
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের সিদ্ধান্ত তার নিজের ওপরই নির্ভর করছে বলে মনে করেন ঢাকায় ভারতের হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে দুই পক্ষের উদ্দেশ্য ‘জনগণকেন্দ্রিক’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন ভারতীয় হাই কমিশনার।
গত ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জিতে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পরপরই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দ্বিপক্ষীয় সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছিল নরেন্দ্র মোদীর সরকার।
এছাড়া সেপ্টেম্বরে নয়া দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস সম্মেলনের আউটরিচ অধিবেশনেও বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
তবে গত ৫ অগাস্ট দিল্লির সংবাদ সম্মেলনে শেখ হাসিনা বক্তব্য দেওয়ার পর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিল ঢাকা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের আলোচনার মধ্যে এ ঘটনায় দিল্লিকে ‘কূটনৈতিক অনুকূল পরিবেশ’ তৈরিসহ দুটি শর্ত দেয় ঢাকা।
সফরের ক্ষেত্রে ঢাকার সিদ্ধান্তের আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা এবং ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির হত্যার আসামিদের বাংলাদেশের হাতে তুলে দেওয়ার কথা বলেছে ঢাকা।
২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট ক্ষমতাচ্যুত হয়ে বাংলাদেশ ছাড়ার পর থেকে শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পর তাকে দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য নয়াদিল্লির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানায় ঢাকা।
ভারত বলে আসছে, বাংলাদেশের অনুরোধ তারা ‘যথাযথ আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায়’ পর্যালোচনা করছে।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের জন্য বর্তমান পরিবেশ অনুকূল কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, “এটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার। বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একজন অত্যন্ত বুদ্ধিমান ও জনবান্ধব ব্যক্তি। তাই বিষয়টি আমরা মনে করি, বিষয়টি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ওপরই ছেড়ে দেওয়া উচিত।
“আর বন্ধুত্বের সম্পর্কের ক্ষেত্রে কী কী করা হবে বা এজেন্ডা কী হবে—এ বিষয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই যে, উভয় পক্ষের উদ্দেশ্যই জনকল্যাণমুখী। আর যখন উদ্দেশ্য জনকল্যাণমুখী থাকে, তখন কাজও এগিয়ে যাবে।”
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে নতুন করে আলোচনা শুরুর অগ্রগতি নিয়ে আরেক প্রশ্নে ভারতীয় হাই কমিশনার বলেন, “গণতন্ত্রে আলোচনার কোনো শেষ নেই। যদি আলোচনা শেষ হয়ে যায়, তাহলে ওইটা গণতন্ত্র না।”
আলোচনাকে নদীর প্রবাহের সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, গঙ্গা ও পদ্মার মতো আলোচনা চলতেই থাকবে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় এই আলোচনা থেমে থাকার সুযোগ নেই।
দুই দেশের সংসদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর বিষয়ও বৈঠকে গুরুত্ব পেয়েছে তুলে ধরে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, তিনি স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের কাছে বাংলাদেশ ও ভারতের সংসদ সদস্যদের নিয়ে একটি ‘ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ’ গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন।
তিনি বলেন, দলীয় বিভাজনের বাইরে গিয়ে দুই দেশের সংসদ সদস্যরা এই কাঠামোয় একসঙ্গে কাজ করতে পারেন।
রাজনীতি নিজস্ব গতিতে চলবে মন্তব্য করে ভারতীয় হাই কশিনার বলেন, সংসদ জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে। সেই জায়গা থেকে দুই দেশের সংসদের মধ্যে যোগাযোগ আরও বাড়ানো সম্ভব।
স্পিকার এ প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছেন তুলে ধরে তিনি বলেন, দুই দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগকে ধারাবাহিক প্রক্রিয়ায় রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রেও এ সংসদীয় উদ্যোগ ভূমিকা রাখতে পারে।
ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার পক্ষ থেকে বাংলাদেশের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে ভারত সফরের আমন্ত্রণও জানান হাই কমিশনার। দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, বুধবার সকালে ওম বিড়লার সঙ্গে তার কথা হয়েছে। বাংলাদেশে আসার কথা জানালে তিনি বাংলাদেশের স্পিকারকে শুভেচ্ছা পৌঁছে দিতে বলেন।
একই সঙ্গে বাংলাদেশের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে ভারতীয় সংসদ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ওম বিড়লা। বৈঠকে সংসদের কার্যক্রম ডিজিটাল করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, তিনি ভারতের সংসদের ডিজিটাইজেশনবিষয়ক একটি কমিটির চেয়ারম্যান। ভারতের সংসদের লাইব্রেরিসহ পুরোনো সংসদীয় নথি ডিজিটাল করা হয়েছে।
সংসদ সদস্যরা স্মার্টফোনে অধিবেশনের কার্যসূচিসহ প্রয়োজনীয় নথি দেখতে পারেন। তবে যারা কাগজ ব্যবহার করতে চান, তাদের জন্য সেই ব্যবস্থাও রয়েছে, বলেন তিনি।
ভারতীয় হাই কমিশনার বলেন, ভারতের সংসদের পুরোনো অধিবেশন এবং বিভিন্ন প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যও ডিজিটাল ব্যবস্থায় খুঁজে পাওয়া যায়।
স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকে ক্রীড়া বিষয়েও আলোচনা হওয়ার কথা বলেছেন দীনেশ ত্রিবেদী। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের ক্রীড়া অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, চুনি গোস্বামী থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক ক্রিকেট পর্যন্ত নানা বিষয় নিয়ে তাদের কথা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের সিদ্ধান্ত তার নিজের ওপরই নির্ভর করছে বলে মনে করেন ঢাকায় ভারতের হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে দুই পক্ষের উদ্দেশ্য ‘জনগণকেন্দ্রিক’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন ভারতীয় হাই কমিশনার।
গত ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জিতে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পরপরই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দ্বিপক্ষীয় সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছিল নরেন্দ্র মোদীর সরকার।
এছাড়া সেপ্টেম্বরে নয়া দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস সম্মেলনের আউটরিচ অধিবেশনেও বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
তবে গত ৫ অগাস্ট দিল্লির সংবাদ সম্মেলনে শেখ হাসিনা বক্তব্য দেওয়ার পর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিল ঢাকা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের আলোচনার মধ্যে এ ঘটনায় দিল্লিকে ‘কূটনৈতিক অনুকূল পরিবেশ’ তৈরিসহ দুটি শর্ত দেয় ঢাকা।
সফরের ক্ষেত্রে ঢাকার সিদ্ধান্তের আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা এবং ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির হত্যার আসামিদের বাংলাদেশের হাতে তুলে দেওয়ার কথা বলেছে ঢাকা।
২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট ক্ষমতাচ্যুত হয়ে বাংলাদেশ ছাড়ার পর থেকে শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পর তাকে দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য নয়াদিল্লির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানায় ঢাকা।
ভারত বলে আসছে, বাংলাদেশের অনুরোধ তারা ‘যথাযথ আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায়’ পর্যালোচনা করছে।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের জন্য বর্তমান পরিবেশ অনুকূল কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, “এটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার। বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একজন অত্যন্ত বুদ্ধিমান ও জনবান্ধব ব্যক্তি। তাই বিষয়টি আমরা মনে করি, বিষয়টি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ওপরই ছেড়ে দেওয়া উচিত।
“আর বন্ধুত্বের সম্পর্কের ক্ষেত্রে কী কী করা হবে বা এজেন্ডা কী হবে—এ বিষয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই যে, উভয় পক্ষের উদ্দেশ্যই জনকল্যাণমুখী। আর যখন উদ্দেশ্য জনকল্যাণমুখী থাকে, তখন কাজও এগিয়ে যাবে।”
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে নতুন করে আলোচনা শুরুর অগ্রগতি নিয়ে আরেক প্রশ্নে ভারতীয় হাই কমিশনার বলেন, “গণতন্ত্রে আলোচনার কোনো শেষ নেই। যদি আলোচনা শেষ হয়ে যায়, তাহলে ওইটা গণতন্ত্র না।”
