
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিচারের মাধ্যমে পল্লবীতে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের শিকার শিশুটির বাবার আস্থার জায়গা ফিরিরে দেওয়া সম্ভব হয়েছে বলে জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেছেন, ‘আমরা তার আস্থার জায়গা ফিরিয়ে দিতে পেরেছি।’
আজ রোববার (৭ জুন) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে ৩০০ বিধিতে দেওয়া বিবৃতিতে আইনমন্ত্রী এ কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘ভুক্তভোগীর বাবার একটি আহাজারি ছিল যে, উনি বিচার চান না। কারণ এ দেশে এ ধরনের ঘটনার বিচার হবে না। আমরা আশ্বস্ত করেছিলাম। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছিলেন, এই ঘটনার আমরা বিচার করতে বদ্ধপরিকর।’
চীনা সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবী ও রাজনৈতিক নেতা মাও সেতুংয়ের একটি উক্তি উদ্ধৃত করে সংসদে উদাহরণ দেন আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘মাও সেতুং এর একটি ঐতিহাসিক উক্তি আছে— কোনো কোনো মৃত্যু থাই পাহাড়ের মতো ভারী, কোনো কোনো মৃত্যু পাখির পালকের মতো হালকা।’
এরপরই সংসদে স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন আইনমন্ত্রী। বলেন, ‘মাননীয় স্পিকার, এই হত্যাকাণ্ড আমাদের জীবনে থাই পাহাড়ের মতো ভারী হয়ে আছে। আর যদি এই আসামিদের ফাঁসি কার্যকরের মধ্য দিয়ে তাদের মৃত্যু ঘটাতে পারি, তাহলে সেটি আমাদের জাতির কাছে পাখির পালকের মতো হালকা হিসেবে আসবে বলে আমরা বিশ্বাস রাখি।’
আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেছিলেন ‘শিশুটির বাবা বিচার চান না, এ বিষয়ে সরকারের বক্তব্য কি?’...আজ শিশুটির বাবা বলেছেন ‘এই বিচারে উনি সন্তুষ্ট’। আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা তার আস্থার জায়গা ফিরিয়ে দিতে পেরেছি।’
মন্ত্রী বলেন, ‘আট বছরের শিশু ধর্ষণ এবং হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়ার সাত ঘণ্টার মধ্যে পুলিশ বাহিনী দুজন মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়। ২৪ মে চার্জশিট পাওয়ার পর পরই দেখা গেছে, আসামিপক্ষ কোনো আইনজীবী দেয়নি। এটি বিচার প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অন্যতম একটা প্রক্রিয়া ছিল। আইনের বিধান মেনে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে ২৪ তারিখে আসামিকে একটি স্টেট ডিফেন্স লয়ার দেওয়া হয়।’
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে রায়ের জন্য দিন ধার্য ছিল এবং রায় যথারীতি ঘোষিত হয়েছে। আমরা রাষ্ট্রপক্ষ থেকে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে, সমস্ত সাক্ষ্য সুবাদ উপস্থাপন পূর্বক যে রায় প্রত্যাশা করেছিলাম, যে রায় প্রস্তাব করেছিলাম, যে রায় আদালতের কাছে প্রার্থনা করেছিলাম, আদালত সমস্ত সাক্ষ্য প্রমাণ আলোচনা করে ৪১ মিনিট শুধুমাত্র তার পর্যালোচনা এবং আদেশের পাঠটা ঘোষণা করেছেন।’
তিনি বলেন, ‘আমরা আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, ওই শিশুটির হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত মূল আসামি সোহেল এবং তার সহযোগিতাকারী স্ত্রীর আদালতের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ডের রায় পেয়েছি। পল্লবীর শিশুটিসহ সম্প্রতি যে সমস্ত ঘটনা ঘটেছে, সরকারের পক্ষ থেকে বিশেষ তদারকির মাধ্যমে আমরা তদন্ত এবং বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য সব ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছি এবং সেই গতিতে কাজ এগিয়ে চলছে।’

বিচারের মাধ্যমে পল্লবীতে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের শিকার শিশুটির বাবার আস্থার জায়গা ফিরিরে দেওয়া সম্ভব হয়েছে বলে জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেছেন, ‘আমরা তার আস্থার জায়গা ফিরিয়ে দিতে পেরেছি।’
আজ রোববার (৭ জুন) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে ৩০০ বিধিতে দেওয়া বিবৃতিতে আইনমন্ত্রী এ কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘ভুক্তভোগীর বাবার একটি আহাজারি ছিল যে, উনি বিচার চান না। কারণ এ দেশে এ ধরনের ঘটনার বিচার হবে না। আমরা আশ্বস্ত করেছিলাম। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছিলেন, এই ঘটনার আমরা বিচার করতে বদ্ধপরিকর।’
