
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

টানা কয়েকদিনের প্রতিকূল পরিস্থিতি কাটিয়ে গ্যাসের জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ কিছুটা বাড়তে শুরু করেছে। মহেশখালীতে সামিট ও অ্যাক্সিলারেট এনার্জির দুই এলএনজি টার্মিনাল থেকেই একসঙ্গে গ্যাস সরবরাহ শুরু করেছে। কর্তৃপক্ষ আশা করছে, আগামী বুধবার (১৯ আগস্ট) নাগাদ জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে।
শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোরে সামিট এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ পুনরায় স্বাভাবিক হয়েছে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) নতুন একটি এলএনজি বহনকারী জাহাজ টার্মিনালে পৌঁছালে এ পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে।
এর আগে সামিট এলএনজি টার্মিনালের উদ্দেশে রওয়ানা হওয়া একটি এলএনজি বহনকারী জাহাজ বৈরী আবহাওয়া ও অতিরিক্ত বায়ুপ্রবাহের কারণে গত ১০ আগস্ট সিঙ্গাপুর বন্দরে ফিরে যায়। ফলে টার্মিনালটি থেকে গ্যাস সরবরাহ দৈনিক ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট কমে যায়।
বর্তমানে এ টার্মিনাল থেকে দৈনিক প্রায় ৪৬০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে, যা পর্যায়ক্রমে স্বাভাবিক ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুটে উন্নীত হবে।
এদিকে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়া অ্যাক্সিলারেট এনার্জি পরিচালিত এলএনজি টার্মিনালের ত্রুটি আংশিক মেরামত করা হয়েছে। এই টার্মিনাল থেকে এখন জাতীয় গ্রিডে দিনে গড়ে প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।
টার্মিনাল কর্তৃপক্ষ বলছে, এ টার্মিনালের সংস্কারকাজও আগামী বুধবারের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে বুধবার থেকেই দিনে প্রায় ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মিলতে শুরু করবে এই টার্মিনাল থেকে।
স্বাভাবিক অবস্থায় সামিট ও অ্যাক্সিলারেটের দুটি এলএনজি টার্মিনাল থেকে দিনে গড়ে প্রায় এক হাজার ১০০ ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয়। বর্তমানে তা ৭৬০ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে এসেছে।

টানা কয়েকদিনের প্রতিকূল পরিস্থিতি কাটিয়ে গ্যাসের জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ কিছুটা বাড়তে শুরু করেছে। মহেশখালীতে সামিট ও অ্যাক্সিলারেট এনার্জির দুই এলএনজি টার্মিনাল থেকেই একসঙ্গে গ্যাস সরবরাহ শুরু করেছে। কর্তৃপক্ষ আশা করছে, আগামী বুধবার (১৯ আগস্ট) নাগাদ জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে।
শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোরে সামিট এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ পুনরায় স্বাভাবিক হয়েছে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) নতুন একটি এলএনজি বহনকারী জাহাজ টার্মিনালে পৌঁছালে এ পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে।
এর আগে সামিট এলএনজি টার্মিনালের উদ্দেশে রওয়ানা হওয়া একটি এলএনজি বহনকারী জাহাজ বৈরী আবহাওয়া ও অতিরিক্ত বায়ুপ্রবাহের কারণে গত ১০ আগস্ট সিঙ্গাপুর বন্দরে ফিরে যায়। ফলে টার্মিনালটি থেকে গ্যাস সরবরাহ দৈনিক ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট কমে যায়।
বর্তমানে এ টার্মিনাল থেকে দৈনিক প্রায় ৪৬০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে, যা পর্যায়ক্রমে স্বাভাবিক ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুটে উন্নীত হবে।
এদিকে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়া অ্যাক্সিলারেট এনার্জি পরিচালিত এলএনজি টার্মিনালের ত্রুটি আংশিক মেরামত করা হয়েছে। এই টার্মিনাল থেকে এখন জাতীয় গ্রিডে দিনে গড়ে প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।
টার্মিনাল কর্তৃপক্ষ বলছে, এ টার্মিনালের সংস্কারকাজও আগামী বুধবারের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে বুধবার থেকেই দিনে প্রায় ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মিলতে শুরু করবে এই টার্মিনাল থেকে।
স্বাভাবিক অবস্থায় সামিট ও অ্যাক্সিলারেটের দুটি এলএনজি টার্মিনাল থেকে দিনে গড়ে প্রায় এক হাজার ১০০ ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয়। বর্তমানে তা ৭৬০ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে এসেছে।

হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হাসপাতালের নতুন ভবনের নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। অধিকাংশ যন্ত্রপাতি স্থাপনের কাজও শেষ হয়েছে। এতে হাসপাতালটির মোট শয্যা সংখ্যা বেড়ে এক হাজারে দাঁড়ায়। এর ফলে এটি দেশের বৃহত্তম বিশেষায়িত স্নায়ুরোগ চিকিৎসা কেন্দ্রে পরিণত হয়।
১৩ ঘণ্টা আগে
আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হামিদ মিয়ার সই করা পূর্বাভাসে বলা হয়, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।
১৪ ঘণ্টা আগে
অনুষ্ঠানে 'আলী আলী মওলা আলী', 'পর্দা হ্যায় পর্দা', 'আমার দেহ মন বলে নবী নবী', 'ইশ্কে নবী দিল মে পয়দা করো', 'দমাদম মাস্ত কালান্দর' ও 'খাজা বাবা খাজা বাবা মারহাবা মারহাবা'-সহ জনপ্রিয় বেশ কিছু উর্দু, হিন্দি ও বাংলা কাওয়ালী পরিবেশন করা হয়।
১ দিন আগে
সামিট জানিয়েছে, ধীরে ধীরে সরবরাহ বাড়িয়ে ১৫ আগস্ট রাত ২টার দিকে টার্মিনালের পূর্ণ সক্ষমতা অনুযায়ী প্রায় ৫৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের লক্ষে কাজ চলছে।
১ দিন আগে