
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

রাজবাড়ীর পাংশা থানায় গণপিটুনিতে একজনের মৃত্যুর ঘটনায় কোনো ধরনের সাম্প্রদায়িক সংশ্লিষ্টতা ছিল না বলে জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এক বিবৃতিতে সরকার জানিয়েছে, এ ঘটনার নেপথ্যে ছিল চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস।
গত বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) রাতে রাজবাড়ী পাংশায় সম্রাট বাহিনীর প্রধান সন্ত্রাসী অমৃত মন্ডল ওরফে সম্রাট নিহত হন। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিবৃতি দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। বিবৃতিতে সরকার ঘটনাটিকে ‘দুঃখজনক হত্যাকাণ্ড’ উল্লেখ করে এ ঘটনা ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ সংবাদমাধ্যমে ‘বিভ্রান্তিকর’ তথ্য ছড়িয়ে পড়ছে বলে উল্লেখ করেছে।
সরকার বলেছে, পুলিশের তথ্য ও প্রাথমিক তদন্ত থেকে প্রতীয়মান হচ্ছে, ঘটনাটি মোটেই সাম্প্রদায়িক হামলা নয়। এটি চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড থেকে উদ্ভূত সহিংস পরিস্থিতির থেকে সৃষ্ট ঘটনা। নিহত ব্যক্তি শীর্ষ সন্ত্রাসী অমৃত মন্ডল ওরফে সম্রাট চাঁদা দাবির উদ্দেশ্যে এলাকায় উপস্থিত হন এবং বিক্ষুব্ধ স্থানীয় জনতার সঙ্গে সংঘর্ষের এক পর্যায়ে প্রাণ হারান।
সম্রাট এর আগে ২০২৩ সালে দায়ের করা হত্যা ও চাঁদাবাজির মামলাসহ একাধিক গুরুতর মামলার আসামি। পুলিশ জানিয়েছে, এসব মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও রয়েছে।
পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সম্রাটের সহযোগী সেলিমকে একটি বিদেশি পিস্তল ও একটি পাইপগানসহ আটক করেছিল। এ ঘটনায় এরই মধ্যে তিনটি মামলাও দায়ের হয়েছে।
এ হত্যাকাণ্ডে কঠোর নিন্দা জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সরকার সুস্পষ্টভাবে জানাতে চায়— যেকোনো ধরনের আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ড, গণপিটুনি বা সহিংসতা সরকার কোনোভাবেই সমর্থন করে না। এ ঘটনায় যারা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত, তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
সরকার আরও বলছে, একই সঙ্গে সরকার গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, একটি মহল নিহত ব্যক্তির ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে ঘটনাটিকে সাম্প্রদায়িক হামলা হিসেবে উপস্থাপনের অপচেষ্টা চালাচ্ছে, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অসৎ-উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এ ধরনের অপপ্রচার সামাজিক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে পারে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে পারে।
সরকার সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানানোর পাশাপাশি বিভ্রান্তিকর, উসকানিমূলক ও সাম্প্রদায়িক বক্তব্য প্রচার থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে।
আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ উল্লেখ করে বিবৃতিতে সরকার বলছে, বাংলাদেশ একটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এ দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করার যেকোনো অপচেষ্টা সরকার কঠোর হাতে দমন করবে।

রাজবাড়ীর পাংশা থানায় গণপিটুনিতে একজনের মৃত্যুর ঘটনায় কোনো ধরনের সাম্প্রদায়িক সংশ্লিষ্টতা ছিল না বলে জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এক বিবৃতিতে সরকার জানিয়েছে, এ ঘটনার নেপথ্যে ছিল চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস।
গত বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) রাতে রাজবাড়ী পাংশায় সম্রাট বাহিনীর প্রধান সন্ত্রাসী অমৃত মন্ডল ওরফে সম্রাট নিহত হন। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিবৃতি দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। বিবৃতিতে সরকার ঘটনাটিকে ‘দুঃখজনক হত্যাকাণ্ড’ উল্লেখ করে এ ঘটনা ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ সংবাদমাধ্যমে ‘বিভ্রান্তিকর’ তথ্য ছড়িয়ে পড়ছে বলে উল্লেখ করেছে।
