
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

যুব সমাজের হতাশা দূর করতে হবে উল্লেখ করে নজরুল ইসলাম খান বলেন, আমাদের যুব সম্প্রদায় হতাশ। তাদের মনে কষ্ট আছে, তাদের এই আক্ষেপ দূর করতে হবে। একা সম্ভব নয়, সবাইকে মিলে চেষ্টা করতে হবে। নইলে তাদের ন্যায্য আকাঙ্ক্ষা অপূর্ণ থেকে যাবে।
আজ শনিবার ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তরুণদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে নজরুল ইসলাম খান বলেন, এদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান যতটা ধ্বংস হয়েছে আমরা ভেবেছি তার চেয়েও বেশি। দলীয়করণ, আত্মীয়করণ, দুর্নীতি, অনাচার, অযোগ্য মানুষকে দায়িত্ব দেওয়া সব মিলিয়ে এই সর্বনাশ হয়েছে। এই অবস্থা অতিক্রম করে সামনে এগিয়ে যাওয়া ছাড়া আর কোনো পথ নেই।
তিনি বলেন, আমরা খুব ভালো চাই, আরও ভালো চাই। এটা প্রয়োজন, এটা স্বাভাবিক। কিন্তু বাস্তবতা বিবেচনা করেই যা সম্ভব, সেটাই অর্জনের চেষ্টা করতে হবে। বাস্তবায়নের দায় কারও একার নয়, সহযোগিতা ছাড়া কোনো কিছুই সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
নিজের রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, আমি শ্রমিক আন্দোলনের মানুষ। কষ্ট করেছি, অপেক্ষা করতে রাজি আছি। যদি দেখি আমার দেশ সফল হবে, সহকর্মীরা সফল হবে, সন্তানরা সফল হবে, তাহলেই সেটাই বড় প্রাপ্তি। এটি একদিনের কাজ নয়, কিন্তু অনিবার্য কাজ।
তরুণ জনগোষ্ঠীকে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিশ্বের বহু দেশে এমন বড় তরুণ জনগোষ্ঠী নেই। তাদের দক্ষতা, নৈতিকতা, চিন্তা সংহতভাবে কাজে লাগাতে পারলে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে যাবে। জনসংখ্যাকে সমস্যা না ভেবে জনসম্পদে রূপান্তর করতে হবে।
পানি ব্যবস্থাপনার উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, কোথাও পানির অভাব, কোথাও অতিরিক্ত পানি। বেশি হলে সংরক্ষণ, কম হলে ব্যবহার করতে পারলে সমস্যা থাকার কথা নয়। পরিকল্পিত উদ্যোগ নিলেই সমাধান সম্ভব।
তরুণদের উদ্দেশে নজরুল ইসলাম খান বলেন, শুধু স্বপ্ন দেখালেই হবে না, বাস্তবায়নে এগিয়ে আসতে হবে। খালি আক্ষেপ নয়, প্রাপ্য অর্জনে ঐক্যবদ্ধভাবে চেষ্টা করতে হবে। বিতর্ক ও আলোচনা যেন সেই পথ দেখায়।
জাতীয় পর্যায়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতা আয়োজনের বিষয়ে তিনি বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া জাতীয় পর্যায়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন দলের জন্য প্রধানমন্ত্রী গোল্ড কাপ ঘোষণা করেছিলেন এবং নিজে উপস্থিত থেকে পুরস্কার বিতরণ করেছিলেন। এই টুর্নামেন্ট পুনরায় চালুর প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের দৃষ্টিতে আনার বিষয়টি ভালো আইডিয়া, তিনি বিষয়টি তার গোচরে নেওয়ার আশ্বাস দেন।
পাঠ্যপুস্তকে কো কারিকুলাম বিষয় হিসেবে বিতর্ক সংযুক্ত করার বিষয়ে তিনি বলেন, এটি করা যায়। জাতীয় ভিত্তিতে বিতর্ক আয়োজন হওয়া উচিত বলেও মত দেন তিনি।

