
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী দেশে আছেন, নাকি পালিয়ে গেছেন— এমন প্রশ্ন দীর্ঘদিন ধরে ঘুরপাক খাচ্ছিল। আওয়ামী লীগের শীর্ষ অনেক নেতা কারাগারে, অথচ তাকে কেন গ্রেপ্তার করা হচ্ছিল না— এই প্রশ্নও ছিল আলোচনায়। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার তাকে ছাড় দিলেও বিএনপি কী একই অবস্থান নেবে— এ নিয়েও ছিল জল্পনা। অবশেষে সেই সব প্রশ্নের অবসান ঘটিয়ে গ্রেপ্তার হলেন শিরীন শারমিন চৌধুরী।
তাকে ঘিরে আরও কিছু প্রশ্ন সামনে এসেছে— আওয়ামী লীগ সরকারের পতনে ভূমিকা রাখা অনেকেই কেন তার প্রতি সহানুভূতিশীল ছিলেন? ৫ আগস্ট বিক্ষুব্ধ জনতার চোখ এড়িয়ে তাকে জাতীয় সংসদ ভবন থেকে কোথায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল?
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকেই শিরীন শারমিন জনসমক্ষে আসেননি। তিনি সরকারের কড়া নজরদারিতে ছিলেন এবং অনেকটা নজরবন্দি অবস্থায় স্বামী-সন্তানসহ সময় কাটাচ্ছিলেন। ওই দিন ছাত্র-জনতা সংসদ ভবনে প্রবেশের সময় তিনি ভবনের একটি গোপন কক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন— এমন গুঞ্জন রয়েছে। পরে রাত আড়াইটার দিকে সেনাবাহিনী তাকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয় বলে জানা যায়। এরপর তিনি কোথায় ছিলেন— দেশে না বিদেশে— তা নিয়ে নানা আলোচনা চলছিল।
এর আগে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শুনানির সময় জুনাইদ আহমেদ পলক জানান, ৫ আগস্ট সকাল থেকে রাত আড়াইটা পর্যন্ত স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকুসহ ১২ জন সংসদ ভবনের একটি কক্ষে অবস্থান করছিলেন। পরে সেনাবাহিনী তাদের উদ্ধার করে।
২০২৪ সালের ১০ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে শপথ নেন শিরীন শারমিন চৌধুরী। সরকার পতনের ২৭ দিনের মাথায়, ২ সেপ্টেম্বর তিনি স্পিকারের পদ থেকে পদত্যাগ করেন। অজ্ঞাত স্থান থেকে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে পদত্যাগপত্র পাঠানো হয়।
এদিকে তার আর্থিক বিষয়েও নজরদারি শুরু হয়। বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) তার ও পরিবারের চার সদস্যের ব্যাংক হিসাবের তথ্য চেয়ে বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে চিঠি পাঠায়। এতে তার স্বামী সৈয়দ ইশতিয়াক হোসাইন, ছেলে সৈয়দ ইবতেশাম রফিক এবং মেয়ে লামিসা শিরীন হোসাইনের তথ্যও চাওয়া হয়। তবে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে তার ব্যক্তিগত বা আর্থিক অনিয়ম নিয়ে বড় ধরনের অভিযোগ শোনা যায়নি।
আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় তিনি নতুন সাধারণ ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেন বলেও খবর প্রকাশিত হয়। আঙুলের ছাপ ও আইরিশ স্ক্যান দেওয়ার তথ্য সামনে এলেও, তিনি পাসপোর্ট পেয়েছেন কি না— তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
রংপুর-৬ আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে সংসদ সদস্য হন শিরীন শারমিন চৌধুরী। ২০১৩ সালের ৩০ এপ্রিল তিনি প্রথম স্পিকার নির্বাচিত হন এবং টানা এক দশকের বেশি সময় এই দায়িত্ব পালন করেন।
