরা বলেছেন, এই চার প্রার্থী যদি ভোটে হেরে যান তবে মামলার আর কোনো প্রাসঙ্গিকতাই থাকবে না।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সুপ্রিম কোর্টের সংবিধান সংরক্ষণ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব গণমাধ্যমকে বলেন, আদালত বলেছেন ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবেন। এমন কোনো আদেশ দেবেন না, যার ফাঁকফোকর দিয়ে ঋণখেলাপিরা সব ধরনের সুযোগ সুবিধা পায়। অনেকের মনোনয়ন বাতিলও করেছিলেন।
‘কিন্তু আসলাম চৌধুরী ও সারোয়ার আলমগীরের মামলা যেহেতু শেষের দিকে তাই আদালত মনে করছেন নির্বাচন থেকে তাদের দূরে রাখাটা গণতন্ত্রের পক্ষে সঠিক হবে না। আমি বলব এক্ষেত্রেও আদালত ন্যায়বিচার করেছেন। যদি প্রমাণ হয় তারা ঋণখেলাপি নন, তবে বিজয়ী হলে সঙ্গে সঙ্গে ভোটের ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশ করে দেবে নির্বাচন কমিশন। আর ভোটে হেরে গেলে মামলার কোনো প্রাসঙ্গিকতাই থাকবে না’—বলেন এ আইনজীবী।
সাবেক অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ও সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এমকে রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, আপিল বিভাগে এটি নতুন ও ব্যতিক্রমী আদেশ। এর আগে আমরা এমন আদেশ দেখিনি। যদিও আমরা মনে করি, ঋণখেলাপিদের নমিনেশনের বৈধতা না দিলে সব দল ও প্রার্থীসহ সবাই সতর্ক হতো। ওয়েস্ট বেঙ্গল (ভারতের পশ্চিমবঙ্গ) এটি করেছে। এখানে পরে সুপ্রিম কোর্টে এসেছে। নির্বাচন কমিশন থেকেই এটি করা উচিত ছিল।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সাইফুল আলম ইজ্জল বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, ঋণখেলাপিদের ব্যাপারে স্ট্যান্ডটা নেওয়া দরকার ছিল রাজনৈতিক দলগুলার। কিন্তু জেনেশুনেও ঋণখেলাপির অভিযোগ থাকা অনেককে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এখানে রাজনৈতিক দলগুলোর ব্যর্থতা রয়েছে।
পৃথক আসনের পরিস্থিতি
চট্টগ্রাম-৪ (আসলাম চৌধুরী)
তার প্রার্থিতা বহাল রেখে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে করা লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেছে আপিল বিভাগ। তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। তবে আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ফলাফল প্রকাশ করা যাবে না।
চট্টগ্রাম-২ (সারোয়ার আলমগীর)
তার প্রার্থিতা ফিরিয়ে দিতে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে জামায়াত প্রার্থীর করা লিভ টু আপিল মঞ্জুর হয়েছে। আদালত বলেছেন, তিনি নির্বাচন করতে পারবেন। তবে ফলাফল স্থগিত থাকবে।
শেরপুর-২ (ফাহিম চৌধুরী)
দ্বৈত নাগরিকত্ব সংক্রান্ত অভিযোগে করা আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনের ফলাফল স্থগিত থাকবে বলে আদেশ দিয়েছেন আদালত।
কুমিল্লা-১০ (মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া)
মনোনয়ন সংক্রান্ত লিভ টু আপিল মঞ্জুর করে আদালত তাকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দিয়েছেন। মামলার রায় অনুযায়ী তার সংসদ সদস্য পদ বহাল বা বাতিল হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটে বিজয়ী হলেও বিএনপি মনোনীত চার প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ করবেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত। তারা হলেন—চট্টগ্রাম-৪ আসনের আসলাম চৌধুরী, চট্টগ্রাম-২ আসনের সারোয়ার আলমগীর, শেরপুর-২ আসনের ফাহিম চৌধুরী ও কুমিল্লা-১০ আসনের প্রার্থী মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া।
এরমধ্যে ঋণখেলাপির অভিযোগ এনে আসলাম চৌধুরী ও সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে সংশ্লিষ্ট আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের করা লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। তাদের বিষয়ে আদালত বলেছেন, তারা নির্বাচন করতে পারবেন। কিন্তু আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ফল স্থগিত থাকবে, ফল গেজেট আকারে প্রকাশ হবে না।
অন্যদিকে, ফাহিম চৌধুরীর দ্বৈত নাগরিকত্ব ইস্যুতে জামায়াত প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া ও মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার মনোনয়নপত্রে দলীয় প্রত্যয়নপত্র না থাকার বিষয়ে বাংলাদেশ কংগ্রেস মনোনীত প্রার্থী হাছান আহম্মেদের করা লিভ টু আপিল মঞ্জুর করে আদালত বলেছেন, তারা ভোটে বিজয়ী হলে ফলের গেজেট প্রকাশ ও শপথগ্রহণে কোনো বাধা নেই। মামলায় জয়ী হলে তারা সংসদ সদস্য পদে থাকবেন। কিন্তু আপিলকারীরা মামলায় জয়ী হলে তাদের সংসদ সদস্য পদ থাকবে না।
