
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

এ বছরের বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারের তালিকায় নাম থাকলেও অনুষ্ঠান চলাকালে মঞ্চে ডাকা হয়নি কবি মোহন রায়হানকে। ‘ভুল বোঝাবুঝি’র কারণে সেদিন পুরস্কার দেওয়া না হলেও তাকে এ পুরস্কার দেওয়া হবে বলে জানিয়েছিল বাংলা একাডেমি। এ ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন করে নিজের অবস্থান তুলে ধরেছেন মোহন রায়হান।
সংবাদ সম্মেলনে মোহন রায়হান বলেছেন, তিনি পুরস্কারটি গ্রহণ করলেও এর অর্থ গ্রহণ করবেন না। পুরস্কারের অর্থ তিনি সামর্থ্যহীন কবি, লেখক বা সাংস্কৃতিক কর্মীদের কল্যাণে প্রদান করার আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারের নীতিমালারও আমূল সংস্কার দাবি করেছেন।
রোববার (১ মার্চ) জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার প্রসঙ্গে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন মোহন রায়হান। এ বছর কবিতায় তাকে এ পুরস্কারের জন্য মনোনীত করেছিল বাংলা একাডেমি।
গত ২৬ ফেব্রুয়ারি বইমেলা উদ্বোধনের দিন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। মোহন রায়হান অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত থাকলেও তাকে মঞ্চে ডাকা হয়নি।
জানা যায়, কর্নেল তাহেরকে নিয়ে ৪১ বছর আগে মোহন রায়হান একটি কবিতা লিখেছিলেন। সেই কবিতা তারেক রহমানের বাবা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বিরোধিতার শামিল বলে বক্তব্য ছড়ায়। এ কারণে তারেক রহমানের নিজ হাতে মোহন রায়হানকে এ পুরস্কার দেওয়া ঠিক হবে না বলে সে দিন তাকে মঞ্চে ডাকা হয়নি।
সংবাদ সম্মেলনে মোহন রায়হান বলেন, ‘আমি কোনো পদক বা অর্থের কাঙাল নই; জীবনের সায়াহ্নে এসে সামান্য স্বীকৃতি ও সম্মানের প্রত্যাশাই আমাকে এখানে নিয়ে গিয়েছিল।’
দেশের বৃহত্তর স্বার্থে ও কলমের স্বাধীনতার প্রতি আস্থা রেখেই মোহন রায়হান এ পুরস্কার গ্রহণের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান। একই সঙ্গে তিনি পুরস্কার প্রদানের বর্তমান নীতিমালা সংস্কারের জোর দাবি জানিয়ে বলেন, ‘পুরস্কার প্রদানের নীতিমালা সংস্কার করা হোক। স্বচ্ছ, দলনিরপেক্ষ, বিশেষজ্ঞনির্ভর ও সর্বজনগ্রাহ্য প্রক্রিয়া প্রবর্তন করা হোক, যেন ভবিষ্যতে কোনো পুরস্কার নিয়ে বিতর্ক বা স্থগিতের পরিস্থিতি তৈরি না হয়।’
পুরস্কার নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্কের প্রেক্ষাপটে মোহন রায়হান জানান, বাংলা একাডেমি তাকে স্বপ্রণোদিত হয়ে মনোনীত করলেও একটি স্বার্থান্বেষী মহল তার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অপপ্রচার শুরু করে। এমনকি ৪১ বছর আগে রচিত একটি কবিতাকে অজুহাত করে শেষ মুহূর্তে তার পুরস্কার স্থগিত করা হয়, যা তার মতে মুক্তচিন্তার প্রতি অবমাননা।
পরে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় জানায়, প্রধানমন্ত্রীর সম্মতিক্রমে আগামী ২ মার্চ তাকে এই পুরস্কার দেওয়া হবে। এই দোলাচলের মধ্যে জাতীয় কবিতা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সঙ্গে আলোচনার পর মোহন রায়হান ‘অপমান সয়ে নেওয়ার চেয়ে মর্যাদাকে বেছে নিতে’ পুরস্কার গ্রহণের পক্ষে মত দেন।
মোহন রায়হান উল্লেখ করেন, অতীতেও শামসুর রাহমানের স্বাধীনতা পুরস্কার নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছিল। সে সময়কার প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া তাকে গণভবনে ডেকে সম্মানিত করেছিলেন। সেই ঐতিহ্যের কথা স্মরণ করে মোহন রায়হান বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকেই মর্যাদার সঙ্গে এই পুরস্কার গ্রহণ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।
মোহন রায়হান তার বক্তব্যে রাষ্ট্র পুনর্গঠন ও কলমের স্বাধীনতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি জানান, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে আলোচনায় তিনি বাকস্বাধীনতার দাবি তুলেছিলেন এবং সেই প্রতিশ্রুতির প্রতি আস্থা রেখেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে মোহন রায়হান দাবি করেন, পুরস্কার প্রদানের প্রক্রিয়াটি হতে হবে স্বচ্ছ, দলনিরপেক্ষ এবং বিশেষজ্ঞনির্ভর, যেন ভবিষ্যতে এটি কোনো বিতর্কের ঊর্ধ্বে থাকে। চূড়ান্তভাবে নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার তাগিদে তিনি এই পুরস্কার গ্রহণের ঘোষণা দিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন।
