
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ভাষণ প্রত্যাখ্যান করে প্রায় পাঁচ মিনিট বিক্ষোভের পর বিরোধী দলের সদস্যরা ওয়াকআউট (বর্জন) করেন। রাষ্ট্রপতির ভাষণের এই বিরোধিতাকে ‘স্ববিরোধিতা’ অভিহিত করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
বিরোধী দলের এই ভূমিকা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘যে রাষ্ট্রপতির সাথে তারা আলাপ-আলোচনা করেছে ৫ আগস্টের বিকেল বেলা, সিক্সথ অফ আগস্ট এবং যে রাষ্ট্রপতির কাছে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টাসহ অন্য উপদেষ্টারা শপথ নিয়েছেন। তাদের দু-একজন তো এই সংসদেরও সদস্য হয়ে আসছেন। তো সেটা তাদের জিজ্ঞেস করা যায়, এই স্ববিরোধিতা কেন?’
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেলে সংসদ অধিবেশনের প্রথম দিন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন সালাহউদ্দিন আহমদ।
আজ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ভাষণ ঘিরে সাময়িক উত্তেজনা তৈরি হয়। প্রথমে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম সংসদে রাষ্ট্রপতির উপস্থিতির প্রতিবাদ জানান। পরে বিরোধী দলের অন্য সদস্যরা নানা বক্তব্যসংবলিত প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ এবং পরে ওয়াকআউট করেন।
বিরোধী দলের এমন অবস্থান প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা বিধি মোতাবেক ওয়াকআউট করতে পারেন। তারা ওয়াকআউট করেছেন। এটা ব্যতিক্রম কোনো কিছু, ঘটনা নয়। তারা আবার আসবেন, আগামী দিনে যে সংসদ বসবে, সেদিন আবার আসবেন।’
সংসদকে বিএনপি কেমন রাখতে চায়— এই প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘অবশ্যই সংসদ অর্থবহ হবে। আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হবে। জাতীয় সব সমস্যার এবং সমস্ত ইস্যুর এখানে আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়ে আমরা সমাধানে যাব ইনশা আল্লাহ। জাতীয় ঐক্য বজায় রাখব। ফ্যাসিবাদবিরোধী যে জাতীয় ঐক্য আমাদের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, সেই ঐক্যকে আমরা ধরে রাখব এবং জাতীয় যেকোনো ইস্যুতে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাব।’
তিনি বলেন, আজকের দিনের জন্য পুরো জাতি ১৭-১৮ বছর অপেক্ষা করেছে। দীর্ঘ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের মধ্য দিয়ে যে গণতন্ত্র অর্জিত হয়েছে, গণতন্ত্র উত্তরণের পথ পরিষ্কার হয়েছে, আজ নতুনভাবে সেই নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রা শুরু হয়েছে। জাতীয় সংসদ যেন জাতির সব ইস্যু আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করা হয়। এর মধ্য দিয়ে এমন একটি গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির চর্চা অব্যাহত রাখা হবে, যে চর্চার মাধ্যমে সত্যিকার অর্থে একটি গণতান্ত্রিক শক্তিশালী বাংলাদেশ বিনির্মাণ করা যাবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ভাষণ প্রত্যাখ্যান করে প্রায় পাঁচ মিনিট বিক্ষোভের পর বিরোধী দলের সদস্যরা ওয়াকআউট (বর্জন) করেন। রাষ্ট্রপতির ভাষণের এই বিরোধিতাকে ‘স্ববিরোধিতা’ অভিহিত করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
বিরোধী দলের এই ভূমিকা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘যে রাষ্ট্রপতির সাথে তারা আলাপ-আলোচনা করেছে ৫ আগস্টের বিকেল বেলা, সিক্সথ অফ আগস্ট এবং যে রাষ্ট্রপতির কাছে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টাসহ অন্য উপদেষ্টারা শপথ নিয়েছেন। তাদের দু-একজন তো এই সংসদেরও সদস্য হয়ে আসছেন। তো সেটা তাদের জিজ্ঞেস করা যায়, এই স্ববিরোধিতা কেন?’
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেলে সংসদ অধিবেশনের প্রথম দিন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন সালাহউদ্দিন আহমদ।
আজ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ভাষণ ঘিরে সাময়িক উত্তেজনা তৈরি হয়। প্রথমে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম সংসদে রাষ্ট্রপতির উপস্থিতির প্রতিবাদ জানান। পরে বিরোধী দলের অন্য সদস্যরা নানা বক্তব্যসংবলিত প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ এবং পরে ওয়াকআউট করেন।
বিরোধী দলের এমন অবস্থান প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা বিধি মোতাবেক ওয়াকআউট করতে পারেন। তারা ওয়াকআউট করেছেন। এটা ব্যতিক্রম কোনো কিছু, ঘটনা নয়। তারা আবার আসবেন, আগামী দিনে যে সংসদ বসবে, সেদিন আবার আসবেন।’
সংসদকে বিএনপি কেমন রাখতে চায়— এই প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘অবশ্যই সংসদ অর্থবহ হবে। আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হবে। জাতীয় সব সমস্যার এবং সমস্ত ইস্যুর এখানে আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়ে আমরা সমাধানে যাব ইনশা আল্লাহ। জাতীয় ঐক্য বজায় রাখব। ফ্যাসিবাদবিরোধী যে জাতীয় ঐক্য আমাদের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, সেই ঐক্যকে আমরা ধরে রাখব এবং জাতীয় যেকোনো ইস্যুতে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাব।’
তিনি বলেন, আজকের দিনের জন্য পুরো জাতি ১৭-১৮ বছর অপেক্ষা করেছে। দীর্ঘ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের মধ্য দিয়ে যে গণতন্ত্র অর্জিত হয়েছে, গণতন্ত্র উত্তরণের পথ পরিষ্কার হয়েছে, আজ নতুনভাবে সেই নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রা শুরু হয়েছে। জাতীয় সংসদ যেন জাতির সব ইস্যু আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করা হয়। এর মধ্য দিয়ে এমন একটি গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির চর্চা অব্যাহত রাখা হবে, যে চর্চার মাধ্যমে সত্যিকার অর্থে একটি গণতান্ত্রিক শক্তিশালী বাংলাদেশ বিনির্মাণ করা যাবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে দেশ-বিদেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়েছে। তবে বিরোধী দলের আপত্তির মুখে শোক প্রস্তাবে নামের তালিকা বাড়িয়েছে সংসদ।
৬ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্রপতি তাঁর ভাষণে বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের এই উদ্বোধনী অধিবেশন বাংলাদেশের ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। একটি শান্তিপূর্ণ, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে এই মহান জাতীয় সংসদের যাত্রা শুরু হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সকল রাজনৈতিক দল এবং
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও ঠাকুরগাঁও–১ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া তাঁর ৪৩ বছরের রাজনৈতিক জীবনে কখনো গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার প্রশ্নে আপস করেননি।
৭ ঘণ্টা আগে
সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া আজ সংসদে থাকলে সবচেয়ে বেশি খুশি হতেন বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও কক্সবাজার–১ আসনের সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।
৮ ঘণ্টা আগে