
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ঘন কুয়াশার কারণে নামতে না পারায় আজ শুক্রবার (২ জানুয়ারি) ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (এইচএসআইএ) থেকে পাঁচটি ফ্লাইটকে কলকাতা ও ব্যাংকক বিমানবন্দরে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।
এ ছাড়া ডাইভার্ট হওয়া মোট নয়টি ফ্লাইটের বাকি চারটিকে চট্টগ্রামে পাঠানো হয়েছে। আবহাওয়া পরিস্থিতির উন্নতি হলে পুনরায় স্বাভাবিক বিমান চলাচল শুরু হয়।
শীত মৌসুমে ঘন কুয়াশা ও কম দৃশ্যমানতার কারণে বিমানগুলোকে অন্য বিমানবন্দরে পাঠানো হয়। ঘন ঘন ফ্লাইট ডাইভার্ট হওয়ার পেছনে ঢাকার বিমানবন্দরে ক্যাটাগরি-২ ইনস্ট্রুমেন্ট ল্যান্ডিং সিস্টেম (আইএলএস) না থাকাকে দায়ী করা হচ্ছে।
আইএলএস হলো একটি নির্ভুল রানওয়ে অ্যাপ্রোচ সহায়ক ব্যবস্থা, যা রেডিও সিগন্যাল এবং উচ্চ ক্ষমতার আলোক ব্যবস্থার মাধ্যমে ঘন কুয়াশার মধ্যেও পাইলটদের নিরাপদ অবতরণের দিকনির্দেশনা দেয়। কলকাতা বিমানবন্দরে ইতোমধ্যে ক্যাটাগরি-২ আইএলএস চালু রয়েছে।
দেশের বিমান চলাচল বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিদ্যমান ক্যাটাগরি-১ আইএলএসকে ক্যাটাগরি-২-এ উন্নীত করা হলে এ সমস্যা সমাধান হবে। তবে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (ক্যাব) এখনো প্রয়োজনীয় কাজ শেষ করতে পারেনি।
ফলে কম দৃশ্যমানতার সময় ফ্লাইটগুলোকে প্রায়ই সিলেট, চট্টগ্রাম, ভারত, থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ার বিভিন্ন বিমানবন্দরে পাঠাতে হয়। এতে সামগ্রিক ফ্লাইট সূচিতে বিলম্ব, যাত্রীদের ভোগান্তি এবং অতিরিক্ত জ্বালানি ও বিকল্প বিমানবন্দরে অবতরণ ও পার্কিং ফিসহ নানা খরচের কারণে এয়ারলাইনের আর্থিক ক্ষতি হয়।
আইএলএস উন্নীত করতে হলে অত্যন্ত নির্ভুল রেডিও সিগন্যালভিত্তিক নেভিগেশন সহায়ক ব্যবস্থা চালু করতে হবে, যা পাইলটদের উল্লম্ব ও অনুভূমিক দিকনির্দেশনা দেবে।
পাইলটদের মতে, শাহজালাল বিমানবন্দরে অবতরণের জন্য ন্যূনতম ৮০০ মিটার দৃশ্যমানতা প্রয়োজন। তবে বেসরকারি এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট সেফটি প্রধানরা জানাচ্ছেন, ঢাকার বিমানবন্দরে ক্যাটাগরি-৩ আইএলএস প্রয়োজন, যা শূন্য দৃশ্যমানতাতেও বিমান অবতরণে সক্ষম।

ঘন কুয়াশার কারণে নামতে না পারায় আজ শুক্রবার (২ জানুয়ারি) ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (এইচএসআইএ) থেকে পাঁচটি ফ্লাইটকে কলকাতা ও ব্যাংকক বিমানবন্দরে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।
এ ছাড়া ডাইভার্ট হওয়া মোট নয়টি ফ্লাইটের বাকি চারটিকে চট্টগ্রামে পাঠানো হয়েছে। আবহাওয়া পরিস্থিতির উন্নতি হলে পুনরায় স্বাভাবিক বিমান চলাচল শুরু হয়।
শীত মৌসুমে ঘন কুয়াশা ও কম দৃশ্যমানতার কারণে বিমানগুলোকে অন্য বিমানবন্দরে পাঠানো হয়। ঘন ঘন ফ্লাইট ডাইভার্ট হওয়ার পেছনে ঢাকার বিমানবন্দরে ক্যাটাগরি-২ ইনস্ট্রুমেন্ট ল্যান্ডিং সিস্টেম (আইএলএস) না থাকাকে দায়ী করা হচ্ছে।
