
চট্টগ্রাম ব্যুরো

জ্বালানি সংকটের কারণে ২১ দিন বন্ধ থাকার পর দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) উৎপাদনে ফিরেছে।
ইস্টার্ন রিফাইনারি সূত্র জানিয়েছে, সৌদি আরব থেকে আমদানি করা অপরিশোধিত জ্বালানির চালান দেশে পৌঁছানোর পর শুক্রবার (৮ মে) সকালে রিফাইনারির ফায়ার্ড হিটারে প্রসেসিং শুরু হয়। পরে এক ঘণ্টার মধ্যে পূর্ণমাত্রায় পরিশোধন কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।
ইস্টার্ন রিফাইনারির উপমহাব্যবস্থাপক (অপারেশনস) মামুনুর রশীদ খান গণমাধ্যমকে বলেন, প্রায় এক লাখ ৯৪ হাজার টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে কুতুবদিয়া উপকূলে নোঙর করেছে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ জাহাজ। সেখান থেকে সরবরাহ শুরু হলে শোধনাগারটি সচল করা সম্ভব হয়েছে।
ইস্টার্ন রিফাইনারিতে এখন ক্রুড অয়েল থেকে পেট্রোল, অকটেন, ডিজেলসহ বিভিন্ন জ্বালানি উৎপাদন করে নির্ধারিত ট্যাংক ফার্মে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে রিফাইনারির পাশের জেটিতে থাকা লাইটারেজ জাহাজ থেকেও ক্রুড অয়েল খালাসের কাজ চলছে।
মামুনুর রশীদ খান জানান, শুরুতে দৈনিক জ্বালানি উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় সাড়ে তিন হাজার মেট্রিক টন। কারিগরি সমন্বয়ের কারণে আপাতত উৎপাদন সীমিত রাখা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে উৎপাদনের পরিমাণ বাড়ানো হবে।
ইরান যুদ্ধের জের ধরে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে গেলে বিশ্বব্যাপীই জ্বালানির সংকট দেখা দেয়। ওই সময় অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ ব্যাপকভাবে বিঘ্নিত হয়। জ্বালানি সংকটে গত ১৪ এপ্রিল ইস্টার্ন রিফাইনারির তিনটি ইউনিটের মধ্যে দুটি বন্ধ হয়ে যায়। পরে মজুত শেষ হয়ে গেলে উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে অপরিশোধিত তেলবাহী জাহাজ বাংলাদেশে আনা হয়। সূত্র জানিয়েছে, এখনকার অপরিশোধিত তেলের মজুত দিয়ে ২০ থেকে ২৫ দিন শোধন কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে। আরও অপরিশোধিত তেল আনার প্রক্রিয়াও চলছে।
আগামী ২০ মে তেলের আরও একটি চালান দেশে পৌঁছাতে পারে। এ ছাড়া ১০ থেকে ১২ মে’র মধ্যে সৌদি আরব থেকে আরও এক লাখ মেট্রিক টন অপরিশোধিত তেল লোড হওয়ার কথা রয়েছে। পর্যায়ক্রমে এভাবে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে ইস্টার্ন রিফাইনারিকে আর বসে থাকতে হবে না।
বর্তমানে ইস্টার্ন রিফাইনারির দুটি ইউনিটে প্রতিদিন প্রায় চার হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে। এক লাখ মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল পরিশোধনের মাধ্যমে প্রায় ২৬ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল, ২৪ হাজার মেট্রিক টন ফার্নেস অয়েল, ১৬ হাজার মেট্রিক টন পেট্রোল, ২১ হাজার মেট্রিক টন কেরোসিন ও ৮ হাজার মেট্রিক টন অকটেন উৎপাদন করা সম্ভব।
এ ছাড়া রিফাইনারিতে প্রায় দুই লাখ ২৫ হাজার মেট্রিক টন অপরিশোধিত জ্বালানি ও দেড় লাখ মেট্রিক টনের বেশি পরিশোধিত তেল মজুত রাখার সক্ষমতা রয়েছে।

জ্বালানি সংকটের কারণে ২১ দিন বন্ধ থাকার পর দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) উৎপাদনে ফিরেছে।
ইস্টার্ন রিফাইনারি সূত্র জানিয়েছে, সৌদি আরব থেকে আমদানি করা অপরিশোধিত জ্বালানির চালান দেশে পৌঁছানোর পর শুক্রবার (৮ মে) সকালে রিফাইনারির ফায়ার্ড হিটারে প্রসেসিং শুরু হয়। পরে এক ঘণ্টার মধ্যে পূর্ণমাত্রায় পরিশোধন কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।
ইস্টার্ন রিফাইনারির উপমহাব্যবস্থাপক (অপারেশনস) মামুনুর রশীদ খান গণমাধ্যমকে বলেন, প্রায় এক লাখ ৯৪ হাজার টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে কুতুবদিয়া উপকূলে নোঙর করেছে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ জাহাজ। সেখান থেকে সরবরাহ শুরু হলে শোধনাগারটি সচল করা সম্ভব হয়েছে।
ইস্টার্ন রিফাইনারিতে এখন ক্রুড অয়েল থেকে পেট্রোল, অকটেন, ডিজেলসহ বিভিন্ন জ্বালানি উৎপাদন করে নির্ধারিত ট্যাংক ফার্মে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে রিফাইনারির পাশের জেটিতে থাকা লাইটারেজ জাহাজ থেকেও ক্রুড অয়েল খালাসের কাজ চলছে।
মামুনুর রশীদ খান জানান, শুরুতে দৈনিক জ্বালানি উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় সাড়ে তিন হাজার মেট্রিক টন। কারিগরি সমন্বয়ের কারণে আপাতত উৎপাদন সীমিত রাখা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে উৎপাদনের পরিমাণ বাড়ানো হবে।
ইরান যুদ্ধের জের ধরে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে গেলে বিশ্বব্যাপীই জ্বালানির সংকট দেখা দেয়। ওই সময় অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ ব্যাপকভাবে বিঘ্নিত হয়। জ্বালানি সংকটে গত ১৪ এপ্রিল ইস্টার্ন রিফাইনারির তিনটি ইউনিটের মধ্যে দুটি বন্ধ হয়ে যায়। পরে মজুত শেষ হয়ে গেলে উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে অপরিশোধিত তেলবাহী জাহাজ বাংলাদেশে আনা হয়। সূত্র জানিয়েছে, এখনকার অপরিশোধিত তেলের মজুত দিয়ে ২০ থেকে ২৫ দিন শোধন কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে। আরও অপরিশোধিত তেল আনার প্রক্রিয়াও চলছে।
আগামী ২০ মে তেলের আরও একটি চালান দেশে পৌঁছাতে পারে। এ ছাড়া ১০ থেকে ১২ মে’র মধ্যে সৌদি আরব থেকে আরও এক লাখ মেট্রিক টন অপরিশোধিত তেল লোড হওয়ার কথা রয়েছে। পর্যায়ক্রমে এভাবে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে ইস্টার্ন রিফাইনারিকে আর বসে থাকতে হবে না।
বর্তমানে ইস্টার্ন রিফাইনারির দুটি ইউনিটে প্রতিদিন প্রায় চার হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে। এক লাখ মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল পরিশোধনের মাধ্যমে প্রায় ২৬ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল, ২৪ হাজার মেট্রিক টন ফার্নেস অয়েল, ১৬ হাজার মেট্রিক টন পেট্রোল, ২১ হাজার মেট্রিক টন কেরোসিন ও ৮ হাজার মেট্রিক টন অকটেন উৎপাদন করা সম্ভব।
এ ছাড়া রিফাইনারিতে প্রায় দুই লাখ ২৫ হাজার মেট্রিক টন অপরিশোধিত জ্বালানি ও দেড় লাখ মেট্রিক টনের বেশি পরিশোধিত তেল মজুত রাখার সক্ষমতা রয়েছে।

পদত্যাগের আলটিমেটাম দিয়ে রাহাত বলে, ‘আজ রাত ১০টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে। তা না হলে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব মোড় থেকে লংমার্চ টু সচিবালয় কর্মসূচি পালন করব।’
৫ ঘণ্টা আগে
সচিবালয় অভিমুখে ‘লংমার্চ’ নিয়ে আসা আন্দোলনরত এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা শিক্ষা ভবনের সামনে পুলিশের বাধার মুখে পড়েছিলেন। সেখানে প্রায় দেড় ঘণ্টা অবস্থান করে তারা থেকে সরে গেছেন। পরে সচিবালয় থেকে শিক্ষা ভবন পর্যন্ত উভয়মুখী সড়ক খুলে দেওয়া হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
মন্ত্রী জানান, মোট ১ হাজার ৩৩৪টি দুর্ঘটনার মধ্যে পূর্বাঞ্চলে ঘটেছে ১ হাজার ৫১টি, আর পশ্চিমাঞ্চলে ২৮৩টি। তাঁর ভাষ্য, রেললাইনের ত্রুটির পাশাপাশি চাকার শার্প ফ্লেঞ্জ, গেজের অসামঞ্জস্য এবং প্রাকৃতিক কারণে লাইন বেঁকে যাওয়া বা দেবে যাওয়ার মতো কারণেও ট্রেন লাইনচ্যুত হতে পারে।
৭ ঘণ্টা আগে
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী নুরেমবার্গ ট্রাইব্যুনালের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, নাৎসি বাহিনী ও গেস্টাপোর মতো রাষ্ট্রীয় শক্তি ব্যবহার করে গণহত্যার অভিযোগ থেকে আওয়ামী লীগও দায়মুক্তি পেতে পারে না।
৮ ঘণ্টা আগে