যুব সমাজের হতাশা দূর করতে হবে উল্লেখ করে নজরুল ইসলাম খান বলেন, আমাদের যুব সম্প্রদায় হতাশ। তাদের মনে কষ্ট আছে, তাদের এই আক্ষেপ দূর করতে হবে। একা সম্ভব নয়, সবাইকে মিলে চেষ্টা করতে হবে। নইলে তাদের ন্যায্য আকাঙ্ক্ষা অপূর্ণ থেকে যাবে।
আজ শনিবার ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তরুণদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে নজরুল ইসলাম খান বলেন, এদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান যতটা ধ্বংস হয়েছে আমরা ভেবেছি তার চেয়েও বেশি। দলীয়করণ, আত্মীয়করণ, দুর্নীতি, অনাচার, অযোগ্য মানুষকে দায়িত্ব দেওয়া সব মিলিয়ে এই সর্বনাশ হয়েছে। এই অবস্থা অতিক্রম করে সামনে এগিয়ে যাওয়া ছাড়া আর কোনো পথ নেই।
তিনি বলেন, আমরা খুব ভালো চাই, আরও ভালো চাই। এটা প্রয়োজন, এটা স্বাভাবিক। কিন্তু বাস্তবতা বিবেচনা করেই যা সম্ভব, সেটাই অর্জনের চেষ্টা করতে হবে। বাস্তবায়নের দায় কারও একার নয়, সহযোগিতা ছাড়া কোনো কিছুই সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
নিজের রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, আমি শ্রমিক আন্দোলনের মানুষ। কষ্ট করেছি, অপেক্ষা করতে রাজি আছি। যদি দেখি আমার দেশ সফল হবে, সহকর্মীরা সফল হবে, সন্তানরা সফল হবে, তাহলেই সেটাই বড় প্রাপ্তি। এটি একদিনের কাজ নয়, কিন্তু অনিবার্য কাজ।
তরুণ জনগোষ্ঠীকে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিশ্বের বহু দেশে এমন বড় তরুণ জনগোষ্ঠী নেই। তাদের দক্ষতা, নৈতিকতা, চিন্তা সংহতভাবে কাজে লাগাতে পারলে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে যাবে। জনসংখ্যাকে সমস্যা না ভেবে জনসম্পদে রূপান্তর করতে হবে।
পানি ব্যবস্থাপনার উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, কোথাও পানির অভাব, কোথাও অতিরিক্ত পানি। বেশি হলে সংরক্ষণ, কম হলে ব্যবহার করতে পারলে সমস্যা থাকার কথা নয়। পরিকল্পিত উদ্যোগ নিলেই সমাধান সম্ভব।
তরুণদের উদ্দেশে নজরুল ইসলাম খান বলেন, শুধু স্বপ্ন দেখালেই হবে না, বাস্তবায়নে এগিয়ে আসতে হবে। খালি আক্ষেপ নয়, প্রাপ্য অর্জনে ঐক্যবদ্ধভাবে চেষ্টা করতে হবে। বিতর্ক ও আলোচনা যেন সেই পথ দেখায়।
জাতীয় পর্যায়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতা আয়োজনের বিষয়ে তিনি বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া জাতীয় পর্যায়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন দলের জন্য প্রধানমন্ত্রী গোল্ড কাপ ঘোষণা করেছিলেন এবং নিজে উপস্থিত থেকে পুরস্কার বিতরণ করেছিলেন। এই টুর্নামেন্ট পুনরায় চালুর প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের দৃষ্টিতে আনার বিষয়টি ভালো আইডিয়া, তিনি বিষয়টি তার গোচরে নেওয়ার আশ্বাস দেন।
পাঠ্যপুস্তকে কো কারিকুলাম বিষয় হিসেবে বিতর্ক সংযুক্ত করার বিষয়ে তিনি বলেন, এটি করা যায়। জাতীয় ভিত্তিতে বিতর্ক আয়োজন হওয়া উচিত বলেও মত দেন তিনি।

দাপ্তরিক কাজে গতিশীলতা আনতে ছুটির দিনেও প্রধানমন্ত্রীর এই উপস্থিতি ও কর্মসূচি প্রশাসনিক মহলে বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।
৩ ঘণ্টা আগে
গত বৃহস্পতিবারের আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সরকারি কাজে গতিশীলতা আনতে ছুটির দিনেও অফিস করার ঘোষণা দিয়েছিলেন তারেক রহমান। সরকারি কার্যক্রমে গতি ও স্বচ্ছতা আনতে তার এ পদক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট মহল।
৪ ঘণ্টা আগে
মন্ত্রী দেশে 'মব কালচার' বা বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সমালোচনা করে বলেন, এ ধরনের অপসংস্কৃতি দেশ গড়ার পথে বড় বাধা। তিনি সবাইকে দায়িত্বশীল জায়গা থেকে সরকারকে সহযোগিতা করার এবং নেতিবাচক রাজনীতি পরিহার করে দেশ গঠনে আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান।
৪ ঘণ্টা আগে
এক্স হ্যান্ডেলে এক শোকবার্তা তিনি লিখেছেন, ‘শংকরের প্রয়াণে গভীর ভাবে শোকাহত। বাংলা সাহিত্যের উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসাবে তিনি মানুষের জীবনকে অসাধারণ সংবেদনশীলতা ও অন্তর্দৃষ্টির সঙ্গে লেখায় তুলে ধরেছেন।’
৫ ঘণ্টা আগে