
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সম্ভাব্য ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা হতে পারে ৪৫ হাজার ৯৮টি। এর আগে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ৪২ হাজার ১৪৮টি। সে হিসাবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তুলনায় ত্রয়োদশে ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ছে দুই হাজার ৯৫০টি, যা আগের চেয়ে প্রায় ৭ শতাংশ বেশি।
মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্যানেল প্রস্তুত ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম তদারকি সংক্রান্ত সভার পর নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয় এ তথ্য জানিয়েছে।
সভায় জানানো হয়েছে, এসব ভোটকেন্দ্রে মোট দুই লাখ ৮০ হাজার ৫৬৪টি ভোটকক্ষ থাকবে। এর আগে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকক্ষ ছিল দুই লাখ ৬১ হাজার ৫৬৪টি। সে হিসাবে ভোটকক্ষ বাড়ছে ১৯ হাজার।
সভায় আরও জানানো হয়, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ছিল ১১ কোটি ৯৬ লাখ ৮৯ হাজার ২৮৯ জন। ত্রয়োদশ নির্বাচন সামনে রেখে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম শেষে সম্ভাব্য ভোটার সংখ্যা দাঁড়াতে পারে ১২ কোটি ৭৮ লাখ ৭৩ হাজার ৭৫২ জন। এসব ভোটারের ভোটগ্রহণের দায়িত্ব পালনের জন্য ৯ লাখ ৩১ হাজার ১৩১ জন কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
ইসি সচিবালয় বলছে, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সম্ভাব্য ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা প্রয়োজন হবে আট লাখ ৮৬ হাজার ৭৯০ জন। কিন্তু আগের সব নির্বাচনেই প্রয়োজনের তুলনায় ১০ শতাংশ বেশি কর্মকর্তাকে প্যানেলভুক্ত করা হয়, যার মধ্যে প্রয়োজনীয় জনবলসহ অতিরিক্ত ৫ শতাংশ কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ ধারা বজায় রেখে ৯ লাখ ৩১ হাজার ১৩১ জন ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাকে (৫ শতাংশ বৃদ্ধিসহ) প্রশিক্ষণ দেবে নির্বাচন কমিশন।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সম্ভাব্য ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা হতে পারে ৪৫ হাজার ৯৮টি। এর আগে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ৪২ হাজার ১৪৮টি। সে হিসাবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তুলনায় ত্রয়োদশে ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ছে দুই হাজার ৯৫০টি, যা আগের চেয়ে প্রায় ৭ শতাংশ বেশি।
মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্যানেল প্রস্তুত ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম তদারকি সংক্রান্ত সভার পর নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয় এ তথ্য জানিয়েছে।
সভায় জানানো হয়েছে, এসব ভোটকেন্দ্রে মোট দুই লাখ ৮০ হাজার ৫৬৪টি ভোটকক্ষ থাকবে। এর আগে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকক্ষ ছিল দুই লাখ ৬১ হাজার ৫৬৪টি। সে হিসাবে ভোটকক্ষ বাড়ছে ১৯ হাজার।
সভায় আরও জানানো হয়, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ছিল ১১ কোটি ৯৬ লাখ ৮৯ হাজার ২৮৯ জন। ত্রয়োদশ নির্বাচন সামনে রেখে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম শেষে সম্ভাব্য ভোটার সংখ্যা দাঁড়াতে পারে ১২ কোটি ৭৮ লাখ ৭৩ হাজার ৭৫২ জন। এসব ভোটারের ভোটগ্রহণের দায়িত্ব পালনের জন্য ৯ লাখ ৩১ হাজার ১৩১ জন কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
ইসি সচিবালয় বলছে, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সম্ভাব্য ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা প্রয়োজন হবে আট লাখ ৮৬ হাজার ৭৯০ জন। কিন্তু আগের সব নির্বাচনেই প্রয়োজনের তুলনায় ১০ শতাংশ বেশি কর্মকর্তাকে প্যানেলভুক্ত করা হয়, যার মধ্যে প্রয়োজনীয় জনবলসহ অতিরিক্ত ৫ শতাংশ কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ ধারা বজায় রেখে ৯ লাখ ৩১ হাজার ১৩১ জন ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাকে (৫ শতাংশ বৃদ্ধিসহ) প্রশিক্ষণ দেবে নির্বাচন কমিশন।

দেশ জুড়ে শুরু হওয়া ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে মৌলভীবাজার ও নেত্রকোনা জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এই ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে পাঁচ জেলায় বন্যা হতে পারে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংস্থা বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
১১ ঘণ্টা আগে
২০০৪ সালে পাকিস্তান সফরের একটি তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে মুক্তিযোদ্ধা এই মন্ত্রী বলেন, সাফমা কনফারেন্সে পাকিস্তানে গিয়েছিলাম। সেখানে এক পাকিস্তানি এমপি আমার মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় জেনে জামায়াতে ইসলামীর এমপির সামনেই আমাকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেছিল। সেই অপমান আমি ভুলিনি। যখন বেশি বাড়াবাড়ি করা হয়, তখন মনে
১১ ঘণ্টা আগে
রাজশাহী-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেছেন, গণভোটকে জাতীয় সংসদে শপথের আওতায় এনে কার্যকর করা না হলে সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক জটিলতা তৈরি হতে পারে। তিনি সতর্ক করে বলেন, গণভোট বাতিল হলে সংসদ সদস্যদের পদও আইনি ঝুঁকিতে পড়তে পারে—শেষ পর্যন্ত আমও যাবে, ছালাও যাবে।
১৩ ঘণ্টা আগে