
বাসস

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন, সড়ক ও মহাসড়কে দুর্ঘটনা কমাতে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর বিভিন্ন ধাপে ইঞ্জিনিয়ারিং, এনফোর্সমেন্ট, প্রযুক্তি ও ব্যবস্থাপনাভিত্তিক নানা পদক্ষেপ নিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সংসদে টাঙ্গাইল-৭ আসনের সরকারি দলের সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকীর টেবিলে উপস্থাপিত তারকাচিহ্নিত এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।
শেখ রবিউল আলম আরও জানান, বাংলাদেশের সড়ক ও মহাসড়কে দুর্ঘটনা কমাতে ব্ল্যাক স্পট চিহ্নিতকরণ এবং দুর্ঘটনাপ্রবণ স্থানগুলো চিহ্নিত করে জ্যামিতিক উন্নয়ন, রাস্তা সরলীকরণ, সাইন-সিগন্যাল ও মার্কিং বসানো হচ্ছে। রোড ফার্নিচার উন্নয়ন—গার্ডরেল, ডেলিনিয়েটর, স্পিড ব্রেকার, সাইনবোর্ড ইত্যাদি বসানো এবং পথচারী নিরাপত্তা ব্যবস্থা—বাজার/হাট এলাকায় ওভারপাস, ফুটওভার ব্রিজ, জেব্রা ক্রসিং, সার্ভিস রোড নির্মাণ করা হচ্ছে।
তিনি জানান, ধীরগতির যানবাহনের জন্য সড়কের পাশে প্রশস্ত শোল্ডার বা আলাদা লেন রাখা হয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের অংশ হিসেবে আইটিএস (ইন্টেলিজেন্ট ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম) চালু করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা, ভেহিক্যাল ডিটেকশন সিস্টেম (ভিডিএস), স্পিড এনফোর্সমেন্ট সিস্টেম, যা বর্তমানে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে চালু করা হয়েছে। ভবিষ্যতে সারা দেশের মহাসড়কে এই প্রযুক্তি সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, দুর্ঘটনা বিশ্লেষণ, পরিকল্পনা ও সমন্বয়ের জন্য বিশেষ ইউনিট—রোড ডিজাইন অ্যান্ড সেফটি সার্কেল গঠন করা হয়েছে। দুর্ঘটনা রোধে কুমিল্লার নিমসার, সিরাজগঞ্জের পাঁচলিয়া, মাগুরার লক্ষ্মীকান্দর এবং হবিগঞ্জের জগদীশপুরে দূরপাল্লার চালকদের জন্য চারটি বিশ্রামাগার নির্মাণ করা হয়েছে। এসব বিশ্রামাগারে শয়নকক্ষ, গোসলখানা, পার্কিং, ক্যান্টিন, চিকিৎসাকক্ষ ও বিনোদনকেন্দ্রসহ আধুনিক সুবিধা রয়েছে।
এছাড়া পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)-এর উদ্যোগে দেশের সড়ক/মহাসড়কে চলাচলরত গণপরিবহনে গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম (জিপিএস) চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, জিপিএস প্রযুক্তি চালু হলে গণপরিবহনের অবস্থান ও গতি সহজে পর্যবেক্ষণ করা যাবে। ফলে সড়কে যত্রতত্র থামিয়ে যাত্রী ওঠানামা করা এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায়সহ বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে। এছাড়া কোনো গণপরিবহন সড়কে নির্ধারিত গতিসীমা অতিক্রম বা ট্রাফিক আইন অমান্য করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার রেকর্ড সংরক্ষণ হবে এবং সংশ্লিষ্ট চালক ও মালিকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন, সড়ক ও মহাসড়কে দুর্ঘটনা কমাতে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর বিভিন্ন ধাপে ইঞ্জিনিয়ারিং, এনফোর্সমেন্ট, প্রযুক্তি ও ব্যবস্থাপনাভিত্তিক নানা পদক্ষেপ নিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সংসদে টাঙ্গাইল-৭ আসনের সরকারি দলের সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকীর টেবিলে উপস্থাপিত তারকাচিহ্নিত এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।
