
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সংবিধান সংশোধনে ১৫ থেকে ২০ সদস্যের একটি বিশেষ সংসদীয় কমিটি গঠন করার কথা বলেছেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম। এ কমিটিতে সরকারি দল, বিরোধী দল, অন্যান্য দল এবং স্বতন্ত্র সদস্যদেরও রাখার চিন্তা আছে বলে জানিয়েছেন তিনি। তার দেওয়া সময়সীমা অনুযায়ী, আগামী রোববারের মধ্যেই কমিটি গঠনের অগ্রগতি দেখা যেতে পারে।
বুধবার (১ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংসদ কমিটির তৃতীয় বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন চিফ হুইপ।
জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান সম্পর্কিত ৪৮টি সংস্কার প্রস্তাবের বাস্তবায়ন কীভাবে হবে, তা ঠিক করে দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ’ জারি করা হয়। আর এসব সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নের বিষয়ে জনগণের সম্মতি নিতে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচনের দিন চারটি প্রশ্নে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়।
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হওয়ায় ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ’ অনুযায়ী, বর্তমান সংসদের সদস্যদের সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবেও ভূমিকা রাখার কথা। সংসদের মতোই সংসদ নির্বাচনের ফল ঘোষিত হওয়ার ৩০ পঞ্জিকা দিবসের মধ্যে পরিষদের প্রথম অধিবেশন ডাকার কথা।
জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অনুসারে, নির্বাচনে জয়ী ব্যক্তিরা একই দিনে সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে দুটি শপথ নেওয়ার কথা ছিল। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সে অনুযায়ী প্রস্তুতি রেখেছিল সংসদ সচিবালয়।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) বিরোধী দলের সদস্যরা সেদিন দুটি শপথ নিলেও বিএনপির সংসদ সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি। ফলে নির্ধারিত সময়ে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠিত হয়নি।
গত রোববার বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াত আমির শফিকুর রহমান কার্যপ্রণালী-বিধির ৬২ বিধি অনুসারে জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মুলতবি প্রস্তাব উত্থাপনের নোটিশ দেন। এ নোটিশের ওপর পরদিন মঙ্গলবার সংসদে আলোচনা হয়েছে।
সরকারি দলের পক্ষ থেকে সংবিধান সংশোধনে সংসদে থাকা সব দলের ও স্বতন্ত্র সদস্যদের সমন্বয়ে সংসদীয় বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব এসেছে। তবে বিরোধী দল কমিটিতে উভয় পক্ষের সমান প্রতিনিধিত্ব চায়।
সেদিন সংসদে জুলাই সনদের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষে এ কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। পরে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান এতে সমর্থন দেন।
সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা মো. শফিকুর রহমান এ কমিটি গঠনের বিষয়ে বলেন, সরকারি ও বিরোধী বেঞ্চ থেকে সমান প্রতিনিধিত্ব রেখে এমন কমিটি করা হলে তারা তা ইতিবাচকভাবে দেখবেন।
আজ বুধবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম বলেন, 'সংবিধান সংশোধনের জন্য একটা কমিটি হবে। সেখানে সব দলের প্রতিনিধি রাখতে চাই আনুপাতিক হারে। স্বতন্ত্র থেকেও আমরা রাখতে চাই। সকলের মতামত নিয়ে সংবিধান সংশোধনের জন্য একটি কমিটি অচিরেই করব। আগামী রোববারের মধ্যে আপনারা দেখবেন হয়তো… খুব শিগগিরই এটা করব।'
কমিটিতে কতজন সদস্য থাকবেন, সে প্রশ্নে তিনি বলেন, 'এটা একটা উদ্ভূত পরিস্থিতি। এখানে সরকারি দলের যারা আইন বিশেষজ্ঞ আছেন, তাদের রাখতে চাই। বিরোধী দলের যারা আইন বিশেষজ্ঞ আছেন, তাদের রাখতে চায়। আইন বিশেষজ্ঞ না থাকলে অন্যান্য দলের প্রতিনিধি রাখতে চাই। সবমিলিয়ে ২০ বা ১৮ বা ১৫ সদস্যের কমিটি করতে চাই। এটা নির্দিষ্ট না।'
সংবিধান সংশোধনের লক্ষ্য সম্পর্কে চিফ হুইপ বলেন, 'সংবিধান সংশোধনকে এমন পর্যায়ে নিতে চাই, যাতে বারবার আমাদের কাঁচি চালাতে না হয়।'
বিরোধী দল বিশেষ কমিটিতে না থাকার কথা বলছে। এর প্রতিক্রিয়ায় নূরুল ইসলাম বলেন, 'তাদের এ অবস্থান সঠিক হবে না। আজ বা কাল হোক সংবিধান সংশোধন আমাদের করতেই হবে। সংবিধান সংশোধন কমিটিতে তাদের আমরা চাই। এক হাতে যেমন হ্যান্ডশেক হয় না, কাঁচির একটা অংশ দিয়ে যেমন চুল কাটা যাবে না, দুটোই লাগবে। আমরা সেটাই চাই ওনারা থাকুক। তারা কমিটিতে থাকবেন বলে আমরা আশা করি।'