আইনজীবীরা বলেছেন, এই চার প্রার্থী যদি ভোটে হেরে যান তবে মামলার আর কোনো প্রাসঙ্গিকতাই থাকবে না।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সুপ্রিম কোর্টের সংবিধান সংরক্ষণ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব গণমাধ্যমকে বলেন, আদালত বলেছেন ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবেন। এমন কোনো আদেশ দেবেন না, যার ফাঁকফোকর দিয়ে ঋণখেলাপিরা সব ধরনের সুযোগ সুবিধা পায়। অনেকের মনোনয়ন বাতিলও করেছিলেন।
‘কিন্তু আসলাম চৌধুরী ও সারোয়ার আলমগীরের মামলা যেহেতু শেষের দিকে তাই আদালত মনে করছেন নির্বাচন থেকে তাদের দূরে রাখাটা গণতন্ত্রের পক্ষে সঠিক হবে না। আমি বলব এক্ষেত্রেও আদালত ন্যায়বিচার করেছেন। যদি প্রমাণ হয় তারা ঋণখেলাপি নন, তবে বিজয়ী হলে সঙ্গে সঙ্গে ভোটের ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশ করে দেবে নির্বাচন কমিশন। আর ভোটে হেরে গেলে মামলার কোনো প্রাসঙ্গিকতাই থাকবে না’—বলেন এ আইনজীবী।
সাবেক অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ও সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এমকে রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, আপিল বিভাগে এটি নতুন ও ব্যতিক্রমী আদেশ। এর আগে আমরা এমন আদেশ দেখিনি। যদিও আমরা মনে করি, ঋণখেলাপিদের নমিনেশনের বৈধতা না দিলে সব দল ও প্রার্থীসহ সবাই সতর্ক হতো। ওয়েস্ট বেঙ্গল (ভারতের পশ্চিমবঙ্গ) এটি করেছে। এখানে পরে সুপ্রিম কোর্টে এসেছে। নির্বাচন কমিশন থেকেই এটি করা উচিত ছিল।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সাইফুল আলম ইজ্জল বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, ঋণখেলাপিদের ব্যাপারে স্ট্যান্ডটা নেওয়া দরকার ছিল রাজনৈতিক দলগুলার। কিন্তু জেনেশুনেও ঋণখেলাপির অভিযোগ থাকা অনেককে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এখানে রাজনৈতিক দলগুলোর ব্যর্থতা রয়েছে।
পৃথক আসনের পরিস্থিতি
চট্টগ্রাম-৪ (আসলাম চৌধুরী)
তার প্রার্থিতা বহাল রেখে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে করা লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেছে আপিল বিভাগ। তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। তবে আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ফলাফল প্রকাশ করা যাবে না।
চট্টগ্রাম-২ (সারোয়ার আলমগীর)
তার প্রার্থিতা ফিরিয়ে দিতে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে জামায়াত প্রার্থীর করা লিভ টু আপিল মঞ্জুর হয়েছে। আদালত বলেছেন, তিনি নির্বাচন করতে পারবেন। তবে ফলাফল স্থগিত থাকবে।
শেরপুর-২ (ফাহিম চৌধুরী)
দ্বৈত নাগরিকত্ব সংক্রান্ত অভিযোগে করা আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনের ফলাফল স্থগিত থাকবে বলে আদেশ দিয়েছেন আদালত।
কুমিল্লা-১০ (মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া)
মনোনয়ন সংক্রান্ত লিভ টু আপিল মঞ্জুর করে আদালত তাকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দিয়েছেন। মামলার রায় অনুযায়ী তার সংসদ সদস্য পদ বহাল বা বাতিল হবে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘এ পর্যন্ত যা করেছি, একটি ফ্রি, ফেয়ার অ্যান্ড ক্রেডিবল (অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য) নির্বাচন করার জন্য আমরা জাতির কাছে ওয়াদা করেছি, সেই লক্ষ্যেই কাজ করছি। আইন-কানুনের মধ্যেই আমরা কাজ করছি। সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা থেকেই দায়িত্ব পালন করছি।’
২ ঘণ্টা আগে
দেশের একটি প্রধান রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে না পারলেও তা ভোটার উপস্থিতি কিংবা নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও বৈধতার ওপর কোনো প্রভাব ফেলবে না বলে মনে করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
২ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগকে ইঙ্গিত করে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, দেশের একটি প্রধান রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারছে না, তবে এটি ভোটার উপস্থিতি বা নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও বৈধতার ওপর কোনো প্রভাব ফেলবে না।
২ ঘণ্টা আগে
আগামীকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নারীদের নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ।
৩ ঘণ্টা আগে