
কূটনৈতিক প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার প্রত্যয় জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। ওয়াশিংটনে শপথ গ্রহণের পর তিনি এ প্রত্যয়ের কথা জানান।
ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিবৃতিতে রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘যে দেশটির সঙ্গে আমি খুব ভালোভাবে পরিচিত, সেই বাংলাদেশে ফিরতে পেরে আমি ভীষণ আনন্দিত।’
নতুন এ মার্কিন দূত আরও বলেন, ‘ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসে আমেরিকান ও স্থানীয় কর্মীদের নিয়ে গঠিত একটি শক্তিশালী দলের নেতৃত্ব দেওয়ার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করতে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের লক্ষ্যকে এগিয়ে নিতে এবং প্রতিদিন নিরলসভাবে কাজ করে আমেরিকাকে আরও নিরাপদ, শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করে তুলতে আমি উচ্ছ্বসিত।’
কূটনৈতিক সূত্র জানায়, আগামী ১২ জানুয়ারি ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। তিনি ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত হিসেবে পিটার হাসের স্থলাভিষিক্ত হবেন।
মার্কিন সিনেট গত ডিসেম্বরে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনকে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের ১৮তম রাষ্ট্রদূত হিসেবে মনোনয়ন চূড়ান্ত করে। গত ১৯ ডিসেম্বর লিংকডইনে দেওয়া এক পোস্টে তিনি নিজেই সিনেটের অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
পোস্টে ক্রিস্টেনসেন বলেন, বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রদূত হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের অনুমোদন পেয়ে তিনি সম্মানিত বোধ করছেন। এ মনোনয়নের জন্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এর আগে গত বছরের ৩ সেপ্টেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বাংলাদেশে পরবর্তী মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনকে মনোনীত করেন। পরে ৪ অক্টোবর মার্কিন সিনেটের শুনানিতে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত হিসেবে ঢাকায় দায়িত্ব পালনকালে প্রতিরক্ষাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে চীনের দিকে ঝুঁকে পড়ার সম্ভাব্য ঝুঁকির বিষয়টি বাংলাদেশের কাছে স্পষ্টভাবে তুলে ধরবেন।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন যুক্তরাষ্ট্রের ফরেন সার্ভিসের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। তিনি ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কাউন্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার প্রত্যয় জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। ওয়াশিংটনে শপথ গ্রহণের পর তিনি এ প্রত্যয়ের কথা জানান।
ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিবৃতিতে রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘যে দেশটির সঙ্গে আমি খুব ভালোভাবে পরিচিত, সেই বাংলাদেশে ফিরতে পেরে আমি ভীষণ আনন্দিত।’
নতুন এ মার্কিন দূত আরও বলেন, ‘ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসে আমেরিকান ও স্থানীয় কর্মীদের নিয়ে গঠিত একটি শক্তিশালী দলের নেতৃত্ব দেওয়ার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করতে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের লক্ষ্যকে এগিয়ে নিতে এবং প্রতিদিন নিরলসভাবে কাজ করে আমেরিকাকে আরও নিরাপদ, শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করে তুলতে আমি উচ্ছ্বসিত।’
কূটনৈতিক সূত্র জানায়, আগামী ১২ জানুয়ারি ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। তিনি ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত হিসেবে পিটার হাসের স্থলাভিষিক্ত হবেন।
মার্কিন সিনেট গত ডিসেম্বরে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনকে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের ১৮তম রাষ্ট্রদূত হিসেবে মনোনয়ন চূড়ান্ত করে। গত ১৯ ডিসেম্বর লিংকডইনে দেওয়া এক পোস্টে তিনি নিজেই সিনেটের অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
পোস্টে ক্রিস্টেনসেন বলেন, বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রদূত হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের অনুমোদন পেয়ে তিনি সম্মানিত বোধ করছেন। এ মনোনয়নের জন্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এর আগে গত বছরের ৩ সেপ্টেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বাংলাদেশে পরবর্তী মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনকে মনোনীত করেন। পরে ৪ অক্টোবর মার্কিন সিনেটের শুনানিতে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত হিসেবে ঢাকায় দায়িত্ব পালনকালে প্রতিরক্ষাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে চীনের দিকে ঝুঁকে পড়ার সম্ভাব্য ঝুঁকির বিষয়টি বাংলাদেশের কাছে স্পষ্টভাবে তুলে ধরবেন।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন যুক্তরাষ্ট্রের ফরেন সার্ভিসের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। তিনি ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কাউন্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

মন্ত্রী বলেন, দলীয় প্রতীক না থাকায় এবারের স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে আরও বেশি প্রতিযোগিতামূলক। গ্রামীণ জনপদের উন্নয়নে জনবান্ধব ও সত্যিকারের প্রতিনিধিদের নির্বাচিত করতে এখন থেকেই ভোটার ও নেতাকর্মীদের সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
১০ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে চলমান হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৫৮টিতে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া, টিকার ঘাটতি এবং মৃত্যুর ক্রমবর্ধমান হারের ওপর ভিত্তি করে পরিস্থিতিকে জাতীয়ভাবে ‘উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে মূল্যায়ন করেছে সংস্থাটি।
১০ ঘণ্টা আগে
বৈঠকে সার্ক সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণ করেন। সদস্য রাষ্ট্রসমূহের প্রতিনিধিদলগুলো সার্কের উন্নয়নের জন্য তাদের নিজ নিজ জাতীয় দৃষ্টিভঙ্গি ও অগ্রাধিকার তুলে ধরে।
১০ ঘণ্টা আগে
প্রাদুর্ভাব শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে ৪২ জন মারা গেছেন। আর হামের উপসর্গ নিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ১৯৮ জন।
১১ ঘণ্টা আগে