এর আগে মোহন রায়হান রাজনীতি ডটকমকে বলেছিলেন, “আমি ৪১ বছর আগে কর্নেল তাহেরের ফাঁসির প্রতিবাদে ‘তাহেরের স্বপ্ন’ নামে একটি রূপক কবিতা লিখেছিলাম। সেখানে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম-ধাম ছিল না, বরং একজন পঙ্গু বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সেক্টর কমান্ডারের ফাঁসির বেদনা আমাকে ব্যথিত করেছিল বলেই আমি লিখেছিলাম।”
‘এখন হঠাৎ করে একটি স্বার্থান্বেষী মহল, যারা বিগত আমলে কোনো ভূমিকা পালন করেনি কিন্তু এখন রাতারাতি বিএনপি সেজেছে, তারা তারেক জিয়ার (প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান) কাছে গিয়ে সেই কবিতাটি নিয়ে হাজির হয়েছে। তারা তাকে বুঝিয়েছে, আমার এই কবিতা জিয়াউর রহমানের প্রতি ঘৃণা পোষণ করে, তাই তার হাত দিয়ে আমাকে পুরস্কার দেওয়া ঠিক হবে না। এর ফলে তিনি আমাকে পুরস্কার দিতে মানা করে দেন,’— বলেন মোহন রায়হান।
এ ঘটনায় বিতর্ক তৈরি হলে সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, কবি মোহন রায়হানের বিরুদ্ধে কিছু অভিযোগ জমা পড়েছে। কোনো অভিযোগ জমা হলে তাকে আমলে নিতে হয়। সেভাবেই অভিযোগ আমলে নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কবিকে প্রয়োজনে ডেকে নিয়ে তার হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।

এ বছরের বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারের তালিকায় নাম থাকলেও অনুষ্ঠান চলাকালে মঞ্চে ডাকা হয়নি কবি মোহন রায়হানকে। ‘ভুল বোঝাবুঝি’র কারণে সেদিন পুরস্কার দেওয়া না হলেও তাকে এ পুরস্কার দেওয়া হবে বলে জানিয়েছিল বাংলা একাডেমি। এ ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন করে নিজের অবস্থান তুলে ধরেছেন মোহন রায়হান।
সংবাদ সম্মেলনে মোহন রায়হান বলেছেন, তিনি পুরস্কারটি গ্রহণ করলেও এর অর্থ গ্রহণ করবেন না। পুরস্কারের অর্থ তিনি সামর্থ্যহীন কবি, লেখক বা সাংস্কৃতিক কর্মীদের কল্যাণে প্রদান করার আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারের নীতিমালারও আমূল সংস্কার দাবি করেছেন।
রোববার (১ মার্চ) জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার প্রসঙ্গে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন মোহন রায়হান। এ বছর কবিতায় তাকে এ পুরস্কারের জন্য মনোনীত করেছিল বাংলা একাডেমি।
গত ২৬ ফেব্রুয়ারি বইমেলা উদ্বোধনের দিন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। মোহন রায়হান অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত থাকলেও তাকে মঞ্চে ডাকা হয়নি।
জানা যায়, কর্নেল তাহেরকে নিয়ে ৪১ বছর আগে মোহন রায়হান একটি কবিতা লিখেছিলেন। সেই কবিতা তারেক রহমানের বাবা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বিরোধিতার শামিল বলে বক্তব্য ছড়ায়। এ কারণে তারেক রহমানের নিজ হাতে মোহন রায়হানকে এ পুরস্কার দেওয়া ঠিক হবে না বলে সে দিন তাকে মঞ্চে ডাকা হয়নি।
সংবাদ সম্মেলনে মোহন রায়হান বলেন, ‘আমি কোনো পদক বা অর্থের কাঙাল নই; জীবনের সায়াহ্নে এসে সামান্য স্বীকৃতি ও সম্মানের প্রত্যাশাই আমাকে এখানে নিয়ে গিয়েছিল।’
দেশের বৃহত্তর স্বার্থে ও কলমের স্বাধীনতার প্রতি আস্থা রেখেই মোহন রায়হান এ পুরস্কার গ্রহণের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান। একই সঙ্গে তিনি পুরস্কার প্রদানের বর্তমান নীতিমালা সংস্কারের জোর দাবি জানিয়ে বলেন, ‘পুরস্কার প্রদানের নীতিমালা সংস্কার করা হোক। স্বচ্ছ, দলনিরপেক্ষ, বিশেষজ্ঞনির্ভর ও সর্বজনগ্রাহ্য প্রক্রিয়া প্রবর্তন করা হোক, যেন ভবিষ্যতে কোনো পুরস্কার নিয়ে বিতর্ক বা স্থগিতের পরিস্থিতি তৈরি না হয়।’