চিফ হুইপের মতে, সংবিধান সংশোধন ছাড়া কোনো রাস্তা নেই। তিনি বলেন, 'জুলাই সনদ অনুযায়ী এটা করা উচিত। এটা আমরা দেশের জন্যই করবো। এতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বা আমার কোনো বিশেষ সুবিধা হবে? ওনার বিশেষ কোনো ক্ষতি হবে? যেটা দেশের জনগণের কল্যাণে হবে, তাতে দ্বিমত করার কিছু আছে বলে মনে করি না।'
সংসদ কমিটির বুধবারের বৈঠকের তথ্য দিয়ে সংসদ সচিবালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বৈঠকে সংসদ অধিবেশন কক্ষে এমন সাউন্ড সিস্টেম বসানোর সুপারিশ করা হয়েছে, যা শব্দ তৈরি হওয়ার এক সেকেন্ড বা তার কম সময়ের মধ্যে তা শোষণ করতে পারবে এবং প্রতিধ্বনি থাকবে না। অধিবেশন কক্ষে ইন্টারনেটের ধীরগতি দূর করার ব্যবস্থাও নিতে বলা হয়েছে।
এ ছাড়া বৈঠকে সংসদ এলাকায় পর্যাপ্ত সুপেয় পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং আগামী ১০ তারিখের মধ্যে বাসা প্রস্তুত করে সংসদ সদস্যদের বরাদ্দ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়।
সংসদ কমিটির বুধবারের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি ও চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম। বৈঠকে আরও অংশ নেন কমিটির সদস্য মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, মো. শহিদুল ইসলাম, নায়াব ইউসুফ আহমেদ, এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, অলি উল্লাহ, সাইফুল আলম মিলন এবং আবুল হাসনাত।

সংবিধান সংশোধনে ১৫ থেকে ২০ সদস্যের একটি বিশেষ সংসদীয় কমিটি গঠন করার কথা বলেছেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম। এ কমিটিতে সরকারি দল, বিরোধী দল, অন্যান্য দল এবং স্বতন্ত্র সদস্যদেরও রাখার চিন্তা আছে বলে জানিয়েছেন তিনি। তার দেওয়া সময়সীমা অনুযায়ী, আগামী রোববারের মধ্যেই কমিটি গঠনের অগ্রগতি দেখা যেতে পারে।
বুধবার (১ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংসদ কমিটির তৃতীয় বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন চিফ হুইপ।
জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান সম্পর্কিত ৪৮টি সংস্কার প্রস্তাবের বাস্তবায়ন কীভাবে হবে, তা ঠিক করে দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ’ জারি করা হয়। আর এসব সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নের বিষয়ে জনগণের সম্মতি নিতে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচনের দিন চারটি প্রশ্নে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়।
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হওয়ায় ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ’ অনুযায়ী, বর্তমান সংসদের সদস্যদের সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবেও ভূমিকা রাখার কথা। সংসদের মতোই সংসদ নির্বাচনের ফল ঘোষিত হওয়ার ৩০ পঞ্জিকা দিবসের মধ্যে পরিষদের প্রথম অধিবেশন ডাকার কথা।
জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অনুসারে, নির্বাচনে জয়ী ব্যক্তিরা একই দিনে সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে দুটি শপথ নেওয়ার কথা ছিল। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সে অনুযায়ী প্রস্তুতি রেখেছিল সংসদ সচিবালয়।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) বিরোধী দলের সদস্যরা সেদিন দুটি শপথ নিলেও বিএনপির সংসদ সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি। ফলে নির্ধারিত সময়ে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠিত হয়নি।
গত রোববার বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াত আমির শফিকুর রহমান কার্যপ্রণালী-বিধির ৬২ বিধি অনুসারে জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মুলতবি প্রস্তাব উত্থাপনের নোটিশ দেন। এ নোটিশের ওপর পরদিন মঙ্গলবার সংসদে আলোচনা হয়েছে।
সরকারি দলের পক্ষ থেকে সংবিধান সংশোধনে সংসদে থাকা সব দলের ও স্বতন্ত্র সদস্যদের সমন্বয়ে সংসদীয় বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব এসেছে। তবে বিরোধী দল কমিটিতে উভয় পক্ষের সমান প্রতিনিধিত্ব চায়।