সরকার বলেছে, পুলিশের তথ্য ও প্রাথমিক তদন্ত থেকে প্রতীয়মান হচ্ছে, ঘটনাটি মোটেই সাম্প্রদায়িক হামলা নয়। এটি চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড থেকে উদ্ভূত সহিংস পরিস্থিতির থেকে সৃষ্ট ঘটনা। নিহত ব্যক্তি শীর্ষ সন্ত্রাসী অমৃত মন্ডল ওরফে সম্রাট চাঁদা দাবির উদ্দেশ্যে এলাকায় উপস্থিত হন এবং বিক্ষুব্ধ স্থানীয় জনতার সঙ্গে সংঘর্ষের এক পর্যায়ে প্রাণ হারান।
সম্রাট এর আগে ২০২৩ সালে দায়ের করা হত্যা ও চাঁদাবাজির মামলাসহ একাধিক গুরুতর মামলার আসামি। পুলিশ জানিয়েছে, এসব মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও রয়েছে।
পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সম্রাটের সহযোগী সেলিমকে একটি বিদেশি পিস্তল ও একটি পাইপগানসহ আটক করেছিল। এ ঘটনায় এরই মধ্যে তিনটি মামলাও দায়ের হয়েছে।
এ হত্যাকাণ্ডে কঠোর নিন্দা জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সরকার সুস্পষ্টভাবে জানাতে চায়— যেকোনো ধরনের আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ড, গণপিটুনি বা সহিংসতা সরকার কোনোভাবেই সমর্থন করে না। এ ঘটনায় যারা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত, তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
সরকার আরও বলছে, একই সঙ্গে সরকার গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, একটি মহল নিহত ব্যক্তির ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে ঘটনাটিকে সাম্প্রদায়িক হামলা হিসেবে উপস্থাপনের অপচেষ্টা চালাচ্ছে, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অসৎ-উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এ ধরনের অপপ্রচার সামাজিক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে পারে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে পারে।
সরকার সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানানোর পাশাপাশি বিভ্রান্তিকর, উসকানিমূলক ও সাম্প্রদায়িক বক্তব্য প্রচার থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে।
আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ উল্লেখ করে বিবৃতিতে সরকার বলছে, বাংলাদেশ একটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এ দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করার যেকোনো অপচেষ্টা সরকার কঠোর হাতে দমন করবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলেন, সব মিলিয়ে টানা তিনটি জাতীয় নির্বাচনে দেশের মানুষ স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার সুযোগ পায়নি। জুলাই অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এবার সুযোগ এসেছে স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের। দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার পথে এ নির্বাচনকে তাই অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ মনে করছেন তারা।
৫ ঘণ্টা আগে
এতে বলা হয়েছে, গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে নিরুৎসাহিত করতে একটি মহল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম-সহ বিভিন্ন মাধ্যমে গুজব ও অপপ্রচার ছড়াচ্ছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন অত্যন্ত স্পষ্টভাবে জানাচ্ছে যে, ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বাংলাদেশের
১১ ঘণ্টা আগে
ভোটদানের প্রক্রিয়া শেষে ৫ লাখ ৩১ হাজার ২১৪ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ সম্পন্ন করেছেন এবং ৫ লাখ ২৩ হাজার ৪৯৭ জন ভোটার সংশ্লিষ্ট দেশের ডাকবাক্সে তাদের ব্যালট জমা দিয়েছেন। প্রবাস থেকে ইতোমধ্যে ৪ লাখ ৯১ হাজার ৬১৫টি ব্যালট বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে, যার মধ্যে ৪ লাখ ৬৬ হাজার ২৪৩টি ব্যালট রিটার্নিং কর্মক
১১ ঘণ্টা আগে
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানান, সূত্রাপুরের ৪৪নং ওয়ার্ডের একটি চালের দোকানে হাবিব ভোটারদের টাকা দিচ্ছিলেন। এ সময় তাকে স্থানীয় জনতা আটক করে। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এনে ঘটনা যাচাই-বাছাই শেষে সত্যতা পেয়ে দুই দিনের কারাদণ্ড দেন।
১৩ ঘণ্টা আগে