শেখ রবিউল আলম আরও জানান, বাংলাদেশের সড়ক ও মহাসড়কে দুর্ঘটনা কমাতে ব্ল্যাক স্পট চিহ্নিতকরণ এবং দুর্ঘটনাপ্রবণ স্থানগুলো চিহ্নিত করে জ্যামিতিক উন্নয়ন, রাস্তা সরলীকরণ, সাইন-সিগন্যাল ও মার্কিং বসানো হচ্ছে। রোড ফার্নিচার উন্নয়ন—গার্ডরেল, ডেলিনিয়েটর, স্পিড ব্রেকার, সাইনবোর্ড ইত্যাদি বসানো এবং পথচারী নিরাপত্তা ব্যবস্থা—বাজার/হাট এলাকায় ওভারপাস, ফুটওভার ব্রিজ, জেব্রা ক্রসিং, সার্ভিস রোড নির্মাণ করা হচ্ছে।
তিনি জানান, ধীরগতির যানবাহনের জন্য সড়কের পাশে প্রশস্ত শোল্ডার বা আলাদা লেন রাখা হয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের অংশ হিসেবে আইটিএস (ইন্টেলিজেন্ট ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম) চালু করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা, ভেহিক্যাল ডিটেকশন সিস্টেম (ভিডিএস), স্পিড এনফোর্সমেন্ট সিস্টেম, যা বর্তমানে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে চালু করা হয়েছে। ভবিষ্যতে সারা দেশের মহাসড়কে এই প্রযুক্তি সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, দুর্ঘটনা বিশ্লেষণ, পরিকল্পনা ও সমন্বয়ের জন্য বিশেষ ইউনিট—রোড ডিজাইন অ্যান্ড সেফটি সার্কেল গঠন করা হয়েছে। দুর্ঘটনা রোধে কুমিল্লার নিমসার, সিরাজগঞ্জের পাঁচলিয়া, মাগুরার লক্ষ্মীকান্দর এবং হবিগঞ্জের জগদীশপুরে দূরপাল্লার চালকদের জন্য চারটি বিশ্রামাগার নির্মাণ করা হয়েছে। এসব বিশ্রামাগারে শয়নকক্ষ, গোসলখানা, পার্কিং, ক্যান্টিন, চিকিৎসাকক্ষ ও বিনোদনকেন্দ্রসহ আধুনিক সুবিধা রয়েছে।
এছাড়া পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)-এর উদ্যোগে দেশের সড়ক/মহাসড়কে চলাচলরত গণপরিবহনে গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম (জিপিএস) চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, জিপিএস প্রযুক্তি চালু হলে গণপরিবহনের অবস্থান ও গতি সহজে পর্যবেক্ষণ করা যাবে। ফলে সড়কে যত্রতত্র থামিয়ে যাত্রী ওঠানামা করা এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায়সহ বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে। এছাড়া কোনো গণপরিবহন সড়কে নির্ধারিত গতিসীমা অতিক্রম বা ট্রাফিক আইন অমান্য করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার রেকর্ড সংরক্ষণ হবে এবং সংশ্লিষ্ট চালক ও মালিকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে।

এ ছাড়া তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে যাবজ্জীবন সাজা দেওয়া হয়েছে। এ মামলার ৩০ আসামির মধ্যে বাকি ২৫ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ রায় ঘোষণা করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
মালয়েশিয়া থেকে ২৬ হাজার টন অকটেন নিয়ে অয়েল ট্যাংকার ‘এমটি সেন্ট্রাল স্টার’ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। বুধবার রাত সাড়ে ৮টায় জাহাজটি বন্দরের বহির্নোঙরে অবস্থান নেয়। জাহাজটি মার্শাল আইল্যান্ডের পতাকাবাহী।
৩ ঘণ্টা আগে
ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, ঐতিহাসিক এই রায় ঘোষণা বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।
৩ ঘণ্টা আগে