
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিনে ১০ রুটে বিশেষ ট্রেন পরিচালনা করা হবে। পাশাপাশি এ দিন তিনটি স্বল্প দূরত্বের কমিউটার ট্রেন বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে রেলপথ মন্ত্রণালয়।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। এতে আরও বলা হয়েছে, এ দিন নিয়মিত চলাচলকারী ট্রেনের অতিরিক্ত কোচ সংযোজন করা হবে।
আগামী বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) তারেক রহমানের লন্ডন থেকে দেশে ফেরার কথা রয়েছে। এর মধ্য দিয়ে ১৭ বছর পর তিনি দেশে ফিরবেন। বিএনপি জানিয়েছে, তারেক রহমানকে দেশে বরণ করে নিতে তারা প্রস্তুত। এ দিন তাকে স্বাগত জানাতে সারা দেশ থেকে নেতাকর্মীরা ঢাকা আসবেন। এ কারণে দল থেকে বিশেষ ট্রেনের দাবি জানানো হয়েছিল রেলপথ মন্ত্রণালয়ের কাছে।
মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষ্যে দলটির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ঢাকায় যাতায়াতের উদ্দেশ্যে বিশেষ ট্রেন বা অতিরিক্ত কোচ বরাদ্দের আবেদন করেছে বিএনপি। এ অবস্থায় ১০টি রুটে বিশেষ ট্রেন পরিচালনা করা হবে। নিয়মিত চলাচলকারী একাধিক ট্রেনেও অতিরিক্ত কোচ সংযোজন করা হবে।
যে ১০ রুটে বিশেষ ট্রেন চলবে সেগুলো হলো— কক্সবাজার-ঢাকা-কক্সবাজার, জামালপুর-ময়মনসিংহ-ঢাকা-জামালপুর, টাঙ্গাইল-ঢাকা-টাঙ্গাইল, ভৈরববাজার-নরসিংদী-ঢাকা-নরসিংদী-ভৈরববাজার, জয়দেবপুর-ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট-জয়দেবপুর (গাজীপুর), পঞ্চগড়-ঢাকা-পঞ্চগড়, খুলনা-ঢাকা-খুলনা, চাটমোহর-ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট-চাটমোহর, রাজশাহী-ঢাকা-রাজশাহী ও যশোর-ঢাকা-যশোর।
ওই দিন (বৃহস্পতিবার) স্বল্প দূরত্বের রাজবাড়ী কমিউটার (রাজবাড়ী-পোড়াদহ), ঢালারচর এক্সপ্রেস (পাবনা-রাজশাহী) ও রহনপুর কমিউটার (রহনপুর-রাজশাহী) ট্রেনের চলাচল স্থগিত রাখা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে যাত্রা স্থগিতে যাত্রীদের সাময়িক অসুবিধার জন্য রেলপথ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিনে ১০ রুটে বিশেষ ট্রেন পরিচালনা করা হবে। পাশাপাশি এ দিন তিনটি স্বল্প দূরত্বের কমিউটার ট্রেন বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে রেলপথ মন্ত্রণালয়।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। এতে আরও বলা হয়েছে, এ দিন নিয়মিত চলাচলকারী ট্রেনের অতিরিক্ত কোচ সংযোজন করা হবে।
আগামী বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) তারেক রহমানের লন্ডন থেকে দেশে ফেরার কথা রয়েছে। এর মধ্য দিয়ে ১৭ বছর পর তিনি দেশে ফিরবেন। বিএনপি জানিয়েছে, তারেক রহমানকে দেশে বরণ করে নিতে তারা প্রস্তুত। এ দিন তাকে স্বাগত জানাতে সারা দেশ থেকে নেতাকর্মীরা ঢাকা আসবেন। এ কারণে দল থেকে বিশেষ ট্রেনের দাবি জানানো হয়েছিল রেলপথ মন্ত্রণালয়ের কাছে।
মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষ্যে দলটির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ঢাকায় যাতায়াতের উদ্দেশ্যে বিশেষ ট্রেন বা অতিরিক্ত কোচ বরাদ্দের আবেদন করেছে বিএনপি। এ অবস্থায় ১০টি রুটে বিশেষ ট্রেন পরিচালনা করা হবে। নিয়মিত চলাচলকারী একাধিক ট্রেনেও অতিরিক্ত কোচ সংযোজন করা হবে।
যে ১০ রুটে বিশেষ ট্রেন চলবে সেগুলো হলো— কক্সবাজার-ঢাকা-কক্সবাজার, জামালপুর-ময়মনসিংহ-ঢাকা-জামালপুর, টাঙ্গাইল-ঢাকা-টাঙ্গাইল, ভৈরববাজার-নরসিংদী-ঢাকা-নরসিংদী-ভৈরববাজার, জয়দেবপুর-ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট-জয়দেবপুর (গাজীপুর), পঞ্চগড়-ঢাকা-পঞ্চগড়, খুলনা-ঢাকা-খুলনা, চাটমোহর-ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট-চাটমোহর, রাজশাহী-ঢাকা-রাজশাহী ও যশোর-ঢাকা-যশোর।
ওই দিন (বৃহস্পতিবার) স্বল্প দূরত্বের রাজবাড়ী কমিউটার (রাজবাড়ী-পোড়াদহ), ঢালারচর এক্সপ্রেস (পাবনা-রাজশাহী) ও রহনপুর কমিউটার (রহনপুর-রাজশাহী) ট্রেনের চলাচল স্থগিত রাখা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে যাত্রা স্থগিতে যাত্রীদের সাময়িক অসুবিধার জন্য রেলপথ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে।

জবাবে আফরোজা খানম বলেন, ঢাকার প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তন করে অতীতের মতো জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর করার কোনো সিদ্ধান্ত এখনো গৃহীত হয়নি। সরকার নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী বিভিন্ন জনবান্ধব কর্মসূচি বাস্তবায়নে মনোনিবেশ করেছে।
১১ ঘণ্টা আগে
পার্থ আরও বলেন, বিএনপিকে জুলাইয়ের বিরুদ্ধে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়। অথচ ট্রেজারি আসনে বসা প্রায় সবাই জেল খেটেছেন, জুলাই যোদ্ধা ছিলেন। মূলত জুলাই সনদ নিয়ে কোনো সমস্যা না, প্রশ্নটা হচ্ছে পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে।
১২ ঘণ্টা আগে
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সপ্তাহে মোট ছয় দিন ক্লাস হবে। এর মধ্যে তিন দিন শিক্ষার্থীরা সরাসরি (অফলাইন) স্কুলে উপস্থিত হয়ে ক্লাস করবে এবং বাকি তিন দিন ইন্টারনেটের মাধ্যমে (অনলাইন) পাঠদান চলবে। ক্লাসের দিন নির্ধারণে জোড়-বিজোড় তারিখ বা রোল নম্বর পদ্ধতি অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
যুগ্ম সচিব আরও জানান, ৩০ মার্চ পর্যন্ত দেশে মোট ১ লাখ ৯২ হাজার ৯১৯ টন জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে, যা দিয়ে ১৫ থেকে ১৬ দিনের চাহিদা মেটানো সম্ভব। এর মধ্যে ডিজেল ১ লাখ ২৮ হাজার ৯৩৯ টন, অকটেন ৭ হাজার ৯৪০ টন, পেট্রল ১১ হাজার ৪৩১ টন এবং জেট ফুয়েল ৪৪ হাজার ৬০৯ টন।
১৩ ঘণ্টা আগে