
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নে বাসিয়া নদী পুনর্খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করে জনসভার মঞ্চে বক্তব্য দিচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তখন দর্শক সাড়ি থেকে স্লোগান আসে ‘দুলাভাই, দুলাভাই, জিন্দাবাদ, জিন্দাবাদ’। আজ শনিবার প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য দেওয়ার সময় নিজ শ্বশুরবাড়ির এলাকার লোকদের সঙ্গে কিছুটা হাস্যরস করেন।
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য চলাকালে সমাবেশে উপস্থিত নেতাকর্মীরা দুলাভাইয়ের আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতমসহ নানা স্লোগান দিতে থাকেন।
তখন তাদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দুলাভাইকে কথা বলতে না দিলে তো দুলাভাই চলে যাবে। যাব আমি? কথা বলব না যাব? কথা বলতে হলে চুপ করতে হবে। আমি কথা বললে শ্বশুরবাড়ির লোকদের শুনতে হবে, ঠিক আছে?
প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত ১২ জানুয়ারি মানুষ ভোট দিয়ে এমন একটি সরকার নির্বাচিত করেছে, যারা জনগণের জন্য কাজ করবে। আমাদের একমাত্র জবাবদিহিতা এদেশের জনগণের কাছে। সেজন্য আমরা সেসব কাজ ও কর্মসূচি পালন করতে চাই, যেগুলোতে মানুষের কল্যাণ ও উপকার হবে।
তিনি আরও বলেন, আপনাদের মনে আছে কি না, আমি কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলেছিলাম? সেই ফ্যামিলি কার্ডের কাজও শুরু করেছি। এখন অনেকে বলতে পারেন আমাদের এলাকায় তো (সিলেটের লোকজন) পায়নি। ইনশাআল্লাহ, আপনাদের এলাকায় যারা যারা পাওয়ার যোগ্য, সবাই পাবে। আমরা চেষ্টা করব আগামী ৫ বছরের মধ্যে সারাদেশের মা-বোনদের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়ার।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ধর্মীয় নেতাদের সম্মানী ভাতা ও খাল খননের কাজও শুরু করেছি।
শিল্পমন্ত্রীকে দেখিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি তার সঙ্গে বসেছিলাম; বলেছিলাম বন্ধ কলকারখানার তালিকা করতে এবং কেন বন্ধ হয়েছে তার কারণ খুঁজে বের করতে। আমরা ধীরে ধীরে সব কারখানা চালু করব, যাতে করে বেকারদের কর্মসংস্থান হয়।
রাজনীতি/একে

সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নে বাসিয়া নদী পুনর্খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করে জনসভার মঞ্চে বক্তব্য দিচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তখন দর্শক সাড়ি থেকে স্লোগান আসে ‘দুলাভাই, দুলাভাই, জিন্দাবাদ, জিন্দাবাদ’। আজ শনিবার প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য দেওয়ার সময় নিজ শ্বশুরবাড়ির এলাকার লোকদের সঙ্গে কিছুটা হাস্যরস করেন।
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য চলাকালে সমাবেশে উপস্থিত নেতাকর্মীরা দুলাভাইয়ের আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতমসহ নানা স্লোগান দিতে থাকেন।
তখন তাদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দুলাভাইকে কথা বলতে না দিলে তো দুলাভাই চলে যাবে। যাব আমি? কথা বলব না যাব? কথা বলতে হলে চুপ করতে হবে। আমি কথা বললে শ্বশুরবাড়ির লোকদের শুনতে হবে, ঠিক আছে?
প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত ১২ জানুয়ারি মানুষ ভোট দিয়ে এমন একটি সরকার নির্বাচিত করেছে, যারা জনগণের জন্য কাজ করবে। আমাদের একমাত্র জবাবদিহিতা এদেশের জনগণের কাছে। সেজন্য আমরা সেসব কাজ ও কর্মসূচি পালন করতে চাই, যেগুলোতে মানুষের কল্যাণ ও উপকার হবে।
তিনি আরও বলেন, আপনাদের মনে আছে কি না, আমি কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলেছিলাম? সেই ফ্যামিলি কার্ডের কাজও শুরু করেছি। এখন অনেকে বলতে পারেন আমাদের এলাকায় তো (সিলেটের লোকজন) পায়নি। ইনশাআল্লাহ, আপনাদের এলাকায় যারা যারা পাওয়ার যোগ্য, সবাই পাবে। আমরা চেষ্টা করব আগামী ৫ বছরের মধ্যে সারাদেশের মা-বোনদের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়ার।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ধর্মীয় নেতাদের সম্মানী ভাতা ও খাল খননের কাজও শুরু করেছি।
শিল্পমন্ত্রীকে দেখিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি তার সঙ্গে বসেছিলাম; বলেছিলাম বন্ধ কলকারখানার তালিকা করতে এবং কেন বন্ধ হয়েছে তার কারণ খুঁজে বের করতে। আমরা ধীরে ধীরে সব কারখানা চালু করব, যাতে করে বেকারদের কর্মসংস্থান হয়।
রাজনীতি/একে

দুর্নীতির অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলায় সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবির এ আদেশ দেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন কমিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম।
৯ ঘণ্টা আগে
তিনি আরও লেখেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে ওঠার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রাথমিক শর্ত হলো শিক্ষকদের মান। সক্রেটিস কিংবা প্লেটোর মতো শিক্ষকরা তো গাছতলায়, মাঠে ও বাড়িতে পড়িয়েই একটি সভ্যতা নির্মাণ করে ফেলেছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয় মানের সত্যিকারের ভালো শিক্ষক তারাই, যারা স্বাধীনভাবে গবেষণা করার সক্ষমতা রাখে।’
৯ ঘণ্টা আগে
সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের সুপারিশ করতে গত ২১ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণিকে সভাপতি করে ১০ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। ওই কমিটি প্রথম থেকে ২০তম গ্রেডের সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করে।
১০ ঘণ্টা আগে
ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের (এনইসি) প্রথম সাধারণ সভায় অন্তর্বর্তীকালীন সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন যায়যায়দিন সম্পাদক শফিক রেহমান এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান। কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হয়েছেন ওয়াদা সম্পাদক শফিকুল আলম।
১০ ঘণ্টা আগে