
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাষ্ট্রের অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (ভিভিআইপি) ঘোষণা করা হয় বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনীর (এসএসএফ) নিরাপত্তা পাচ্ছেন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন গুরুতর অসুস্থ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তবে তার পরিবারের অন্য কোনো সদস্যই এই বিশেষ নিরাপত্তা পাবেন না।
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিকে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
উপদেষ্টার বক্তব্য অনুযায়ী, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরলে তিনিও এসএসএফের নিরাপত্তা পাবেন না।
এর আগে বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক হয়। ওই বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানাতে সংবাদ সম্মেলন করেন উপদেষ্টা রিজওয়ানা। এ সময় সাংবাদিকরা জানতে চান, খালেদা জিয়া ছাড়া তার পরিবারের সদস্যরা এসএসএফের নিরাপত্তা পাবেন কি না।
এ প্রশ্নের জবাবে পরিবেশ ও বন উপদেষ্টা রিজওয়ানা বলেন, গেজেট অনুযায়ী খালেদা জিয়া সুযোগ-সুবিধা পাবেন। তবে জিয়া পরিবারের অন্যান্য সদস্য এই সুবিধা পাবেন না।
এদিকে গুরুতর অসুস্থ খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তার পরিবার। এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান উপদেষ্টার উপপ্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেন, খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তার পরিবার বিদেশে নিতে চাইলে তার সব প্রস্তুতি সরকারের রয়েছে। এ ব্যাপারে সরকার সহযোগিতা করছে, বিএনপি চাইলে আরও সহায়তা দেওয়া হবে।
এর আগে গত মঙ্গলবার খালেদা জিয়াকে ভিভিআইপি বা রাষ্ট্রের অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার। এরপর থেকেই তার নিরাপত্তায় নিয়োজিত হয়েছে এসএসএফ। খালেদা জিয়া যে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, সেখানেও মোতায়েন করা হয়েছে এসএসএফ।
খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নিয়ে যেতে বিএনপির পক্ষ থেকে ১৪ সফরসঙ্গীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। সেখানেও এসএসএফের দুজন সদস্যের নাম রয়েছে।

রাষ্ট্রের অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (ভিভিআইপি) ঘোষণা করা হয় বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনীর (এসএসএফ) নিরাপত্তা পাচ্ছেন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন গুরুতর অসুস্থ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তবে তার পরিবারের অন্য কোনো সদস্যই এই বিশেষ নিরাপত্তা পাবেন না।
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিকে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
উপদেষ্টার বক্তব্য অনুযায়ী, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরলে তিনিও এসএসএফের নিরাপত্তা পাবেন না।
এর আগে বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক হয়। ওই বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানাতে সংবাদ সম্মেলন করেন উপদেষ্টা রিজওয়ানা। এ সময় সাংবাদিকরা জানতে চান, খালেদা জিয়া ছাড়া তার পরিবারের সদস্যরা এসএসএফের নিরাপত্তা পাবেন কি না।
এ প্রশ্নের জবাবে পরিবেশ ও বন উপদেষ্টা রিজওয়ানা বলেন, গেজেট অনুযায়ী খালেদা জিয়া সুযোগ-সুবিধা পাবেন। তবে জিয়া পরিবারের অন্যান্য সদস্য এই সুবিধা পাবেন না।
এদিকে গুরুতর অসুস্থ খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তার পরিবার। এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান উপদেষ্টার উপপ্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেন, খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তার পরিবার বিদেশে নিতে চাইলে তার সব প্রস্তুতি সরকারের রয়েছে। এ ব্যাপারে সরকার সহযোগিতা করছে, বিএনপি চাইলে আরও সহায়তা দেওয়া হবে।
এর আগে গত মঙ্গলবার খালেদা জিয়াকে ভিভিআইপি বা রাষ্ট্রের অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার। এরপর থেকেই তার নিরাপত্তায় নিয়োজিত হয়েছে এসএসএফ। খালেদা জিয়া যে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, সেখানেও মোতায়েন করা হয়েছে এসএসএফ।
খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নিয়ে যেতে বিএনপির পক্ষ থেকে ১৪ সফরসঙ্গীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। সেখানেও এসএসএফের দুজন সদস্যের নাম রয়েছে।

২০২৫ সালের হিসাব অনুযায়ী, উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন ৯১ কোটি ৬৫ লাখ ১০ হাজার ৮৯৫ টাকা পরিমাণ সম্পদের মালিক। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এই উপদেষ্টার সম্পদ উপদেষ্টা পরিষদের বাকি সবার সম্মিলিত সম্পদের চেয়েও বেশি।
১৩ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, আমি সকল প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর প্রতি আন্তরিক আহ্বান জানাই— নির্বাচনের ফলাফল যা-ই হোক না কেন, ব্যক্তিগত বা দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জাতির বৃহত্তর স্বার্থকে প্রাধান্য দিন।
১৩ ঘণ্টা আগে
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টাদের ২০২৪ ও ২০২৫ সালের সম্পদের বিবরণী থেকে দেখা যায়, এক বছরের ব্যবধানে এই উপদেষ্টার সম্পদ কমলেও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে তার স্ত্রীর সম্পদ। বর্তমানে ফারুকীর মোট সম্পদের চেয়ে তিশার সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৮৪ লাখ টাকা বেশি।
১৩ ঘণ্টা আগে
৫০তম বিসিএসে ক্যাডার ও নন-ক্যাডার মিলিয়ে মোট ২ হাজার ১৫০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে ১ হাজার ৭৫৫টি ক্যাডার পদের বিপরীতে এই নিয়োগ কার্যক্রম চলছে। ক্যাডার পদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি নিয়োগ হবে স্বাস্থ্য ক্যাডারে, যেখানে শূন্য পদের সংখ্যা ৬৫০টি। এছাড়া প্রশাসন ক্যাডারে ২০০ জন, পুলিশ ক্যাডারে ১১৭ জন
১৪ ঘণ্টা আগে