চীনা সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবী ও রাজনৈতিক নেতা মাও সেতুংয়ের একটি উক্তি উদ্ধৃত করে সংসদে উদাহরণ দেন আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘মাও সেতুং এর একটি ঐতিহাসিক উক্তি আছে— কোনো কোনো মৃত্যু থাই পাহাড়ের মতো ভারী, কোনো কোনো মৃত্যু পাখির পালকের মতো হালকা।’
এরপরই সংসদে স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন আইনমন্ত্রী। বলেন, ‘মাননীয় স্পিকার, এই হত্যাকাণ্ড আমাদের জীবনে থাই পাহাড়ের মতো ভারী হয়ে আছে। আর যদি এই আসামিদের ফাঁসি কার্যকরের মধ্য দিয়ে তাদের মৃত্যু ঘটাতে পারি, তাহলে সেটি আমাদের জাতির কাছে পাখির পালকের মতো হালকা হিসেবে আসবে বলে আমরা বিশ্বাস রাখি।’
আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেছিলেন ‘শিশুটির বাবা বিচার চান না, এ বিষয়ে সরকারের বক্তব্য কি?’...আজ শিশুটির বাবা বলেছেন ‘এই বিচারে উনি সন্তুষ্ট’। আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা তার আস্থার জায়গা ফিরিয়ে দিতে পেরেছি।’
মন্ত্রী বলেন, ‘আট বছরের শিশু ধর্ষণ এবং হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়ার সাত ঘণ্টার মধ্যে পুলিশ বাহিনী দুজন মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়। ২৪ মে চার্জশিট পাওয়ার পর পরই দেখা গেছে, আসামিপক্ষ কোনো আইনজীবী দেয়নি। এটি বিচার প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অন্যতম একটা প্রক্রিয়া ছিল। আইনের বিধান মেনে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে ২৪ তারিখে আসামিকে একটি স্টেট ডিফেন্স লয়ার দেওয়া হয়।’
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে রায়ের জন্য দিন ধার্য ছিল এবং রায় যথারীতি ঘোষিত হয়েছে। আমরা রাষ্ট্রপক্ষ থেকে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে, সমস্ত সাক্ষ্য সুবাদ উপস্থাপন পূর্বক যে রায় প্রত্যাশা করেছিলাম, যে রায় প্রস্তাব করেছিলাম, যে রায় আদালতের কাছে প্রার্থনা করেছিলাম, আদালত সমস্ত সাক্ষ্য প্রমাণ আলোচনা করে ৪১ মিনিট শুধুমাত্র তার পর্যালোচনা এবং আদেশের পাঠটা ঘোষণা করেছেন।’
তিনি বলেন, ‘আমরা আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, ওই শিশুটির হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত মূল আসামি সোহেল এবং তার সহযোগিতাকারী স্ত্রীর আদালতের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ডের রায় পেয়েছি। পল্লবীর শিশুটিসহ সম্প্রতি যে সমস্ত ঘটনা ঘটেছে, সরকারের পক্ষ থেকে বিশেষ তদারকির মাধ্যমে আমরা তদন্ত এবং বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য সব ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছি এবং সেই গতিতে কাজ এগিয়ে চলছে।’

বৈঠকে সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি দুর্নীতি দমনে সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি কীভাবে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে, সে বিষয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। বৈঠকে প্রতি মাসে সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির অন্তত দুটি বৈঠক নিয়মিতভাবে আয়োজনের
১৩ ঘণ্টা আগে
‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নস অর্ডিন্যান্স’ রহিত করে নতুন আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে বিলটি উত্থাপন করা হয়। এই বিলের মাধ্যমে এপিবিএনকে প্রথমবারের মতো ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
সংকট উত্তরণে সৌরবিদ্যুতের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এতদিন আমরা আমদানিনির্ভর উৎস থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের গ্রাহক ছিলাম। বর্তমান সরকার সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের যে পরিকল্পনা গ্রহণ করতে যাচ্ছে, তা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে পারলে আমরা কেবল গ্রাহক থাকব না, বরং সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদক হব।’
১৫ ঘণ্টা আগে
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে জেজেইউ আহ্বায়ক সাইফুর সাগর বলেন, অভ্যুত্থানের আড়াই বছরেও এমন সংগঠন হয়নি। এখন কেন হয়েছে? হয়েছে সময়ের প্রয়োজনে। জুলাইপন্থি সব সাংবাদিকের জন্য এটি উন্মুক্ত। গণমাধ্যমকে সঠিক পথে রাখতে জুলাইয়ের সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাবে।
১৫ ঘণ্টা আগে