
কূটনৈতিক প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যেকার সম্পর্ক জোরদারের প্রত্যয় জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন। তিনি বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সুস্পষ্ট রূপরেখার আওতায় ওয়াশিংটন ঢাকার সঙ্গে সম্পর্ককে আরও উচ্চপর্যায়ে নিয়ে যেতে কাজ করছে।
বাংলাদেশে রাষ্ট্রদূত হিসেবে যোগদানের ১০০ দিন পূর্তিতে বুধবার (২২ এপ্রিল) এক ভিডিও বার্তায় রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘১০০ দিন পর আমি যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে আরও বেশি আশাবাদী। আমরা সামনে আরও কী কী অর্জন করতে পারি, তা দেখার জন্য আমি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।’
রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি ‘ঐতিহাসিক বাণিজ্য চুক্তি’ সই হয়েছে। বাণিজ্য ঘাটতি ভারসাম্যপূর্ণ করা ও পারস্পরিক সমৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে এ চুক্তি করা হয়েছে। তিনি নিরলসভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশে বাণিজ্যিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে উৎসাহিত করছেন বলেও জানান।
ক্রিস্টেনসেন বলেন, দুই দেশ অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধে সহযোগিতা করছে এবং অবাধ ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিকের জন্য একটি ‘ঘনিষ্ঠ নিরাপত্তা অংশীদারিত্ব’ গড়ে তুলছে।
বাংলাদেশে যক্ষ্মা ও হামসহ বিভিন্ন রোগ মোকাবিলায় নতুন স্বাস্থ্য অংশীদারিত্বে কাজ করছেন বলে জানান মার্কিন রাষ্ট্রদূত। বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের জন্য যুক্তরাষ্ট্র এখনো বৃহত্তম দাতা রাষ্ট্র হিসেবে রয়েছে এবং এই সংকটের একটি রাজনৈতিক সমাধানের জন্য যুক্তরাষ্ট্র প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।
রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে তার কাটানো ১০০ দিনে মানুষের কাছে উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়েছেন এবং পহেলা বৈশাখের উৎসব, ক্রিকেট ও স্থানীয় খাবারসহ দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পেরে আনন্দিত হয়েছেন বলে জানান। তিনি বলেন, এর চেয়ে বেশি কিছু চাওয়ার ছিল না। আমি একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এসেছি, ঠিক বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের আগে।
ক্রিস্টেনসেন উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্র প্রথম দেশ হিসেবে নির্বাচনের ফলাফল স্বীকৃতি দিয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, তিনি দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ ও বৃহত্তর অঞ্চলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নীতি নিয়ে কাজ করেছেন এবং আমেরিকান স্বার্থ এগিয়ে নেওয়া ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
এর আগে ক্রিস্টেনসেন গত ১৫ জানুয়ারি বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে তার পরিচয়পত্র পেশ করেন এবং বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা আরও জোরদার করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
ক্রিস্টেনসেন বলেন, গত পাঁচ দশকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং সার্বভৌমত্ব সমুন্নত রাখতে একসঙ্গে কাজ করেছে।

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যেকার সম্পর্ক জোরদারের প্রত্যয় জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন। তিনি বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সুস্পষ্ট রূপরেখার আওতায় ওয়াশিংটন ঢাকার সঙ্গে সম্পর্ককে আরও উচ্চপর্যায়ে নিয়ে যেতে কাজ করছে।
বাংলাদেশে রাষ্ট্রদূত হিসেবে যোগদানের ১০০ দিন পূর্তিতে বুধবার (২২ এপ্রিল) এক ভিডিও বার্তায় রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘১০০ দিন পর আমি যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে আরও বেশি আশাবাদী। আমরা সামনে আরও কী কী অর্জন করতে পারি, তা দেখার জন্য আমি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।’
রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি ‘ঐতিহাসিক বাণিজ্য চুক্তি’ সই হয়েছে। বাণিজ্য ঘাটতি ভারসাম্যপূর্ণ করা ও পারস্পরিক সমৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে এ চুক্তি করা হয়েছে। তিনি নিরলসভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশে বাণিজ্যিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে উৎসাহিত করছেন বলেও জানান।
ক্রিস্টেনসেন বলেন, দুই দেশ অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধে সহযোগিতা করছে এবং অবাধ ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিকের জন্য একটি ‘ঘনিষ্ঠ নিরাপত্তা অংশীদারিত্ব’ গড়ে তুলছে।
বাংলাদেশে যক্ষ্মা ও হামসহ বিভিন্ন রোগ মোকাবিলায় নতুন স্বাস্থ্য অংশীদারিত্বে কাজ করছেন বলে জানান মার্কিন রাষ্ট্রদূত। বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের জন্য যুক্তরাষ্ট্র এখনো বৃহত্তম দাতা রাষ্ট্র হিসেবে রয়েছে এবং এই সংকটের একটি রাজনৈতিক সমাধানের জন্য যুক্তরাষ্ট্র প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।
রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে তার কাটানো ১০০ দিনে মানুষের কাছে উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়েছেন এবং পহেলা বৈশাখের উৎসব, ক্রিকেট ও স্থানীয় খাবারসহ দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পেরে আনন্দিত হয়েছেন বলে জানান। তিনি বলেন, এর চেয়ে বেশি কিছু চাওয়ার ছিল না। আমি একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এসেছি, ঠিক বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের আগে।
ক্রিস্টেনসেন উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্র প্রথম দেশ হিসেবে নির্বাচনের ফলাফল স্বীকৃতি দিয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, তিনি দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ ও বৃহত্তর অঞ্চলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নীতি নিয়ে কাজ করেছেন এবং আমেরিকান স্বার্থ এগিয়ে নেওয়া ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
এর আগে ক্রিস্টেনসেন গত ১৫ জানুয়ারি বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে তার পরিচয়পত্র পেশ করেন এবং বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা আরও জোরদার করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
ক্রিস্টেনসেন বলেন, গত পাঁচ দশকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং সার্বভৌমত্ব সমুন্নত রাখতে একসঙ্গে কাজ করেছে।

দীর্ঘ ১০ বছর পর সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় প্রথম কোনো অভিযুক্ত সেনাবাহিনীর সাবেক ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
১৪ ঘণ্টা আগে
প্রজ্ঞাপনে চাকরির বিধি অনুযায়ী তারা অবসরজনিত সুবিধা প্রাপ্ত হবেন বলে জানানো হয়েছে। জনস্বার্থে এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে জুতা বিতরণের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
১৫ ঘণ্টা আগে
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ফরিদা খানমকে ঢাকার জেলা প্রশাসক (ডিসি) হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
১৫ ঘণ্টা আগে