
চবি প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) হাসান মোহাম্মদ রোমান নামের আওয়ামীপন্থি এক শিক্ষককে টেনেহিঁচড়ে রিকশায় তুলে প্রক্টর অফিসে সোপর্দ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (চাকসু) নেতারা।
আজ শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে আইন অনুষদে স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। এদিন আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হাসান মোহাম্মদ রোমান আইন অনুষদের গ্যালারিতে পরীক্ষক হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন।
চাকসু নেতারা এই খবর পেয়ে আইন অনুষদের ডিন কার্যালয়ে অবস্থান নেন। এ সময় শিক্ষক রোমান সরে যেতে চাইলে তাকে প্রক্টর অফিসে নেওয়া হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে ওই শিক্ষককে টেনেহিঁচড়ে রিকশায় তুলতে দেখা গেছে। পরে রিকশাটি প্রক্টর অফিসের দিকে চলে যায়।
ওই শিক্ষককে কেউ আঘাত করেনি বলে দাবি করে চাকসুর দপ্তর সম্পাদক আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, ‘আমরা আইন অনুষদে পরিদর্শনের সময় খবর পাই। খবর পেয়ে সেখানে উপস্থিত হই। আমাদের উপস্থিতির খবর পেয়ে তিনি আইন অনুষদের গ্যালারির পেছন দিয়ে দৌড়ানোর সময় ব্যাথা পান।’
চাকসুর আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক ফজলে রাব্বি জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যেসব শিক্ষক শিক্ষার্থীদের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন, হাসান মোহাম্মদ রোমান তাদের মধ্যে অন্যতম। এ ছাড়া আওয়ামী লীগ সরকারের সময় এই শিক্ষক সহকারী প্রক্টরের দায়িত্বে থেকে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মামলা দিতে ভূমিকা রাখেন বলে জানান চাকসু নেতা ফজলে রাব্বি।
সহকারী অধ্যাপক হাসান মোহাম্মদ রোমানের বিরুদ্ধে তিনি আরও অভিযোগ করেন, ‘শিক্ষার্থীদের নিজ বাসায় ডেকে নেশা করানো এবং শাহ আমানত হলে গৃহশিক্ষক থাকাকালে হলটিকে আওয়ামী লীগের ও সিএফসির আস্তানায় পরিণত করেন।’
তবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ‘মব’ তৈরির চেষ্টার অভিযোগ তুলে প্রক্টর অফিসে বসে শিক্ষক রোমান বলেন, ‘পরীক্ষার হলে থাকা অবস্থায় স্টাফ ও শিক্ষকরা আমাকে জানায় পরিস্থিতি ভালো নয়। এরপর আমি হল থেকে বেরিয়ে আসি। তখন চাকসু নেতারা চিৎকার-চেঁচামেচি করলে আমি ভয়ে দৌড় দেই এবং আহত হই।’
এ ছাড়া চাকসু নেতাদের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় আমি একদিনের জন্যও বের হইনি। কোনো দায়িত্বেও ছিলাম না। মৌন মিছিলেও অংশ নিইনি। আমি শিক্ষার্থীদের বহিষ্কারের বোর্ডের সদস্যও ছিলাম না। সহকারী প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে আমি কাউকে মামলা দিইনি।’
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী বলেন, “আমি যতটুকু তথ্য সংগ্রহ করেছি, তার বিরুদ্ধে কোনো মব হয়নি। তিনি পতিত সরকারের একজন সৈনিক হলেও তার ভেতরে আতঙ্ক তৈরি হয়েছিল যে তাকে মবে ফেলা হতে পারে। সে কারণেই তিনি পালানোর চেষ্টা করেন।”
তবে আগে থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে নিরাপত্তা শঙ্কার বিষয়টি জানালে ওই শিক্ষকের যাতে মানহানি না হয়, সেজন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া যেত বলে জানান তিনি।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) হাসান মোহাম্মদ রোমান নামের আওয়ামীপন্থি এক শিক্ষককে টেনেহিঁচড়ে রিকশায় তুলে প্রক্টর অফিসে সোপর্দ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (চাকসু) নেতারা।
আজ শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে আইন অনুষদে স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। এদিন আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হাসান মোহাম্মদ রোমান আইন অনুষদের গ্যালারিতে পরীক্ষক হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন।
