
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

মাঠে থাকা সেনাসদস্যদের ধাপে ধাপে ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগামী জুন মাসের মধ্যেই সেনাবাহিনীর সব সদস্যকে মাঠ থেকে সরিয়ে নেওয়া হবে। আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত কোর কমিটির বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, আগামী ৬ জুন থেকে চূড়ান্ত প্রত্যাহার শুরু হবে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রথম ধাপে দেশের প্রত্যন্ত জেলা থেকে সেনাসদস্যদের ফিরিয়ে আনা হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে বিভাগীয় শহর ও বড় জেলাগুলো থেকেও সেনা প্রত্যাহার সম্পন্ন করা হবে। পুরো প্রক্রিয়াটি জুনের মধ্যেই শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার (০৫ মে) অনুষ্ঠিত কোর কমিটির প্রথম বৈঠকে এ বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নির্ধারণের লক্ষ্যে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার, বিজিবির মহাপরিচালকসহ বিভিন্ন বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রায় আড়াই ঘণ্টাব্যাপী এই বৈঠকে সেনা প্রত্যাহারের পাশাপাশি দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, চাঁদাবাজি দমন, মাদকবিরোধী অভিযান এবং পুলিশের কাঠামোগত কিছু পরিবর্তন নিয়েও আলোচনা হয়।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে মাঠপর্যায়ে প্রায় ১৭ হাজার সেনাসদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘ সময় ধরে মোতায়েন থাকায় তাদের ধীরে ধীরে নিজ নিজ ইউনিটে ফিরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ আগেই নিয়েছিল প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
বৈঠকে আরও জানা যায়, সাম্প্রতিক বিভিন্ন আইনি প্রক্রিয়া, সাংবাদিকদের জামিন-সংক্রান্ত বিষয়, আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল এবং সিটি করপোরেশনের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও আলোচনায় এসেছে। যেসব সাংবাদিকের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ নেই, তাদের জামিনে বাধা না দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিদেশে যেতে ইচ্ছুক সাংবাদিকদের হয়রানি না করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
রাজনীতি/একে

মাঠে থাকা সেনাসদস্যদের ধাপে ধাপে ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগামী জুন মাসের মধ্যেই সেনাবাহিনীর সব সদস্যকে মাঠ থেকে সরিয়ে নেওয়া হবে। আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত কোর কমিটির বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, আগামী ৬ জুন থেকে চূড়ান্ত প্রত্যাহার শুরু হবে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রথম ধাপে দেশের প্রত্যন্ত জেলা থেকে সেনাসদস্যদের ফিরিয়ে আনা হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে বিভাগীয় শহর ও বড় জেলাগুলো থেকেও সেনা প্রত্যাহার সম্পন্ন করা হবে। পুরো প্রক্রিয়াটি জুনের মধ্যেই শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার (০৫ মে) অনুষ্ঠিত কোর কমিটির প্রথম বৈঠকে এ বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নির্ধারণের লক্ষ্যে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার, বিজিবির মহাপরিচালকসহ বিভিন্ন বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রায় আড়াই ঘণ্টাব্যাপী এই বৈঠকে সেনা প্রত্যাহারের পাশাপাশি দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, চাঁদাবাজি দমন, মাদকবিরোধী অভিযান এবং পুলিশের কাঠামোগত কিছু পরিবর্তন নিয়েও আলোচনা হয়।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে মাঠপর্যায়ে প্রায় ১৭ হাজার সেনাসদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘ সময় ধরে মোতায়েন থাকায় তাদের ধীরে ধীরে নিজ নিজ ইউনিটে ফিরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ আগেই নিয়েছিল প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
বৈঠকে আরও জানা যায়, সাম্প্রতিক বিভিন্ন আইনি প্রক্রিয়া, সাংবাদিকদের জামিন-সংক্রান্ত বিষয়, আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল এবং সিটি করপোরেশনের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও আলোচনায় এসেছে। যেসব সাংবাদিকের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ নেই, তাদের জামিনে বাধা না দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিদেশে যেতে ইচ্ছুক সাংবাদিকদের হয়রানি না করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
রাজনীতি/একে

তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, গণমাধ্যমে প্রকৃত পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করা গেলেই এই খাতের বিদ্যমান অনেক সমস্যার সমাধান স্বয়ংক্রিয়ভাবে হয়ে যাবে।
৩ ঘণ্টা আগে
টিকাদান কর্মসূচিতে কোনো ঘাটতি থাকবে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
৪ ঘণ্টা আগে
ভবিষ্যতে খেলার মাঠে মেলা করার অনুমতি দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিনুল হক।
৫ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, তারা (বিনিয়োগকারীরা) বলছেন, এখানে সরকারের যে সংস্থাগুলো আছে, সেগুলো খুব ধীরগতিতে চলে। তারা যে গতিতে কোনো ইস্যুর সমাধান চান, তা পান না। এতে নেতিবাচক অবস্থা তৈরি হয়, তারা হতাশ হয়ে যান।
৫ ঘণ্টা আগে