
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বর্তমান সংবিধান লাখ লাখ শহিদের রক্তে পাওয়া বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, “আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, বিশেষ করে আমাদের সম্মানিত এক সদস্য বলেছেন যে আমি সংবিধানকে ধরে রাখার চেষ্টা করেছি এবং বডি ল্যাঙ্গুয়েজ দিয়ে তা প্রমাণ করার চেষ্টা করেছি। হ্যাঁ, আমি করেছি, কারণ এই সংবিধান আমাদের অস্তিত্ব, আমাদের আবেগ এবং ১৯৭১ সালে লাখ লাখ শহিদের রক্তের সঙ্গে জড়িত।”
ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনের সমাপনী দিনে জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এসব কথা বলেন। এ দিন বেলা ১১টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হয়।
সংবিধানের অনেকগুলো ধারা ও অধ্যায় বারবার পরিবর্তন করে একে একটা ‘ছেঁড়া পাতায়’ পরিণত করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, “তারপরও এটি আমাদের সংবিধান, যার জন্য আমরা যুদ্ধ করেছি। সালাহউদ্দিন সাহেব অত্যন্ত সত্য কথা বলেছেন যে রাষ্ট্রপতি কোনো ব্যক্তি নন, তিনি একটি প্রতিষ্ঠান। ৫ আগস্টের পর এই রাষ্ট্রপতি না থাকলে রাষ্ট্রে চরম অরাজকতা ও নৈরাজ্য সৃষ্টি হতো, আমরা হয়তো জাতিকে রক্ষা করতে পারতাম কি না, তা নিয়ে সন্দেহ আছে।”
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ‘পরিবর্তনের প্রতীক’ বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের নেতা দারিদ্র্য বিমোচন এবং সবাইকে নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছেন। ফ্যামিলি কার্ড দিয়ে নারীর ক্ষমতায়নে কাজ শুরু করেছেন। কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষির উন্নয়নের কাজ শুরু হয়েছে। তিনি প্রতিদিন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৮ ঘণ্টা কাজ করছেন, যা তার রক্তে আছে।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত উইলিয়াম বি মাইলাম তার এক বইয়ে লিখেছেন, জিয়াউর রহমান না থাকলে বাংলাদেশ হয়তো ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হতো। শহিদ জিয়া তলাবিহীন ঝুড়ির অপবাদ ঘুচিয়ে কৃষিবিপ্লব ঘটিয়েছিলেন। বেগম খালেদা জিয়াও একইভাবে নারীশিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় বিপ্লব ঘটিয়েছেন, তিনি কখনো কোনো নির্বাচনে পরাজিত হননি। শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর তার সম্বল ছিল মাত্র একটি ছেঁড়া গেঞ্জি। বেগম জিয়াও ভাড়া বাসায় ছিলেন।
তিনি আরও বলেন, “আজ এই তরুণ–যুবককে সামনে নিয়ে আমরা এগোচ্ছি, যিনি পরিবর্তনের প্রতীক।” এ প্রসঙ্গে একটি উদাহরণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “২০০২ সালে যখন চীনা প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ সফরে আসেন, আমি লাইনে দাঁড়িয়েছিলাম। আমার পাশেই ছিলেন আমানউল্লাহ আমান এবং আজকের প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান। বেগম জিয়া যখন চীনা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার ছেলের পরিচয় করিয়ে দিয়ে বললেন ‘মাই সান তারেক’। তখন চীনা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দুই হাত শক্ত করে ধরে বলেছিলেন, ‘ক্যারি দ্য ফ্ল্যাগ অব ইউর ফাদার অ্যান্ড মাদার’। আজ তিনি সেই স্বাধীনতার, সার্বভৌমত্বের এবং গণতন্ত্রের পতাকা সগৌরবে তুলে ধরেছেন।”
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের লন্ডনে অনুষ্ঠিত বৈঠকের প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব বলেন, “লন্ডনের ঐতিহাসিক বৈঠক নিয়ে যারা বিদ্রূপ করেন, আমি তাদের তীব্র নিন্দা জানাই। লন্ডনে আমাদের চেয়ারম্যান এবং তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টার মধ্যে সেই বৈঠক হয়েছিল বলেই আজ আমরা এই পার্লামেন্টে বসতে পেরেছি। ওই বৈঠকেই নির্বাচন এবং প্রধান উপদেষ্টা ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি ঠিক হয়েছিল।”
এ ছাড়া বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে বর্তমান বিরোধী দল ও সরকারি দলের একসঙ্গে অংশ নেওয়ার কথা উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, “আমরা বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে দীর্ঘ সংগ্রাম করেছি, অনেকেই প্রাণ দিয়েছেন বা দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ৫ আগস্টের পর অনেকের চেহারা বদলে গেছে, যারা এখন ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য বিভিন্ন উক্তি করছেন, যা গণতন্ত্রকে সাহায্য করে না। তারা নির্বাচনকে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ বলছেন, যা এ দেশের মানুষ মেনে নেবে না।”

বর্তমান সংবিধান লাখ লাখ শহিদের রক্তে পাওয়া বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, “আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, বিশেষ করে আমাদের সম্মানিত এক সদস্য বলেছেন যে আমি সংবিধানকে ধরে রাখার চেষ্টা করেছি এবং বডি ল্যাঙ্গুয়েজ দিয়ে তা প্রমাণ করার চেষ্টা করেছি। হ্যাঁ, আমি করেছি, কারণ এই সংবিধান আমাদের অস্তিত্ব, আমাদের আবেগ এবং ১৯৭১ সালে লাখ লাখ শহিদের রক্তের সঙ্গে জড়িত।”
ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনের সমাপনী দিনে জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এসব কথা বলেন। এ দিন বেলা ১১টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হয়।
সংবিধানের অনেকগুলো ধারা ও অধ্যায় বারবার পরিবর্তন করে একে একটা ‘ছেঁড়া পাতায়’ পরিণত করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, “তারপরও এটি আমাদের সংবিধান, যার জন্য আমরা যুদ্ধ করেছি। সালাহউদ্দিন সাহেব অত্যন্ত সত্য কথা বলেছেন যে রাষ্ট্রপতি কোনো ব্যক্তি নন, তিনি একটি প্রতিষ্ঠান। ৫ আগস্টের পর এই রাষ্ট্রপতি না থাকলে রাষ্ট্রে চরম অরাজকতা ও নৈরাজ্য সৃষ্টি হতো, আমরা হয়তো জাতিকে রক্ষা করতে পারতাম কি না, তা নিয়ে সন্দেহ আছে।”
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ‘পরিবর্তনের প্রতীক’ বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের নেতা দারিদ্র্য বিমোচন এবং সবাইকে নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছেন। ফ্যামিলি কার্ড দিয়ে নারীর ক্ষমতায়নে কাজ শুরু করেছেন। কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষির উন্নয়নের কাজ শুরু হয়েছে। তিনি প্রতিদিন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৮ ঘণ্টা কাজ করছেন, যা তার রক্তে আছে।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত উইলিয়াম বি মাইলাম তার এক বইয়ে লিখেছেন, জিয়াউর রহমান না থাকলে বাংলাদেশ হয়তো ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হতো। শহিদ জিয়া তলাবিহীন ঝুড়ির অপবাদ ঘুচিয়ে কৃষিবিপ্লব ঘটিয়েছিলেন। বেগম খালেদা জিয়াও একইভাবে নারীশিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় বিপ্লব ঘটিয়েছেন, তিনি কখনো কোনো নির্বাচনে পরাজিত হননি। শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর তার সম্বল ছিল মাত্র একটি ছেঁড়া গেঞ্জি। বেগম জিয়াও ভাড়া বাসায় ছিলেন।
তিনি আরও বলেন, “আজ এই তরুণ–যুবককে সামনে নিয়ে আমরা এগোচ্ছি, যিনি পরিবর্তনের প্রতীক।” এ প্রসঙ্গে একটি উদাহরণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “২০০২ সালে যখন চীনা প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ সফরে আসেন, আমি লাইনে দাঁড়িয়েছিলাম। আমার পাশেই ছিলেন আমানউল্লাহ আমান এবং আজকের প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান। বেগম জিয়া যখন চীনা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার ছেলের পরিচয় করিয়ে দিয়ে বললেন ‘মাই সান তারেক’। তখন চীনা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দুই হাত শক্ত করে ধরে বলেছিলেন, ‘ক্যারি দ্য ফ্ল্যাগ অব ইউর ফাদার অ্যান্ড মাদার’। আজ তিনি সেই স্বাধীনতার, সার্বভৌমত্বের এবং গণতন্ত্রের পতাকা সগৌরবে তুলে ধরেছেন।”
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের লন্ডনে অনুষ্ঠিত বৈঠকের প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব বলেন, “লন্ডনের ঐতিহাসিক বৈঠক নিয়ে যারা বিদ্রূপ করেন, আমি তাদের তীব্র নিন্দা জানাই। লন্ডনে আমাদের চেয়ারম্যান এবং তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টার মধ্যে সেই বৈঠক হয়েছিল বলেই আজ আমরা এই পার্লামেন্টে বসতে পেরেছি। ওই বৈঠকেই নির্বাচন এবং প্রধান উপদেষ্টা ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি ঠিক হয়েছিল।”
এ ছাড়া বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে বর্তমান বিরোধী দল ও সরকারি দলের একসঙ্গে অংশ নেওয়ার কথা উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, “আমরা বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে দীর্ঘ সংগ্রাম করেছি, অনেকেই প্রাণ দিয়েছেন বা দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ৫ আগস্টের পর অনেকের চেহারা বদলে গেছে, যারা এখন ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য বিভিন্ন উক্তি করছেন, যা গণতন্ত্রকে সাহায্য করে না। তারা নির্বাচনকে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ বলছেন, যা এ দেশের মানুষ মেনে নেবে না।”

গতকাল (শুক্রবার) মিয়ানমার বিষয়ে জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূতের ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী।
৬ ঘণ্টা আগে
বিএনপি সরকার গঠন করার চার মাস পর প্রথম বিদেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামীকাল রোববার মালয়েশিয়া সফরের মধ্য দিয়ে শুরু হবে প্রধানমন্ত্রীর এই বিদেশ সফর। সেখান থেকে তিনি যাবেন চীনে। চীন সফর শেষে আগামী ২৬ জুন ঢাকায় ফিরবেন তিনি।
৮ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদের নেতৃত্বে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় শিক্ষাবিদদের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল পাকিস্তানের পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয় (পিইউ) সফর করেছে। গত মঙ্গলবার উপাচার্য কার্যালয়ের কমিটি রুমে প্রতিনিধিদলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কম
৮ ঘণ্টা আগে
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দুবাইয়ে আটকের পরই ১৪৪ পৃষ্ঠার মামলার নথি আরব আমিরাতের কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে দ্রুতই বেনজীর আহমেদকে দেশে ফেরত আনা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
৮ ঘণ্টা আগে