
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আগামী নির্বাচনে জনগণকে হ্যাঁ-না ভোটের বিষয়টি বোঝানো বড় চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা। তিনি বলেন, এক্ষেত্রে জনসংযোগ কর্মকর্তা এবং আঞ্চলিক তথ্য কর্মকর্তাদের এ ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ের তথ্য অধিদপ্তরে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। সভায় প্রধান তথ্য কর্মকর্তা মো. নিজামুল কবীর সভাপতিত্ব করেন।
তথ্য সচিব বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও স্বচ্ছতার সাথে করতে সরকার বদ্ধপরিকর। এ ব্যাপারে সরকারকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে হবে।
তিনি বলেন, জনগণকে নির্বাচন এবং ভোট কেন্দ্রে আসার ব্যাপারে আগ্রহী করে তুলতে হবে। বিশেষ করে তরুণ, নারী ও অনগ্রসর অঞ্চলের ভোটারদের। হ্যাঁ ও না ভোটের বিষয়টিও জনগণকে সহজভাবে বোঝাতে হবে। কারণ এই বিষয়টির সঙ্গে তারা পরিচিত নন।
তথ্য সচিব বলেন, গুজব এবং অপতথ্য দূর করতেও তথ্য কর্মকর্তাদের বিশেষ ভূমিকা রাখতে হবে। এ সময় কর্মকর্তাদের নির্বাচনি আইন ও নিয়মকানুন সম্পর্কে জেনে নেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।
তথ্য সচিব জানান, এবারের নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে মিলে প্রচার-প্রচারণার কাজটি করবে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়। নির্বাচন উপলক্ষে ৩০টি জেলায় সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানান তিনি।

আগামী নির্বাচনে জনগণকে হ্যাঁ-না ভোটের বিষয়টি বোঝানো বড় চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা। তিনি বলেন, এক্ষেত্রে জনসংযোগ কর্মকর্তা এবং আঞ্চলিক তথ্য কর্মকর্তাদের এ ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ের তথ্য অধিদপ্তরে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। সভায় প্রধান তথ্য কর্মকর্তা মো. নিজামুল কবীর সভাপতিত্ব করেন।
তথ্য সচিব বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও স্বচ্ছতার সাথে করতে সরকার বদ্ধপরিকর। এ ব্যাপারে সরকারকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে হবে।
তিনি বলেন, জনগণকে নির্বাচন এবং ভোট কেন্দ্রে আসার ব্যাপারে আগ্রহী করে তুলতে হবে। বিশেষ করে তরুণ, নারী ও অনগ্রসর অঞ্চলের ভোটারদের। হ্যাঁ ও না ভোটের বিষয়টিও জনগণকে সহজভাবে বোঝাতে হবে। কারণ এই বিষয়টির সঙ্গে তারা পরিচিত নন।
তথ্য সচিব বলেন, গুজব এবং অপতথ্য দূর করতেও তথ্য কর্মকর্তাদের বিশেষ ভূমিকা রাখতে হবে। এ সময় কর্মকর্তাদের নির্বাচনি আইন ও নিয়মকানুন সম্পর্কে জেনে নেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।
তথ্য সচিব জানান, এবারের নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে মিলে প্রচার-প্রচারণার কাজটি করবে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়। নির্বাচন উপলক্ষে ৩০টি জেলায় সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানান তিনি।

এই বিদ্যুৎ-ঘাটতির কারণে রাজধানীসহ সারা দেশে নতুন করে লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তবে মন্ত্রী এমন আশ্বাসও দিয়েছেন— আগামী দুই দিনের মধ্যে অবস্থার উন্নতি হবে।
১৩ ঘণ্টা আগে
অফিস আদেশে বলা হয়েছে, ওই সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অননুমোদিতভাবে শিক্ষাছুটিতে বিদেশে অবস্থান করা শিক্ষকদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিঠির মাধ্যমে যোগাযোগ করা হয়। তারপরও তারা কর্মস্থলে যোগ দেননি। এ কারণে তাদের স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
বৈঠক সূত্র জানিয়েছে, চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন নির্বাচন কর্মকর্তাদের নিয়ে এ বৈঠক আয়োজন করা হয়েছিল। সকাল ১১টা থেকে বিকেল পৌনে ৪টা পর্যন্ত দীর্ঘ প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে চলে বৈঠক। তাতে ইতিবাচক আলোচনা হলেও চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি এ বৈঠক থেকে।
১৪ ঘণ্টা আগে
এ টি এম আজহার বলেন, ‘আপনারা জামায়াতকে নিষিদ্ধ করার কথা বলেছেন। শুধু একটা কথা বলছি, ধরলাম আমরা নিষিদ্ধ হয়ে গেলাম। এই শূন্যস্থান পূর্ণতা করবে কে? আপনারা কি একাই দেশ চালাবেন? আপনারা কি একদলীয় শাসন কায়েম করবেন?’
১৫ ঘণ্টা আগে