সেদিন সংসদে জুলাই সনদের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষে এ কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। পরে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান এতে সমর্থন দেন।
সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা মো. শফিকুর রহমান এ কমিটি গঠনের বিষয়ে বলেন, সরকারি ও বিরোধী বেঞ্চ থেকে সমান প্রতিনিধিত্ব রেখে এমন কমিটি করা হলে তারা তা ইতিবাচকভাবে দেখবেন।
আজ বুধবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম বলেন, 'সংবিধান সংশোধনের জন্য একটা কমিটি হবে। সেখানে সব দলের প্রতিনিধি রাখতে চাই আনুপাতিক হারে। স্বতন্ত্র থেকেও আমরা রাখতে চাই। সকলের মতামত নিয়ে সংবিধান সংশোধনের জন্য একটি কমিটি অচিরেই করব। আগামী রোববারের মধ্যে আপনারা দেখবেন হয়তো… খুব শিগগিরই এটা করব।'
কমিটিতে কতজন সদস্য থাকবেন, সে প্রশ্নে তিনি বলেন, 'এটা একটা উদ্ভূত পরিস্থিতি। এখানে সরকারি দলের যারা আইন বিশেষজ্ঞ আছেন, তাদের রাখতে চাই। বিরোধী দলের যারা আইন বিশেষজ্ঞ আছেন, তাদের রাখতে চায়। আইন বিশেষজ্ঞ না থাকলে অন্যান্য দলের প্রতিনিধি রাখতে চাই। সবমিলিয়ে ২০ বা ১৮ বা ১৫ সদস্যের কমিটি করতে চাই। এটা নির্দিষ্ট না।'
সংবিধান সংশোধনের লক্ষ্য সম্পর্কে চিফ হুইপ বলেন, 'সংবিধান সংশোধনকে এমন পর্যায়ে নিতে চাই, যাতে বারবার আমাদের কাঁচি চালাতে না হয়।'
বিরোধী দল বিশেষ কমিটিতে না থাকার কথা বলছে। এর প্রতিক্রিয়ায় নূরুল ইসলাম বলেন, 'তাদের এ অবস্থান সঠিক হবে না। আজ বা কাল হোক সংবিধান সংশোধন আমাদের করতেই হবে। সংবিধান সংশোধন কমিটিতে তাদের আমরা চাই। এক হাতে যেমন হ্যান্ডশেক হয় না, কাঁচির একটা অংশ দিয়ে যেমন চুল কাটা যাবে না, দুটোই লাগবে। আমরা সেটাই চাই ওনারা থাকুক। তারা কমিটিতে থাকবেন বলে আমরা আশা করি।'
চিফ হুইপের মতে, সংবিধান সংশোধন ছাড়া কোনো রাস্তা নেই। তিনি বলেন, 'জুলাই সনদ অনুযায়ী এটা করা উচিত। এটা আমরা দেশের জন্যই করবো। এতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বা আমার কোনো বিশেষ সুবিধা হবে? ওনার বিশেষ কোনো ক্ষতি হবে? যেটা দেশের জনগণের কল্যাণে হবে, তাতে দ্বিমত করার কিছু আছে বলে মনে করি না।'
সংসদ কমিটির বুধবারের বৈঠকের তথ্য দিয়ে সংসদ সচিবালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বৈঠকে সংসদ অধিবেশন কক্ষে এমন সাউন্ড সিস্টেম বসানোর সুপারিশ করা হয়েছে, যা শব্দ তৈরি হওয়ার এক সেকেন্ড বা তার কম সময়ের মধ্যে তা শোষণ করতে পারবে এবং প্রতিধ্বনি থাকবে না। অধিবেশন কক্ষে ইন্টারনেটের ধীরগতি দূর করার ব্যবস্থাও নিতে বলা হয়েছে।
এ ছাড়া বৈঠকে সংসদ এলাকায় পর্যাপ্ত সুপেয় পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং আগামী ১০ তারিখের মধ্যে বাসা প্রস্তুত করে সংসদ সদস্যদের বরাদ্দ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়।
সংসদ কমিটির বুধবারের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি ও চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম। বৈঠকে আরও অংশ নেন কমিটির সদস্য মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, মো. শহিদুল ইসলাম, নায়াব ইউসুফ আহমেদ, এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, অলি উল্লাহ, সাইফুল আলম মিলন এবং আবুল হাসনাত।

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা না দেওয়ায় ১২৫ বার তারিখ পেছাল। আলোচিত এ মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৭ মে পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন আদালত।
২ ঘণ্টা আগে
সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে ঘোষিত কার্যক্রমসমূহ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আগামী ৫ বছরের কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশের আরও ৪ জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। বুধবার (১ এপ্রিল) রাজবাড়ী, ঠাকুরগাঁও, পাবনা ও রংপুর জেলায় নতুন ডিসি নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
৩ ঘণ্টা আগে
আগামী শিক্ষাবর্ষে ৪র্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করা হবেজানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে ক্রীড়া বৃত্তি প্রদান করা হবে। একটি ক্রীড়াবান্ধব পরিবেশের মাধ্যমে একটি সুস্থ জাতি, মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।
৩ ঘণ্টা আগে