
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। একই প্রজ্ঞাপনে কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ড. জাহাঙ্গীর আলম খান ও ড. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া।
সোমবার (১৭ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সই করা এক প্রজ্ঞাপন সূত্র এসব তথ্য জানা গেছে।
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ৭-এর উপধারা (১)-এর বিধান অনুযায়ী বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানকে কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ৭-এর উপধারা (১)-এর বিধান অনুযায়ী নিম্নলিখিত ব্যক্তিদের দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান এবং কমিশনার হিসেবে ড. জাহাঙ্গীর আলম খান এবং ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়াকে নিয়োগ দেওয়া হলো।
চলতি বছরের ৩ মার্চ সাবেক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন পদত্যাগ করার পর থেকে দুদক চেয়ারম্যান পদটি খালি রয়েছে। গত প্রায় ছয় মাসেও দুদক চেয়ারম্যান ও কমিশনার পদে নিয়োগ দিতে না পারায় সমালোচিত হচ্ছিল বিএনপি সরকার।
এর মধ্যে নতুন দুদক চেয়ারম্যান ও কমিশনার নির্বাচনের জন্য সরকার সার্চ কমিটি গঠন করে জীবনবৃত্তান্ত আহ্বান করেছিল। সে কমিটির কাছে প্রায় ৪০ জন আগ্রহী ব্যক্তি জীবনবৃত্তান্ত জমা দেন। যাচাই-বাছাই শেষে যোগ্য প্রার্থীদের নাম রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ করেছে কমিটি।
সার্চ কমিটির সুপারিশে দুদক চেয়ারম্যান হিসেবে উঠে আসা অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানের জন্ম ১৯৫৯ সালের ১ মার্চ, নওগাঁর সাপাহার উপজেলায়। তার বাবা এম এ সামাদ একজন খ্যাতিমান আইনজীবী ছিলেন।
আসাদুজ্জামান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (সম্মান) ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জনের পর ১৯৮৩ সালের ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা জেলা বারে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন আসাদুজ্জামান। ১৯৮৫ সালের ৫ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে ও ২০০১ সালের ২৫ অক্টোবর আপিল বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন তিনি।
আর দুদক আইন, ২০০৪-এর ধারা ১৩-এর বিধান অনুযায়ী কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানের বেতন, ভাতা, অন্যান্য সুবিধা ও পদমর্যাদা সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারকের এবং কমিশনার ড. জাহাঙ্গীর আলম খান ও ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়ার বেতন, ভাতা, অন্যান্য সুবিধা ও পদমর্যাদা সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকের সমরূপ নির্ধারণ করা হয়েছে।
কমিশনার হিসেবে নাম চূড়ান্ত হওয়া ড. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক কর কমিশনার ও অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধিভুক্ত ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিলের (এফআরসি) চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন।
অপর কমিশনার ড. জাহাঙ্গীর আলম খান অবসরপ্রাপ্ত সাবেক সচিব। তিনি ৮৫ ব্যাচের কর্মকর্তা ছিলেন বলে জানা গেছে।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। একই প্রজ্ঞাপনে কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ড. জাহাঙ্গীর আলম খান ও ড. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া।
সোমবার (১৭ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সই করা এক প্রজ্ঞাপন সূত্র এসব তথ্য জানা গেছে।
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ৭-এর উপধারা (১)-এর বিধান অনুযায়ী বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানকে কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ৭-এর উপধারা (১)-এর বিধান অনুযায়ী নিম্নলিখিত ব্যক্তিদের দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান এবং কমিশনার হিসেবে ড. জাহাঙ্গীর আলম খান এবং ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়াকে নিয়োগ দেওয়া হলো।
চলতি বছরের ৩ মার্চ সাবেক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন পদত্যাগ করার পর থেকে দুদক চেয়ারম্যান পদটি খালি রয়েছে। গত প্রায় ছয় মাসেও দুদক চেয়ারম্যান ও কমিশনার পদে নিয়োগ দিতে না পারায় সমালোচিত হচ্ছিল বিএনপি সরকার।
এর মধ্যে নতুন দুদক চেয়ারম্যান ও কমিশনার নির্বাচনের জন্য সরকার সার্চ কমিটি গঠন করে জীবনবৃত্তান্ত আহ্বান করেছিল। সে কমিটির কাছে প্রায় ৪০ জন আগ্রহী ব্যক্তি জীবনবৃত্তান্ত জমা দেন। যাচাই-বাছাই শেষে যোগ্য প্রার্থীদের নাম রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ করেছে কমিটি।
সার্চ কমিটির সুপারিশে দুদক চেয়ারম্যান হিসেবে উঠে আসা অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানের জন্ম ১৯৫৯ সালের ১ মার্চ, নওগাঁর সাপাহার উপজেলায়। তার বাবা এম এ সামাদ একজন খ্যাতিমান আইনজীবী ছিলেন।
আসাদুজ্জামান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (সম্মান) ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জনের পর ১৯৮৩ সালের ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা জেলা বারে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন আসাদুজ্জামান। ১৯৮৫ সালের ৫ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে ও ২০০১ সালের ২৫ অক্টোবর আপিল বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন তিনি।
আর দুদক আইন, ২০০৪-এর ধারা ১৩-এর বিধান অনুযায়ী কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানের বেতন, ভাতা, অন্যান্য সুবিধা ও পদমর্যাদা সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারকের এবং কমিশনার ড. জাহাঙ্গীর আলম খান ও ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়ার বেতন, ভাতা, অন্যান্য সুবিধা ও পদমর্যাদা সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকের সমরূপ নির্ধারণ করা হয়েছে।
কমিশনার হিসেবে নাম চূড়ান্ত হওয়া ড. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক কর কমিশনার ও অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধিভুক্ত ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিলের (এফআরসি) চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন।
অপর কমিশনার ড. জাহাঙ্গীর আলম খান অবসরপ্রাপ্ত সাবেক সচিব। তিনি ৮৫ ব্যাচের কর্মকর্তা ছিলেন বলে জানা গেছে।

সরকারের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, বিচারপতি আসাদুজ্জামানকে চেয়ারম্যান করে নতুন এই কমিশনের সুপারিশসহ প্রতিবেদন এরই মধ্যে জমা দিয়েছে সার্চ কমিটি। সার্চ কমিটির এই সুপারিশ অনুযায়ী দুয়েকদিনের মধ্যেই নতুন দুদকের প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।
১২ ঘণ্টা আগে
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, র্যাব বিলুপ্ত করে বাংলাদেশ পুলিশের আওতায় ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ নামে একটি বিশেষায়িত ইউনিট প্রতিষ্ঠা করা হবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রণীত খসড়া আইনটি লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের ভেটিংসাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
সোমবার (১৭ আগস্ট) তাদের পদোন্নতির আদেশ দিয়ে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারের পাশাপাশি অন্যান্য ক্যাডারের কর্মকর্তারাও রয়েছেন।
১৬ ঘণ্টা আগে
সোমবার (১৭ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ইসরাফিল রতনকে আহ্বায়ক করে এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
১৭ ঘণ্টা আগে