আলোচনাকে নদীর প্রবাহের সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, গঙ্গা ও পদ্মার মতো আলোচনা চলতেই থাকবে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় এই আলোচনা থেমে থাকার সুযোগ নেই।
দুই দেশের সংসদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর বিষয়ও বৈঠকে গুরুত্ব পেয়েছে তুলে ধরে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, তিনি স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের কাছে বাংলাদেশ ও ভারতের সংসদ সদস্যদের নিয়ে একটি ‘ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ’ গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন।
তিনি বলেন, দলীয় বিভাজনের বাইরে গিয়ে দুই দেশের সংসদ সদস্যরা এই কাঠামোয় একসঙ্গে কাজ করতে পারেন।
রাজনীতি নিজস্ব গতিতে চলবে মন্তব্য করে ভারতীয় হাই কশিনার বলেন, সংসদ জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে। সেই জায়গা থেকে দুই দেশের সংসদের মধ্যে যোগাযোগ আরও বাড়ানো সম্ভব।
স্পিকার এ প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছেন তুলে ধরে তিনি বলেন, দুই দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগকে ধারাবাহিক প্রক্রিয়ায় রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রেও এ সংসদীয় উদ্যোগ ভূমিকা রাখতে পারে।
ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার পক্ষ থেকে বাংলাদেশের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে ভারত সফরের আমন্ত্রণও জানান হাই কমিশনার। দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, বুধবার সকালে ওম বিড়লার সঙ্গে তার কথা হয়েছে। বাংলাদেশে আসার কথা জানালে তিনি বাংলাদেশের স্পিকারকে শুভেচ্ছা পৌঁছে দিতে বলেন।
একই সঙ্গে বাংলাদেশের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে ভারতীয় সংসদ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ওম বিড়লা। বৈঠকে সংসদের কার্যক্রম ডিজিটাল করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, তিনি ভারতের সংসদের ডিজিটাইজেশনবিষয়ক একটি কমিটির চেয়ারম্যান। ভারতের সংসদের লাইব্রেরিসহ পুরোনো সংসদীয় নথি ডিজিটাল করা হয়েছে।
সংসদ সদস্যরা স্মার্টফোনে অধিবেশনের কার্যসূচিসহ প্রয়োজনীয় নথি দেখতে পারেন। তবে যারা কাগজ ব্যবহার করতে চান, তাদের জন্য সেই ব্যবস্থাও রয়েছে, বলেন তিনি।
ভারতীয় হাই কমিশনার বলেন, ভারতের সংসদের পুরোনো অধিবেশন এবং বিভিন্ন প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যও ডিজিটাল ব্যবস্থায় খুঁজে পাওয়া যায়।
স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকে ক্রীড়া বিষয়েও আলোচনা হওয়ার কথা বলেছেন দীনেশ ত্রিবেদী। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের ক্রীড়া অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, চুনি গোস্বামী থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক ক্রিকেট পর্যন্ত নানা বিষয় নিয়ে তাদের কথা হয়েছে।

সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশের আট বিভাগেই আগামী পাঁচ দিন দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ সময় দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের শনাক্ত করতে গত ১৮ আগস্ট চালু হয়েছে এআই তথা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর ক্যামেরা ও ‘অটো ফাইন’ তথা স্বয়ংক্রিয় জরিমানার ব্যবস্থা। রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর সাইনবোর্ড থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ক এই নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
২০২৭ সালের হজের নিবন্ধন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সৌদি সরকারের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী আগামী ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে হজযাত্রীদের নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের পর নিবন্ধনের সময় আর বাড়ানো হবে না।
১৯ ঘণ্টা আগে
আমীরুল ইসলাম শিশুদের জন্য ছড়া ও গল্পসহ নানা ধরনের সৃজনশীল লেখালেখিতে যুক্ত ছিলেন। দুই শতাধিক বই লিখেছেন তিনি। চ্যানেল আইয়ের অনুষ্ঠান বিভাগের প্রধান ছিলেন দীর্ঘদিন ধরে।
১ দিন আগে