
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে আইনের শাসনই শেষ কথা বলে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জাতির উদ্দেশে দেওয়া প্রথম ভাষণে মন্তব্য করেছেন তারেক রহমান।
তিনি বলেন, স্বাধীনতাপ্রিয় গণতন্ত্রকামী জনগণের কারণেই দেশে আবার মানুষের অধিকার সম্মান ও মর্যাদা পুনর্প্রতিষ্ঠার সুযোগ তৈরি হয়েছে। আমি দেশবাসীর উদ্দেশে একটি বার্তা দিতে চাই— মুসলমান-হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান তথা দলমত ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে পাহাড়ে কিংবা সমতলে যারা বসবাসকারী— এই দেশ আমাদের সবার।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি সাংবিধানিক এবং সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান চলবে বিধিবদ্ধ নীতি নিয়মে। দলীয় কিংবা রাজনৈতিক প্রভাব প্রতিপত্তি অথবা জোর জবরদস্তি নয়, আইনের শাসনই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার শেষ কথা।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর এটিই জাতির উদ্দেশে দেওয়া তার প্রথম ভাষণ। এ দিন প্রথম দিনের মতো সচিবালয়ে অফিসও করেন তিনি, করেন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক।
ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুরুতেই মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি। হাজারও শহিদের প্রাণের বিনিময়ে আমরা দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে পেরেছি। তাঁবেদারমুক্ত বাংলাদেশে জনগণের ভোটে জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক একটি নতুন সরকার যাত্রা শুরু করেছে। দেশে গণতন্ত্র এবং মানুষের অধিকার পুনর্প্রতিষ্ঠার এই যাত্রালগ্নে আমি দেশবাসীকে শুভেচ্ছা এবং আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি নাগরিকের জন্যই এই দেশকে আমরা একটি নিরাপদ ভূমিতে পরিণত করতে চাই। একটি স্বনির্ভর নিরাপদ মানবিক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাই বিএনপি সরকারের লক্ষ্য।
নতুন সরকারের অগ্রাধিকারের কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, ফ্যাসিবাদের সময়কালের দুর্নীতি দুঃশাসনে পর্যুদস্ত একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি, দুর্বল শাসন কাঠামো আর অবনতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে নতুন সরকার যাত্রা শুরু করেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং কঠোরভাবে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে জনগণের মনে শান্তি নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই আমাদের সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার।
সারা দেশে জুয়া ও মাদকের বিস্তারকেও বর্তমান সরকার আইনশৃঙ্খলা অবনতির অন্যতম কারণ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানান তারেক রহমান। এ কারণে জুয়া ও মাদক নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সব ধরনের কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে ভাষণে উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, জনজীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ উদ্যোগ গ্রহণ করছে।

রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে আইনের শাসনই শেষ কথা বলে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জাতির উদ্দেশে দেওয়া প্রথম ভাষণে মন্তব্য করেছেন তারেক রহমান।
তিনি বলেন, স্বাধীনতাপ্রিয় গণতন্ত্রকামী জনগণের কারণেই দেশে আবার মানুষের অধিকার সম্মান ও মর্যাদা পুনর্প্রতিষ্ঠার সুযোগ তৈরি হয়েছে। আমি দেশবাসীর উদ্দেশে একটি বার্তা দিতে চাই— মুসলমান-হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান তথা দলমত ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে পাহাড়ে কিংবা সমতলে যারা বসবাসকারী— এই দেশ আমাদের সবার।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি সাংবিধানিক এবং সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান চলবে বিধিবদ্ধ নীতি নিয়মে। দলীয় কিংবা রাজনৈতিক প্রভাব প্রতিপত্তি অথবা জোর জবরদস্তি নয়, আইনের শাসনই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার শেষ কথা।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর এটিই জাতির উদ্দেশে দেওয়া তার প্রথম ভাষণ। এ দিন প্রথম দিনের মতো সচিবালয়ে অফিসও করেন তিনি, করেন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক।
ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুরুতেই মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি। হাজারও শহিদের প্রাণের বিনিময়ে আমরা দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে পেরেছি। তাঁবেদারমুক্ত বাংলাদেশে জনগণের ভোটে জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক একটি নতুন সরকার যাত্রা শুরু করেছে। দেশে গণতন্ত্র এবং মানুষের অধিকার পুনর্প্রতিষ্ঠার এই যাত্রালগ্নে আমি দেশবাসীকে শুভেচ্ছা এবং আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি নাগরিকের জন্যই এই দেশকে আমরা একটি নিরাপদ ভূমিতে পরিণত করতে চাই। একটি স্বনির্ভর নিরাপদ মানবিক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাই বিএনপি সরকারের লক্ষ্য।
নতুন সরকারের অগ্রাধিকারের কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, ফ্যাসিবাদের সময়কালের দুর্নীতি দুঃশাসনে পর্যুদস্ত একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি, দুর্বল শাসন কাঠামো আর অবনতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে নতুন সরকার যাত্রা শুরু করেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং কঠোরভাবে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে জনগণের মনে শান্তি নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই আমাদের সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার।
সারা দেশে জুয়া ও মাদকের বিস্তারকেও বর্তমান সরকার আইনশৃঙ্খলা অবনতির অন্যতম কারণ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানান তারেক রহমান। এ কারণে জুয়া ও মাদক নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সব ধরনের কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে ভাষণে উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, জনজীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ উদ্যোগ গ্রহণ করছে।

এসময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘একটি জাতি গঠনে পুষ্টি সপ্তাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান শিশুরা বাড়ির পুষ্টিকর খাবার বাদ দিয়ে বাইরের ফাস্টফুড খাবার খায়। এজন্য শিশুদের নিয়মিত কাউন্সেলিং করতে হবে।’
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বলেন, আমরা মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করি। এ কারণেই সাতজন বীরশ্রেষ্ঠের নামে সাতটি গ্যালারি নামকরণ করেছি। আগের নদী ও ফুলের নাম বাদ দিয়ে এখন জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের নামে গ্যালারিগুলোর নাম দেওয়া হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে রাষ্ট্রদূত হিসেবে যোগদানের ১০০ দিন পূর্তিতে বুধবার (২২ এপ্রিল) এক ভিডিও বার্তায় রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘১০০ দিন পর আমি যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে আরও বেশি আশাবাদী। আমরা সামনে আরও কী কী অর্জন করতে পারি, তা দেখার জন্য আমি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।’
৭ ঘণ্টা আগে
প্রাথমিকভাবে যে ১০টি দেশ চিহ্নিত করা হয়েছে সেগুলো হলো— যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, থাইল্যান্ড, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও হংকং। এর মধ্যে মালয়েশিয়া, হংকং ও সংযুক্ত আরব আমিরাত চুক্তি সইয়ের বিষয়ে সম্মতি দিয়েছে। বাকি সাতটি দেশের সঙ্গে চুক্তি সইয়ের বিষয়টি
১৫ ঘণ্টা আগে