শিরীন শারমিন ২০০৯ সালে সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য হিসেবে জাতীয় সংসদে আসেন। মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে ২০১৩ সালে ৩০ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম নারী স্পিকার নির্বাচিত হন তিনি। এরপর ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ছেড়ে দেওয়া রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) আসন থেকে উপনির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সংসদে আসেন। একদিকে তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের আস্থাভাজন ছিলেন, আরেকদিকে তাকে ঘিরে দলটির অন্য নেতাদের তুলনায় সমালোচনা ছিল কম।
গ্রেপ্তার ও মামলার বিবরণ
আজ মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ধানমন্ডির ৮/এ রোডের বাসা থেকে শিরীন শারমিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করার কথা জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘তাকে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময়ের মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’
তবে ঠিক কোন মামলায় শিরীন শারমিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তা শুরুতে জানানো হয়নি। এ দিন বেলা ১২টার দিকে ডিবির পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে, রাজধানীর লালবাগে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় হত্যাচেষ্টা ও ভাঙচুরের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এই মামলার বাদী মো. আশরাফুল। মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরও রয়েছেন। শিরীন শারমিন চৌধুরী এই মামলার ৩ নম্বর আসামি।
রংপুরেও শিরীন শারমিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে একটি মামলা রয়েছে। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে স্বর্ণশ্রমিক মুসলিম উদ্দিন নিহত হওয়ার ঘটনায় ২০২৪ সালের ২৭ আগস্ট শিরীন শারমিন চৌধুরী, সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশিসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে এ হত্যা মামলা করা হয়। মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি আমলি আদালতে মামলাটি করেন রংপুর শহরের পূর্ব গনেশপুর এলাকার নিহত মুসলিম উদ্দিনের স্ত্রী দিলরুবা আক্তার (৩২)।
এ ছাড়া রাজধানীর উত্তরা ও বনানী থানায় শিরীন শারমিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে পৃথক আরও কয়েকটি মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে। ডিবিপ্রধান আজ সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, শিরীন শারমিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলাগুলোর তদন্ত চলছে, তাকে বর্তমানে ডিবি কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আজ দুপুরের দিকে ঢাকার আদালতে তোলা হবে। তবে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড চাওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী দেশে আছেন, নাকি পালিয়ে গেছেন— এমন প্রশ্ন দীর্ঘদিন ধরে ঘুরপাক খাচ্ছিল। আওয়ামী লীগের শীর্ষ অনেক নেতা কারাগারে, অথচ তাকে কেন গ্রেপ্তার করা হচ্ছিল না— এই প্রশ্নও ছিল আলোচনায়। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার তাকে ছাড় দিলেও বিএনপি কী একই অবস্থান নেবে— এ নিয়েও ছিল জল্পনা। অবশেষে সেই সব প্রশ্নের অবসান ঘটিয়ে গ্রেপ্তার হলেন শিরীন শারমিন চৌধুরী।
তাকে ঘিরে আরও কিছু প্রশ্ন সামনে এসেছে— আওয়ামী লীগ সরকারের পতনে ভূমিকা রাখা অনেকেই কেন তার প্রতি সহানুভূতিশীল ছিলেন? ৫ আগস্ট বিক্ষুব্ধ জনতার চোখ এড়িয়ে তাকে জাতীয় সংসদ ভবন থেকে কোথায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল?
