
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ সমুদ্র এলাকা কেবল একটি ভৌগোলিক পরিসীমা নয়; এটি দেশের অর্থনৈতিক শক্তি, সার্বভৌমত্ব এবং ভবিষ্যৎ সমৃদ্ধির অন্যতম প্রধান ভিত্তি বলে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আগামীকাল ‘বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস ২০২৬’ উপলক্ষ্যে আজ শনিবার (২০ জুন) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী নিরাপদ নৌপথ নিশ্চিতকরণ এবং সামুদ্রিক অর্থনীতির বিকাশে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর হাইড্রোগ্রাফিক কার্যক্রমের অপরিহার্য ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ সমুদ্র এলাকা কেবল একটি ভৌগোলিক পরিসীমা নয়; এটি আমাদের অর্থনৈতিক শক্তি, সার্বভৌমত্ব এবং ভবিষ্যৎ সমৃদ্ধির অন্যতম প্রধান ভিত্তি। এ সমুদ্রসীমায় রয়েছে বিপুল প্রাকৃতিক সম্পদ, জীববৈচিত্র্য এবং বাণিজ্যিক সম্ভাবনা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নিরাপদ নৌপথ নিশ্চিতকরণ, সমুদ্রতলের সঠিক মানচিত্র প্রণয়ন এবং উপকূলীয় অঞ্চলের পরিকল্পিত উন্নয়নে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর হাইড্রোগ্রাফিক কার্যক্রম অপরিহার্য ভূমিকা পালন করছে। এ কার্যক্রমের মাধ্যমে নৌ চলাচলের ঝুঁকি হ্রাস, বন্দর ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন এবং সামুদ্রিক অর্থনীতির বিকাশ ত্বরান্বিত করা সম্ভব হচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘একবিংশ শতাব্দীর বৈশ্বিক বাস্তবতায় সমুদ্র কেবল ভৌগোলিক সীমানার অংশ নয়; বরং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বাণিজ্যিক সংযোগ, জ্বালানি নিরাপত্তা, পরিবেশগত ভারসাম্য এবং জাতীয় কৌশলগত সক্ষমতার অন্যতম প্রধান ভিত্তি। এই প্রেক্ষাপটে যথাযোগ্য গুরুত্ব ও পেশাদারিত্বের মধ্য দিয়ে ‘বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস-২০২৬’ উদযাপনের উদ্যোগ অবশ্যই ইতিবাচক।’
আন্তর্জাতিক হাইড্রোগ্রাফিক সংস্থা (আইএইচও) কর্তৃক এ বছরের প্রতিপাদ্য হিসেবে ‘ট্রান্সফরমিং হাউ ওসিয়ান ডাটা ইজ শেয়ার্ড’ অর্থাৎ সামুদ্রিক তথ্য আদান-প্রদানের ধারণায় আমূল পরিবর্তন নির্ধারণ করা হয়েছে, যা অত্যন্ত সময়োপযোগী ও প্রাসঙ্গিক বলেও জানান তিনি।
রাজনীতি/এসআর

বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ সমুদ্র এলাকা কেবল একটি ভৌগোলিক পরিসীমা নয়; এটি দেশের অর্থনৈতিক শক্তি, সার্বভৌমত্ব এবং ভবিষ্যৎ সমৃদ্ধির অন্যতম প্রধান ভিত্তি বলে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আগামীকাল ‘বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস ২০২৬’ উপলক্ষ্যে আজ শনিবার (২০ জুন) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী নিরাপদ নৌপথ নিশ্চিতকরণ এবং সামুদ্রিক অর্থনীতির বিকাশে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর হাইড্রোগ্রাফিক কার্যক্রমের অপরিহার্য ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ সমুদ্র এলাকা কেবল একটি ভৌগোলিক পরিসীমা নয়; এটি আমাদের অর্থনৈতিক শক্তি, সার্বভৌমত্ব এবং ভবিষ্যৎ সমৃদ্ধির অন্যতম প্রধান ভিত্তি। এ সমুদ্রসীমায় রয়েছে বিপুল প্রাকৃতিক সম্পদ, জীববৈচিত্র্য এবং বাণিজ্যিক সম্ভাবনা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নিরাপদ নৌপথ নিশ্চিতকরণ, সমুদ্রতলের সঠিক মানচিত্র প্রণয়ন এবং উপকূলীয় অঞ্চলের পরিকল্পিত উন্নয়নে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর হাইড্রোগ্রাফিক কার্যক্রম অপরিহার্য ভূমিকা পালন করছে। এ কার্যক্রমের মাধ্যমে নৌ চলাচলের ঝুঁকি হ্রাস, বন্দর ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন এবং সামুদ্রিক অর্থনীতির বিকাশ ত্বরান্বিত করা সম্ভব হচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘একবিংশ শতাব্দীর বৈশ্বিক বাস্তবতায় সমুদ্র কেবল ভৌগোলিক সীমানার অংশ নয়; বরং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বাণিজ্যিক সংযোগ, জ্বালানি নিরাপত্তা, পরিবেশগত ভারসাম্য এবং জাতীয় কৌশলগত সক্ষমতার অন্যতম প্রধান ভিত্তি। এই প্রেক্ষাপটে যথাযোগ্য গুরুত্ব ও পেশাদারিত্বের মধ্য দিয়ে ‘বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস-২০২৬’ উদযাপনের উদ্যোগ অবশ্যই ইতিবাচক।’
আন্তর্জাতিক হাইড্রোগ্রাফিক সংস্থা (আইএইচও) কর্তৃক এ বছরের প্রতিপাদ্য হিসেবে ‘ট্রান্সফরমিং হাউ ওসিয়ান ডাটা ইজ শেয়ার্ড’ অর্থাৎ সামুদ্রিক তথ্য আদান-প্রদানের ধারণায় আমূল পরিবর্তন নির্ধারণ করা হয়েছে, যা অত্যন্ত সময়োপযোগী ও প্রাসঙ্গিক বলেও জানান তিনি।
রাজনীতি/এসআর

অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালের ২৮ জুলাই বিআইএফএফএলের ৮০তম বোর্ড সভায় চাহিদামতো ঋণ ও বিনিয়োগ সুবিধা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ফরমানুল ইসলামের ওপর চড়াও হন আসামিরা। একপর্যায়ে তার জামার কলার ধরে টানাহেঁচড়া ও চড়-থাপ্পড় মারা হয়। তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে জোর করে পদত্যাগপত্রে সই নেওয়া হয়।
১২ ঘণ্টা আগে
খসড়া আইনে বলা হয়েছে, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন পুলিশ বাহিনীর অধীনে পরিচালিত হবে। পুলিশের একজন অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক এ বাহিনীকে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করবেন। আইনে বিশেষ আদালত ও সংক্ষিপ্ত আদালত গঠন এবং বিচার পদ্ধতির প্রস্তাব করা হয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন জানান, বৈঠকে মেয়েদের জন্য সর্বজনীন উপবৃত্তি পুনর্বহাল করা হলে সম্ভাব্য ব্যয়, উপকারভোগীর সংখ্যা, বাস্তবায়ন পদ্ধতি ও এর প্রত্যাশিত সামাজিক ও শিক্ষাগত প্রভাব বিশ্লেষণ করে একটি সুস্পষ্ট প্রস্তাব প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
১৫ ঘণ্টা আগে
রুটিন বলছে, ১৪ মার্চ প্রথম দিনে নেওয়া হবে বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষা, বাংলা দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষা নেওয়া হবে ১৬ মার্চ। এরপর ১৮ মার্চ ইংরেজি প্রথমপত্র, ২১ মার্চ ইংরেজি দ্বিতীয়পত্র ও ২৫ মার্চ নেওয়া হবে গণিত পরীক্ষা। এ পাঁচটি পরীক্ষাই আবশ্যিক।
১৫ ঘণ্টা আগে