
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই সনদের গণভোট ঘিরে ভোটের দিনসহ আগে-পরে মিলিয়ে তিন দিন বন্ধ থাকবে মোটরসাইকেল। অন্যদিকে ভোটের আগের রাত থেকে শুরু করে ভোটের তারিখে দিবাগত মধ্যরাত পর্যন্ত ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকবে।
যান চলাচলে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) এমন বিধিনিষেধের আলোকে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) এক তথ্য বিবরণীতে এ কথা জানানো হয়েছে।
সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের উপসচিব আল-আমীন মো. নুরুল ইসলামের সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, নিষেধাজ্ঞার অধীনে আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ৭২ ঘণ্টা মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ থাকবে।
একই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকবে ১১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত থেকে ভোটের দিন তথা ১২ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত।
প্রজ্ঞাপনে শর্তসাপেক্ষে কিছু যানবাহনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা শিথিল রাখার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন ও অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষকদের যানবাহন; জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহন; ঔষধ, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সামগ্রী এবং সংবাদপত্র বহনকারী যানবাহন এই নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে।
এ ছাড়া সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক ও জরুরি কাজে ব্যবহৃত যানবাহন এবং মোটরসাইকেলও নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদনসাপেক্ষে চলাচল করতে পারবে। নির্বাচনি কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেল এবং টেলিযোগাযোগ সেবাকে জরুরি সেবা হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে বিটিআরসি ও এর লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের যানবাহনও নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে থাকবে।
এদিকে আত্মীয়-স্বজনকে আনতে বা পৌঁছে দিতে বিমানবন্দরে যাতায়াতকারী যানবাহন (টিকিট বা সংশ্লিষ্ট প্রমাণ প্রদর্শনসাপেক্ষে); দূরপাল্লার যাত্রী পরিবহনকারী যানবাহন; প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর জন্য একটি এবং নির্বাচনি এজেন্টের জন্য একটি করে ছোট আকৃতির যানবাহন (রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন ও স্টিকার প্রদর্শনসাপেক্ষে) নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর, আন্তঃজেলা ও মহানগরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক এবং সংযোগ সড়কে নিষেধাজ্ঞা শিথিল বা কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।
এ ছাড়া এসব যানবাহন ছাড়া অন্যান্য যানবাহনের ওপরও বর্ণিত সময়সূচি অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞা আরোপ বা শিথিলের জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও মহানগর পুলিশ কমিশনারদের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই সনদের গণভোট ঘিরে ভোটের দিনসহ আগে-পরে মিলিয়ে তিন দিন বন্ধ থাকবে মোটরসাইকেল। অন্যদিকে ভোটের আগের রাত থেকে শুরু করে ভোটের তারিখে দিবাগত মধ্যরাত পর্যন্ত ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকবে।
যান চলাচলে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) এমন বিধিনিষেধের আলোকে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) এক তথ্য বিবরণীতে এ কথা জানানো হয়েছে।
সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের উপসচিব আল-আমীন মো. নুরুল ইসলামের সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, নিষেধাজ্ঞার অধীনে আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ৭২ ঘণ্টা মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ থাকবে।
একই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকবে ১১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত থেকে ভোটের দিন তথা ১২ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত।
প্রজ্ঞাপনে শর্তসাপেক্ষে কিছু যানবাহনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা শিথিল রাখার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন ও অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষকদের যানবাহন; জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহন; ঔষধ, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সামগ্রী এবং সংবাদপত্র বহনকারী যানবাহন এই নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে।
এ ছাড়া সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক ও জরুরি কাজে ব্যবহৃত যানবাহন এবং মোটরসাইকেলও নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদনসাপেক্ষে চলাচল করতে পারবে। নির্বাচনি কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেল এবং টেলিযোগাযোগ সেবাকে জরুরি সেবা হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে বিটিআরসি ও এর লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের যানবাহনও নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে থাকবে।
এদিকে আত্মীয়-স্বজনকে আনতে বা পৌঁছে দিতে বিমানবন্দরে যাতায়াতকারী যানবাহন (টিকিট বা সংশ্লিষ্ট প্রমাণ প্রদর্শনসাপেক্ষে); দূরপাল্লার যাত্রী পরিবহনকারী যানবাহন; প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর জন্য একটি এবং নির্বাচনি এজেন্টের জন্য একটি করে ছোট আকৃতির যানবাহন (রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন ও স্টিকার প্রদর্শনসাপেক্ষে) নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর, আন্তঃজেলা ও মহানগরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক এবং সংযোগ সড়কে নিষেধাজ্ঞা শিথিল বা কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।
এ ছাড়া এসব যানবাহন ছাড়া অন্যান্য যানবাহনের ওপরও বর্ণিত সময়সূচি অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞা আরোপ বা শিথিলের জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও মহানগর পুলিশ কমিশনারদের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ।

এবারের প্রতিযোগিতার বিষয়বস্তু ‘বায়ু, পানি ও মাটি দূষণ’ এবং ‘জ্বালানি ও পরিবেশ’। প্রতিযোগিতায় জমা পড়া ১৫০০টি ছবির মধ্য থেকে বিচারকদের রায়ে নির্বাচিত সেরা ৩৫টি ছবি প্রদর্শনীর জন্য মনোনীত হয় এবং বিজয়ী ছয়জন ফটোসাংবাদিককে পুরস্কৃত করা হয়।
৫ ঘণ্টা আগে
যমুনা ও আশপাশের এলাকায় ‘বেআইনি’ সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে কোনো প্রকার আগ্নেয়াস্ত্র বা গুলি ব্যবহার করা হয়নি বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
৫ ঘণ্টা আগে
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার গ্যাসের শেল, জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এতে মিছিল ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। তবে কিছু সময় পর আবারও আন্দোলনকারীরা জড়ো হয়ে যমুনা অভিমুখে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করেন। ফলে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
১১ ঘণ্টা আগে