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকেই শিরীন শারমিন জনসমক্ষে আসেননি। তিনি সরকারের কড়া নজরদারিতে ছিলেন এবং অনেকটা নজরবন্দি অবস্থায় স্বামী-সন্তানসহ সময় কাটাচ্ছিলেন। ওই দিন ছাত্র-জনতা সংসদ ভবনে প্রবেশের সময় তিনি ভবনের একটি গোপন কক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন— এমন গুঞ্জন রয়েছে। পরে রাত আড়াইটার দিকে সেনাবাহিনী তাকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয় বলে জানা যায়। এরপর তিনি কোথায় ছিলেন— দেশে না বিদেশে— তা নিয়ে নানা আলোচনা চলছিল।
এর আগে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শুনানির সময় জুনাইদ আহমেদ পলক জানান, ৫ আগস্ট সকাল থেকে রাত আড়াইটা পর্যন্ত স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকুসহ ১২ জন সংসদ ভবনের একটি কক্ষে অবস্থান করছিলেন। পরে সেনাবাহিনী তাদের উদ্ধার করে।
২০২৪ সালের ১০ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে শপথ নেন শিরীন শারমিন চৌধুরী। সরকার পতনের ২৭ দিনের মাথায়, ২ সেপ্টেম্বর তিনি স্পিকারের পদ থেকে পদত্যাগ করেন। অজ্ঞাত স্থান থেকে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে পদত্যাগপত্র পাঠানো হয়।
এদিকে তার আর্থিক বিষয়েও নজরদারি শুরু হয়। বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) তার ও পরিবারের চার সদস্যের ব্যাংক হিসাবের তথ্য চেয়ে বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে চিঠি পাঠায়। এতে তার স্বামী সৈয়দ ইশতিয়াক হোসাইন, ছেলে সৈয়দ ইবতেশাম রফিক এবং মেয়ে লামিসা শিরীন হোসাইনের তথ্যও চাওয়া হয়। তবে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে তার ব্যক্তিগত বা আর্থিক অনিয়ম নিয়ে বড় ধরনের অভিযোগ শোনা যায়নি।
আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় তিনি নতুন সাধারণ ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেন বলেও খবর প্রকাশিত হয়। আঙুলের ছাপ ও আইরিশ স্ক্যান দেওয়ার তথ্য সামনে এলেও, তিনি পাসপোর্ট পেয়েছেন কি না— তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
রংপুর-৬ আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে সংসদ সদস্য হন শিরীন শারমিন চৌধুরী। ২০১৩ সালের ৩০ এপ্রিল তিনি প্রথম স্পিকার নির্বাচিত হন এবং টানা এক দশকের বেশি সময় এই দায়িত্ব পালন করেন।
শিরীন শারমিন ২০০৯ সালে সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য হিসেবে জাতীয় সংসদে আসেন। মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে ২০১৩ সালে ৩০ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম নারী স্পিকার নির্বাচিত হন তিনি। এরপর ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ছেড়ে দেওয়া রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) আসন থেকে উপনির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সংসদে আসেন। একদিকে তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের আস্থাভাজন ছিলেন, আরেকদিকে তাকে ঘিরে দলটির অন্য নেতাদের তুলনায় সমালোচনা ছিল কম।
গ্রেপ্তার ও মামলার বিবরণ
আজ মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ধানমন্ডির ৮/এ রোডের বাসা থেকে শিরীন শারমিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করার কথা জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘তাকে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময়ের মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’
তবে ঠিক কোন মামলায় শিরীন শারমিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তা শুরুতে জানানো হয়নি। এ দিন বেলা ১২টার দিকে ডিবির পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে, রাজধানীর লালবাগে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় হত্যাচেষ্টা ও ভাঙচুরের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এই মামলার বাদী মো. আশরাফুল। মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরও রয়েছেন। শিরীন শারমিন চৌধুরী এই মামলার ৩ নম্বর আসামি।
রংপুরেও শিরীন শারমিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে একটি মামলা রয়েছে। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে স্বর্ণশ্রমিক মুসলিম উদ্দিন নিহত হওয়ার ঘটনায় ২০২৪ সালের ২৭ আগস্ট শিরীন শারমিন চৌধুরী, সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশিসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে এ হত্যা মামলা করা হয়। মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি আমলি আদালতে মামলাটি করেন রংপুর শহরের পূর্ব গনেশপুর এলাকার নিহত মুসলিম উদ্দিনের স্ত্রী দিলরুবা আক্তার (৩২)।
এ ছাড়া রাজধানীর উত্তরা ও বনানী থানায় শিরীন শারমিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে পৃথক আরও কয়েকটি মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে। ডিবিপ্রধান আজ সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, শিরীন শারমিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলাগুলোর তদন্ত চলছে, তাকে বর্তমানে ডিবি কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আজ দুপুরের দিকে ঢাকার আদালতে তোলা হবে। তবে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড চাওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

সৌদি আরবের টাইমলাইন অনুযায়ী ভিসা ও অর্থ পরিশোধসহ হজের যাবতীয় প্রস্তুতি এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। পাশাপাশি আগামী বছরের হজ প্যাকেজের ব্যয় কমানোর বিষয়েও সরকারের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে তিনি সংসদকে আশ্বস্ত করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
৪ ঘণ্টা আগে
সভায় সরকারি দলের সব সংসদ সদস্যকে যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে