
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে তাকে স্বাগত জানানো হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। একই সঙ্গে তাঁর বিচারপ্রক্রিয়ায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সচিবালয়ে সরকারের কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা প্রসঙ্গে সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন জাহেদ উর রহমান।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনার দেশে ফেরার বিষয়ে সরকার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি দেশে ফিরলে তাকে স্বাগত জানানো হবে। তবে এর অর্থ কোনো বিশেষ সুবিধা দেওয়া নয়, বরং তার জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।
জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘‘আমরা শুরু থেকেই বলে আসছি, আমরা তাঁর জন্য জাস্টিস নিশ্চিত করতে চাই, ইনসাফ নিশ্চিত করতে চাই।’’
২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মুখে ক্ষমতা ছাড়ার পর শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নেন। সম্প্রতি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনার কথা জানান।
জুলাই আন্দোলনের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় হয়েছে। এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। তাঁকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ভারতের কাছে প্রত্যর্পণের অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।
শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘‘তাঁর মৃত্যুদণ্ড হয়েছে। তিনি আসবেন, তাঁকে যদি আমরা প্রত্যর্পণ চুক্তির মাধ্যমে আনতে পারি, আমরা সেই চেষ্টা করছি।’’
বিচারপ্রক্রিয়া ও দণ্ড কার্যকরের বিষয়ে তিনি বলেন, সবকিছু স্বচ্ছ বিচারের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে। আদালতে শেখ হাসিনা নিজের পক্ষে প্রমাণ উপস্থাপনের সুযোগ পাবেন। আদালত যদি তাঁকে অপরাধী না মনে করেন বা ভিন্ন কোনো সাজা দেন, সেটিও আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, জনগণ যে সিদ্ধান্ত দেখতে চায়, তা আদালতের প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে।
রাজনীতি/আরআইআর

জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে তাকে স্বাগত জানানো হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। একই সঙ্গে তাঁর বিচারপ্রক্রিয়ায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সচিবালয়ে সরকারের কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা প্রসঙ্গে সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন জাহেদ উর রহমান।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনার দেশে ফেরার বিষয়ে সরকার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি দেশে ফিরলে তাকে স্বাগত জানানো হবে। তবে এর অর্থ কোনো বিশেষ সুবিধা দেওয়া নয়, বরং তার জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।
জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘‘আমরা শুরু থেকেই বলে আসছি, আমরা তাঁর জন্য জাস্টিস নিশ্চিত করতে চাই, ইনসাফ নিশ্চিত করতে চাই।’’
২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মুখে ক্ষমতা ছাড়ার পর শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নেন। সম্প্রতি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনার কথা জানান।
জুলাই আন্দোলনের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় হয়েছে। এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। তাঁকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ভারতের কাছে প্রত্যর্পণের অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।
শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘‘তাঁর মৃত্যুদণ্ড হয়েছে। তিনি আসবেন, তাঁকে যদি আমরা প্রত্যর্পণ চুক্তির মাধ্যমে আনতে পারি, আমরা সেই চেষ্টা করছি।’’
বিচারপ্রক্রিয়া ও দণ্ড কার্যকরের বিষয়ে তিনি বলেন, সবকিছু স্বচ্ছ বিচারের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে। আদালতে শেখ হাসিনা নিজের পক্ষে প্রমাণ উপস্থাপনের সুযোগ পাবেন। আদালত যদি তাঁকে অপরাধী না মনে করেন বা ভিন্ন কোনো সাজা দেন, সেটিও আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, জনগণ যে সিদ্ধান্ত দেখতে চায়, তা আদালতের প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে।
রাজনীতি/আরআইআর

রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
রোববার (৯ আগস্ট) কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ীতে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন মাতারবাড়ী আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনের সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এসব নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।
৪ ঘণ্টা আগে
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্কের অভিযোগ, নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে ছাত্রীদের জন্য রাত ১০টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত যে ‘সান্ধ্য আইন’ চালু রয়েছে, তা অনেক ক্ষেত্রে হয়রানির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দূরপাল্লার যাত্রা শেষে রাতে হলে ফিরলে গেটে অপেক্ষা করা, জরুরি প্রয়োজনে বাইরে যাওয়া কিংবা চিকিৎসার প্রয়োজনে বের হওয়ার
৪ ঘণ্টা আগে
রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
৪ ঘণ্টা আগে