
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

পদত্যাগপত্র গৃহীত হওয়ার দুই দিন পরে অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমানকে আবারও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। আগের মতোই তিনি স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করবেন। তাকে প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনটি জারি করেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশিদ।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের চিফ অ্যাডভাইজার রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬ এর রুল ৩বি (১) অনুযায়ী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমানকে বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে রুল ৩বি (২) অনুযায়ী তাকে মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী ক্ষমতা অর্পণ করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বিশেষ সহকারী পদে অধিষ্ঠিত থাকাকালীন তিনি প্রতিমন্ত্রীর সমমানের বেতন-ভাতা ও আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা পাবেন। এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের নভেম্বরে স্বাস্থ্য, স্বরাষ্ট্র ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টাদের সহযোগিতার জন্য প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় তিনজনকে বিশেষ সহকারী নিয়োগ দিয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার। মন্ত্রণালয়গুলোর নির্বাহী ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল তাদের।
এর মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারীর দায়িত্ব পেয়েছিলেন পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) খোদা বকশ চৌধুরী। গত ২৪ ডিসেম্বর তিনি পদত্যাগ করেছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা অধ্যাপক এম আমিনুল ইসলামও কয়েক মাস আগেই পদত্যাগ করেন।
আর স্বাস্থ্যের দায়িত্ব পাওয়া বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান সম্প্রতি পদত্যাগপত্র জমা দিলে গত মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) তা গৃহীত হয়।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, মূলত বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অবসর-সংক্রান্ত জটিলতা এড়াতেই তিনি পদত্যাগপত্র দিয়েছিলেন। তা গৃহীত হওয়ার দুই দিন পরেই আজ বৃহস্পতিবার তিনি আবারও একই পদে নিয়োগ পেলেন।

পদত্যাগপত্র গৃহীত হওয়ার দুই দিন পরে অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমানকে আবারও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। আগের মতোই তিনি স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করবেন। তাকে প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনটি জারি করেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশিদ।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের চিফ অ্যাডভাইজার রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬ এর রুল ৩বি (১) অনুযায়ী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমানকে বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে রুল ৩বি (২) অনুযায়ী তাকে মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী ক্ষমতা অর্পণ করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বিশেষ সহকারী পদে অধিষ্ঠিত থাকাকালীন তিনি প্রতিমন্ত্রীর সমমানের বেতন-ভাতা ও আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা পাবেন। এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের নভেম্বরে স্বাস্থ্য, স্বরাষ্ট্র ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টাদের সহযোগিতার জন্য প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় তিনজনকে বিশেষ সহকারী নিয়োগ দিয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার। মন্ত্রণালয়গুলোর নির্বাহী ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল তাদের।
এর মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারীর দায়িত্ব পেয়েছিলেন পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) খোদা বকশ চৌধুরী। গত ২৪ ডিসেম্বর তিনি পদত্যাগ করেছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা অধ্যাপক এম আমিনুল ইসলামও কয়েক মাস আগেই পদত্যাগ করেন।
আর স্বাস্থ্যের দায়িত্ব পাওয়া বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান সম্প্রতি পদত্যাগপত্র জমা দিলে গত মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) তা গৃহীত হয়।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, মূলত বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অবসর-সংক্রান্ত জটিলতা এড়াতেই তিনি পদত্যাগপত্র দিয়েছিলেন। তা গৃহীত হওয়ার দুই দিন পরেই আজ বৃহস্পতিবার তিনি আবারও একই পদে নিয়োগ পেলেন।

ইসি মাছউদ বলেন, আমরা বিভিন্ন জায়গায় যাচ্ছি। জাতিকে ভাল নির্বাচন দেয়ার জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তা, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা, নির্বাচনের কাজে নিয়োজিত ১৮ লাখ কর্মকর্তা-কর্মচারী, পুলিশ বাহিনী, বিজিবি, সেনাবাহিনী, আনসার সবই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। সে ধরনের মানসিকতা তাদের মাঝে রয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ২ হাজার ২৬ জন প্রার্থীর মধ্যে আয়কর রিটার্নের কপি জমা না দেওয়ায় ‘প্রায় অর্ধেকের মনোনয়ন অসম্পূর্ণ’ বলে দাবি করেছে সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন।
৫ ঘণ্টা আগে
শনিবার এক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে সিপিডি জানায়, আওয়ামী লীগের বিপুলসংখ্যক সমর্থক ও ভোটার চূড়ান্ত নির্বাচনি ফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। তাদের মতামত ও অংশগ্রহণ উপেক্ষা করা হলে নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে।
৫ ঘণ্টা আগে
এবার ভোটারদের সুবিধার্থে ভোটকেন্দ্র ও ভোটার নম্বর জানার চারটি সহজ পদ্ধতি চালু করেছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এসব পদ্ধতির মাধ্যমে ভোটাররা দ্রুত ও নির্ভুলভাবে ভোটার নম্বর এবং ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানতে পারবেন।
৫ ঘণ্টা আগে