আইএলএস হলো একটি নির্ভুল রানওয়ে অ্যাপ্রোচ সহায়ক ব্যবস্থা, যা রেডিও সিগন্যাল এবং উচ্চ ক্ষমতার আলোক ব্যবস্থার মাধ্যমে ঘন কুয়াশার মধ্যেও পাইলটদের নিরাপদ অবতরণের দিকনির্দেশনা দেয়। কলকাতা বিমানবন্দরে ইতোমধ্যে ক্যাটাগরি-২ আইএলএস চালু রয়েছে।
দেশের বিমান চলাচল বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিদ্যমান ক্যাটাগরি-১ আইএলএসকে ক্যাটাগরি-২-এ উন্নীত করা হলে এ সমস্যা সমাধান হবে। তবে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (ক্যাব) এখনো প্রয়োজনীয় কাজ শেষ করতে পারেনি।
ফলে কম দৃশ্যমানতার সময় ফ্লাইটগুলোকে প্রায়ই সিলেট, চট্টগ্রাম, ভারত, থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ার বিভিন্ন বিমানবন্দরে পাঠাতে হয়। এতে সামগ্রিক ফ্লাইট সূচিতে বিলম্ব, যাত্রীদের ভোগান্তি এবং অতিরিক্ত জ্বালানি ও বিকল্প বিমানবন্দরে অবতরণ ও পার্কিং ফিসহ নানা খরচের কারণে এয়ারলাইনের আর্থিক ক্ষতি হয়।
আইএলএস উন্নীত করতে হলে অত্যন্ত নির্ভুল রেডিও সিগন্যালভিত্তিক নেভিগেশন সহায়ক ব্যবস্থা চালু করতে হবে, যা পাইলটদের উল্লম্ব ও অনুভূমিক দিকনির্দেশনা দেবে।
পাইলটদের মতে, শাহজালাল বিমানবন্দরে অবতরণের জন্য ন্যূনতম ৮০০ মিটার দৃশ্যমানতা প্রয়োজন। তবে বেসরকারি এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট সেফটি প্রধানরা জানাচ্ছেন, ঢাকার বিমানবন্দরে ক্যাটাগরি-৩ আইএলএস প্রয়োজন, যা শূন্য দৃশ্যমানতাতেও বিমান অবতরণে সক্ষম।

তরুণদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে নজরুল ইসলাম খান বলেন, এদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান যতটা ধ্বংস হয়েছে আমরা ভেবেছি তার চেয়েও বেশি। দলীয়করণ, আত্মীয়করণ, দুর্নীতি, অনাচার, অযোগ্য মানুষকে দায়িত্ব দেওয়া সব মিলিয়ে এই সর্বনাশ হয়েছে। এই অবস্থা অতিক্রম করে সামনে এগিয়ে যাওয়া ছাড়া আর কোনো পথ নেই।
২ ঘণ্টা আগে
দাপ্তরিক কাজে গতিশীলতা আনতে ছুটির দিনেও প্রধানমন্ত্রীর এই উপস্থিতি ও কর্মসূচি প্রশাসনিক মহলে বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।
৩ ঘণ্টা আগে
গত বৃহস্পতিবারের আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সরকারি কাজে গতিশীলতা আনতে ছুটির দিনেও অফিস করার ঘোষণা দিয়েছিলেন তারেক রহমান। সরকারি কার্যক্রমে গতি ও স্বচ্ছতা আনতে তার এ পদক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট মহল।
৪ ঘণ্টা আগে
মন্ত্রী দেশে 'মব কালচার' বা বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সমালোচনা করে বলেন, এ ধরনের অপসংস্কৃতি দেশ গড়ার পথে বড় বাধা। তিনি সবাইকে দায়িত্বশীল জায়গা থেকে সরকারকে সহযোগিতা করার এবং নেতিবাচক রাজনীতি পরিহার করে দেশ গঠনে আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান।
৪ ঘণ্টা আগে