চাকসু নেতারা এই খবর পেয়ে আইন অনুষদের ডিন কার্যালয়ে অবস্থান নেন। এ সময় শিক্ষক রোমান সরে যেতে চাইলে তাকে প্রক্টর অফিসে নেওয়া হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে ওই শিক্ষককে টেনেহিঁচড়ে রিকশায় তুলতে দেখা গেছে। পরে রিকশাটি প্রক্টর অফিসের দিকে চলে যায়।
ওই শিক্ষককে কেউ আঘাত করেনি বলে দাবি করে চাকসুর দপ্তর সম্পাদক আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, ‘আমরা আইন অনুষদে পরিদর্শনের সময় খবর পাই। খবর পেয়ে সেখানে উপস্থিত হই। আমাদের উপস্থিতির খবর পেয়ে তিনি আইন অনুষদের গ্যালারির পেছন দিয়ে দৌড়ানোর সময় ব্যাথা পান।’
চাকসুর আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক ফজলে রাব্বি জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যেসব শিক্ষক শিক্ষার্থীদের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন, হাসান মোহাম্মদ রোমান তাদের মধ্যে অন্যতম। এ ছাড়া আওয়ামী লীগ সরকারের সময় এই শিক্ষক সহকারী প্রক্টরের দায়িত্বে থেকে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মামলা দিতে ভূমিকা রাখেন বলে জানান চাকসু নেতা ফজলে রাব্বি।
সহকারী অধ্যাপক হাসান মোহাম্মদ রোমানের বিরুদ্ধে তিনি আরও অভিযোগ করেন, ‘শিক্ষার্থীদের নিজ বাসায় ডেকে নেশা করানো এবং শাহ আমানত হলে গৃহশিক্ষক থাকাকালে হলটিকে আওয়ামী লীগের ও সিএফসির আস্তানায় পরিণত করেন।’
তবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ‘মব’ তৈরির চেষ্টার অভিযোগ তুলে প্রক্টর অফিসে বসে শিক্ষক রোমান বলেন, ‘পরীক্ষার হলে থাকা অবস্থায় স্টাফ ও শিক্ষকরা আমাকে জানায় পরিস্থিতি ভালো নয়। এরপর আমি হল থেকে বেরিয়ে আসি। তখন চাকসু নেতারা চিৎকার-চেঁচামেচি করলে আমি ভয়ে দৌড় দেই এবং আহত হই।’
এ ছাড়া চাকসু নেতাদের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় আমি একদিনের জন্যও বের হইনি। কোনো দায়িত্বেও ছিলাম না। মৌন মিছিলেও অংশ নিইনি। আমি শিক্ষার্থীদের বহিষ্কারের বোর্ডের সদস্যও ছিলাম না। সহকারী প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে আমি কাউকে মামলা দিইনি।’
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী বলেন, “আমি যতটুকু তথ্য সংগ্রহ করেছি, তার বিরুদ্ধে কোনো মব হয়নি। তিনি পতিত সরকারের একজন সৈনিক হলেও তার ভেতরে আতঙ্ক তৈরি হয়েছিল যে তাকে মবে ফেলা হতে পারে। সে কারণেই তিনি পালানোর চেষ্টা করেন।”
তবে আগে থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে নিরাপত্তা শঙ্কার বিষয়টি জানালে ওই শিক্ষকের যাতে মানহানি না হয়, সেজন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া যেত বলে জানান তিনি।

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীর অংশ হতে নীতিগতভাবে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি অ্যালিসন হুকারের সঙ্গে বৈঠকে এ প্রস্তাব দিয়েছেন বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান।
১৪ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে করা আপিল আবেদনের শুনানি শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। শুনানির প্রথম দিনে ৭০ জন প্রার্থীর মধ্যে ৫২ জন তাদের প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।
১৫ ঘণ্টা আগে
পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনে নির্বাচনের কার্যক্রম আপাতত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। শনিবার (১০ জানুয়ারি) আসন ২টি স্থগিত করে প্রজ্ঞাপন জারি করে ইসি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদীয় আসনের সীমানাসংক্রান্ত জটিলতায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়।
১৬ ঘণ্টা আগে
অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, সুদের হার কমানো নিয়ে অনেক সময় সহজ সমাধানের কথা বলা হয়। কিন্তু বাস্তবতা হলো একদিকে সুদ কমালে অন্যদিকে অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি হয়। ট্রেজারি বিল, ব্যাংকিং খাত ও বাজার ব্যবস্থার মধ্যে সমন্বয় না রেখে সুদের হার কমালে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে সামগ্রিক অর্থনীতিতে।
১৭ ঘণ্টা আগে