পুরস্কার নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্কের প্রেক্ষাপটে মোহন রায়হান জানান, বাংলা একাডেমি তাকে স্বপ্রণোদিত হয়ে মনোনীত করলেও একটি স্বার্থান্বেষী মহল তার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অপপ্রচার শুরু করে। এমনকি ৪১ বছর আগে রচিত একটি কবিতাকে অজুহাত করে শেষ মুহূর্তে তার পুরস্কার স্থগিত করা হয়, যা তার মতে মুক্তচিন্তার প্রতি অবমাননা।
পরে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় জানায়, প্রধানমন্ত্রীর সম্মতিক্রমে আগামী ২ মার্চ তাকে এই পুরস্কার দেওয়া হবে। এই দোলাচলের মধ্যে জাতীয় কবিতা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সঙ্গে আলোচনার পর মোহন রায়হান ‘অপমান সয়ে নেওয়ার চেয়ে মর্যাদাকে বেছে নিতে’ পুরস্কার গ্রহণের পক্ষে মত দেন।
মোহন রায়হান উল্লেখ করেন, অতীতেও শামসুর রাহমানের স্বাধীনতা পুরস্কার নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছিল। সে সময়কার প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া তাকে গণভবনে ডেকে সম্মানিত করেছিলেন। সেই ঐতিহ্যের কথা স্মরণ করে মোহন রায়হান বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকেই মর্যাদার সঙ্গে এই পুরস্কার গ্রহণ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।
মোহন রায়হান তার বক্তব্যে রাষ্ট্র পুনর্গঠন ও কলমের স্বাধীনতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি জানান, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে আলোচনায় তিনি বাকস্বাধীনতার দাবি তুলেছিলেন এবং সেই প্রতিশ্রুতির প্রতি আস্থা রেখেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে মোহন রায়হান দাবি করেন, পুরস্কার প্রদানের প্রক্রিয়াটি হতে হবে স্বচ্ছ, দলনিরপেক্ষ এবং বিশেষজ্ঞনির্ভর, যেন ভবিষ্যতে এটি কোনো বিতর্কের ঊর্ধ্বে থাকে। চূড়ান্তভাবে নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার তাগিদে তিনি এই পুরস্কার গ্রহণের ঘোষণা দিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন।
এর আগে মোহন রায়হান রাজনীতি ডটকমকে বলেছিলেন, “আমি ৪১ বছর আগে কর্নেল তাহেরের ফাঁসির প্রতিবাদে ‘তাহেরের স্বপ্ন’ নামে একটি রূপক কবিতা লিখেছিলাম। সেখানে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম-ধাম ছিল না, বরং একজন পঙ্গু বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সেক্টর কমান্ডারের ফাঁসির বেদনা আমাকে ব্যথিত করেছিল বলেই আমি লিখেছিলাম।”
‘এখন হঠাৎ করে একটি স্বার্থান্বেষী মহল, যারা বিগত আমলে কোনো ভূমিকা পালন করেনি কিন্তু এখন রাতারাতি বিএনপি সেজেছে, তারা তারেক জিয়ার (প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান) কাছে গিয়ে সেই কবিতাটি নিয়ে হাজির হয়েছে। তারা তাকে বুঝিয়েছে, আমার এই কবিতা জিয়াউর রহমানের প্রতি ঘৃণা পোষণ করে, তাই তার হাত দিয়ে আমাকে পুরস্কার দেওয়া ঠিক হবে না। এর ফলে তিনি আমাকে পুরস্কার দিতে মানা করে দেন,’— বলেন মোহন রায়হান।
এ ঘটনায় বিতর্ক তৈরি হলে সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, কবি মোহন রায়হানের বিরুদ্ধে কিছু অভিযোগ জমা পড়েছে। কোনো অভিযোগ জমা হলে তাকে আমলে নিতে হয়। সেভাবেই অভিযোগ আমলে নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কবিকে প্রয়োজনে ডেকে নিয়ে তার হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।

প্রজ্ঞাপনে চাকরির বিধি অনুযায়ী তারা অবসরজনিত সুবিধা প্রাপ্ত হবেন বলে জানানো হয়েছে। জনস্বার্থে এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে জুতা বিতরণের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
৬ ঘণ্টা আগে
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ফরিদা খানমকে ঢাকার জেলা প্রশাসক (ডিসি) হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
৬ ঘণ্টা আগে
আজ বুধবার (২২ এপ্রিল) পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করেছে আন্তশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি। এতে স্বাক্ষর করেন আন্তশিক্ষা কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার।
৬ ঘণ্টা আগে