
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট পরবর্তী সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত সহিংসতা, প্রাণহানি ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ওপর হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। একই সঙ্গে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা বন্ধে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
আজ রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) আসকের জ্যেষ্ঠ সমন্বয়কারী আবু আহমেদ ফয়জুল কবিরের সই করা এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানানো হয়। আসক মনে করে, নির্বাচন পরবর্তী শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার জন্য অপরিহার্য।
বিবৃতিতে আসক জানায়, গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী মুন্সীগঞ্জ ও বাগেরহাট জেলায় সহিংস ঘটনায় অন্তত দুজন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া সিলেট, কুমিল্লা, নরসিংদী, ফেনী, গাজীপুর, নাটোর, ঝালকাঠি, নড়াইল, পাবনা, বগুড়া, ফরিদপুর, বরগুনা, ঝিনাইদহ, চাঁদপুর, পটুয়াখালী, কিশোরগঞ্জ ও দিনাজপুরসহ বিভিন্ন জেলায় হামলার ঘটনায় দুই শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। একই সময়ে একজন নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে, যা মানব মর্যাদা ও মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের চরম উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।
বিবৃতিতে আসক বলছে, সংস্থাটি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়বদ্ধতা হলো প্রতিটি নাগরিকের জীবন, নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করা। বিশেষ করে নারী, সংখ্যালঘু ও সামাজিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের মৌলিক দায়িত্বের অংশ।
এ প্রেক্ষাপটে সংস্থাটি সব রাজনৈতিক দলের প্রতি জোরালোভাবে আহ্বান জানিয়েছে, তারা যেন অবিলম্বে তৃণমূল পর্যায়ে কঠোর ও স্পষ্ট নির্দেশনা প্রদান করে, যাতে কোনো ধরনের প্রতিশোধমূলক সহিংসতা, হামলা, দখল, ভীতি প্রদর্শন বা নারী নির্যাতনের ঘটনা না ঘটে। রাজনৈতিক মতপার্থক্য কোনোভাবেই সহিংসতা বা মানবাধিকার লঙ্ঘনের বৈধতা দিতে পারে না বলেও উল্লেখ করা হয়েছে বিবৃতিতে।
একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি প্রতিটি ঘটনা দ্রুত, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য তদন্তের মাধ্যমে বিচার প্রক্রিয়ার আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে আসক। বিশেষ করে যৌন সহিংসতার ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীর নিরাপত্তা, চিকিৎসা, মানসিক ও আইনি সহায়তা নিশ্চিত করতে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট পরবর্তী সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত সহিংসতা, প্রাণহানি ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ওপর হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। একই সঙ্গে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা বন্ধে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
আজ রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) আসকের জ্যেষ্ঠ সমন্বয়কারী আবু আহমেদ ফয়জুল কবিরের সই করা এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানানো হয়। আসক মনে করে, নির্বাচন পরবর্তী শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার জন্য অপরিহার্য।
বিবৃতিতে আসক জানায়, গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী মুন্সীগঞ্জ ও বাগেরহাট জেলায় সহিংস ঘটনায় অন্তত দুজন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া সিলেট, কুমিল্লা, নরসিংদী, ফেনী, গাজীপুর, নাটোর, ঝালকাঠি, নড়াইল, পাবনা, বগুড়া, ফরিদপুর, বরগুনা, ঝিনাইদহ, চাঁদপুর, পটুয়াখালী, কিশোরগঞ্জ ও দিনাজপুরসহ বিভিন্ন জেলায় হামলার ঘটনায় দুই শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। একই সময়ে একজন নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে, যা মানব মর্যাদা ও মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের চরম উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।
বিবৃতিতে আসক বলছে, সংস্থাটি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়বদ্ধতা হলো প্রতিটি নাগরিকের জীবন, নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করা। বিশেষ করে নারী, সংখ্যালঘু ও সামাজিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের মৌলিক দায়িত্বের অংশ।
এ প্রেক্ষাপটে সংস্থাটি সব রাজনৈতিক দলের প্রতি জোরালোভাবে আহ্বান জানিয়েছে, তারা যেন অবিলম্বে তৃণমূল পর্যায়ে কঠোর ও স্পষ্ট নির্দেশনা প্রদান করে, যাতে কোনো ধরনের প্রতিশোধমূলক সহিংসতা, হামলা, দখল, ভীতি প্রদর্শন বা নারী নির্যাতনের ঘটনা না ঘটে। রাজনৈতিক মতপার্থক্য কোনোভাবেই সহিংসতা বা মানবাধিকার লঙ্ঘনের বৈধতা দিতে পারে না বলেও উল্লেখ করা হয়েছে বিবৃতিতে।
একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি প্রতিটি ঘটনা দ্রুত, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য তদন্তের মাধ্যমে বিচার প্রক্রিয়ার আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে আসক। বিশেষ করে যৌন সহিংসতার ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীর নিরাপত্তা, চিকিৎসা, মানসিক ও আইনি সহায়তা নিশ্চিত করতে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এ ছাড়া তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে যাবজ্জীবন সাজা দেওয়া হয়েছে। এ মামলার ৩০ আসামির মধ্যে বাকি ২৫ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ রায় ঘোষণা করেন।
২ ঘণ্টা আগে
মালয়েশিয়া থেকে ২৬ হাজার টন অকটেন নিয়ে অয়েল ট্যাংকার ‘এমটি সেন্ট্রাল স্টার’ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। বুধবার রাত সাড়ে ৮টায় জাহাজটি বন্দরের বহির্নোঙরে অবস্থান নেয়। জাহাজটি মার্শাল আইল্যান্ডের পতাকাবাহী।
২ ঘণ্টা আগে
ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, ঐতিহাসিক এই রায় ঘোষণা বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।
২ ঘণ্টা আগে