
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ১২৩টি সংগঠন মোট ১ হাজার ৬০৪ বার সড়ক অবরোধ করেছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। আজ রবিবার দুপুরে আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত কোর কমিটির বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর ঢাকা ও এর আশপাশের সড়কে এক হাজার ৬০৪টি অবরোধ হয়েছে। ১২৩টি সংগঠন এগুলো করেছে।
তিনি বলেন, ‘যানজটের একটা বড় কারণ হলো, একটি সড়কের যদি কোনো একটা কোণা ব্লক হয়ে যায়, তাতে ঢাকা শহর অ্যাফেক্টেড হয়। আমি সবার কাছে অনুরোধ করব, এগুলো যেন একটি সুনির্দিষ্ট জায়গায় করা হয়। মাঠ রয়েছে, কিংবা আমাদের সোহরাওয়ার্দী উদ্যান রয়েছে - এসব জায়গায় করা হলে জনদুর্ভোগটা কম হবে।’
তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যে ঐক্য ছিল, জাতির বৃহত্তর স্বার্থে সেই ঐক্য ধরে রাখতে হবে। ঐক্যে ফাটল ধরলে ফ্যাসিস্টরা নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে।
মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ বা কার্যক্রমের বাইরে থাকা একটি দল এবং তাদের কিছু কর্মী বাইরে রয়েছে তারা নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করবে। এটি প্রতিহত করতে হবে রাজনৈতিক দল সর্বোপরি আমাদের সবাইকে নিয়ে।
তিনি আরও বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রয়েছে। তবে এজন্য রাজনৈতিক দলসহ সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, জাতির বৃহত্তর স্বার্থে ক্ষুদ্র স্বার্থ ত্যাগ করতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলোকে এ ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সেপ্টেম্বর মাসের ৭ তারিখ থেকে প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু হচ্ছে।
তিনি বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন আবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা থাকবে। তিনি বলেন, সকলের সহযোগিতায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আগামী জাতীয় নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠানে সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে পারবে বলে আমরা আশা করছি।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ১২৩টি সংগঠন মোট ১ হাজার ৬০৪ বার সড়ক অবরোধ করেছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। আজ রবিবার দুপুরে আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত কোর কমিটির বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর ঢাকা ও এর আশপাশের সড়কে এক হাজার ৬০৪টি অবরোধ হয়েছে। ১২৩টি সংগঠন এগুলো করেছে।
তিনি বলেন, ‘যানজটের একটা বড় কারণ হলো, একটি সড়কের যদি কোনো একটা কোণা ব্লক হয়ে যায়, তাতে ঢাকা শহর অ্যাফেক্টেড হয়। আমি সবার কাছে অনুরোধ করব, এগুলো যেন একটি সুনির্দিষ্ট জায়গায় করা হয়। মাঠ রয়েছে, কিংবা আমাদের সোহরাওয়ার্দী উদ্যান রয়েছে - এসব জায়গায় করা হলে জনদুর্ভোগটা কম হবে।’
তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যে ঐক্য ছিল, জাতির বৃহত্তর স্বার্থে সেই ঐক্য ধরে রাখতে হবে। ঐক্যে ফাটল ধরলে ফ্যাসিস্টরা নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে।
মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ বা কার্যক্রমের বাইরে থাকা একটি দল এবং তাদের কিছু কর্মী বাইরে রয়েছে তারা নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করবে। এটি প্রতিহত করতে হবে রাজনৈতিক দল সর্বোপরি আমাদের সবাইকে নিয়ে।
তিনি আরও বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রয়েছে। তবে এজন্য রাজনৈতিক দলসহ সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, জাতির বৃহত্তর স্বার্থে ক্ষুদ্র স্বার্থ ত্যাগ করতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলোকে এ ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সেপ্টেম্বর মাসের ৭ তারিখ থেকে প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু হচ্ছে।
তিনি বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন আবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা থাকবে। তিনি বলেন, সকলের সহযোগিতায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আগামী জাতীয় নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠানে সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে পারবে বলে আমরা আশা করছি।

আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের মধ্যে ৯ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। হাইওয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুর্ঘটনাকবলিত বাস থেকে শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা নেয়।
৩ ঘণ্টা আগে
পোস্টে সারজিস আলম লেখেন, ‘আজমেরী হক বাঁধন, আমরা আপনাকে নিয়ে গর্বিত। আপনি এই দেশের জন্য লড়াই করেছেন, দেশের মানুষকে স্বৈরাচার থেকে মুক্ত করার জন্য লড়াই করেছেন।’
৩ ঘণ্টা আগে
সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিওতে দেখা যায়, নিজেদের ছাত্রলীগ কর্মী বলে দাবি করা কয়েকজন ব্যক্তি বাঁধনকে ‘জুলাই জঙ্গি’ অ্যাখ্যা দিয়ে গালিগালাজ করছেন এবং তার ওপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করছেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, চলচ্চিত্র উৎসব প্রাঙ্গণে বাঁধনের উপস্থিতি কেন্দ্র করে রাজনৈতিক স্লোগান ও বাগবিতণ্ডা শু
৩ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী দেশে প্রায় ৮৮ হাজার ৯০৯ জন চিকিৎসকের প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু সরকারি হাসপাতালগুলোতে বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন মাত্র ৩০ হাজার ৩১১ জন চিকিৎসক। এ ছাড়া সরকারি হাসপাতালে অনুমোদিত জনবল কাঠামো অনুযায়ীও চিকিৎসকের শূন্য পদ রয়েছে ১১ হাজার ৪৯৫টি।
১২ ঘণ্টা আগে