
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

সরকারি চাকরি অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে সচিবালয়ে প্রশাসনিক ভবন অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন কর্মচারীরা। আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সচিবালয়ের ৪ নম্বর ভবনের সামনে সমবেত হন তারা। এক পর্যায়ে তারা বসে পড়ে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে ৷
আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য ফোরাম। সংগঠনটির কো–চেয়ারম্যান মো. বাদিউল কবির ও মো. নুরুল ইসলাম, কো–মহাসচিব নজরুল ইসলামসহ অন্যান্য নেতারা বিক্ষোভে অংশ নেন।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া কর্মচারীরা ‘আমার সোনার বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই’, ‘লেগেছে রে লেগেছে, রক্তে আগুন লেগেছে’, ‘জেগেছে রে জেগেছে, সচিবালয় জেগেছে’, ‘মানি না মানবো না, ফ্যাসিবাদী কালো আইন’, ‘ফ্যাসিবাদের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান’—এমন নানা স্লোগানে মুখর করে তোলেন সচিবালয় এলাকা।
উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদনের পর সরকারি চাকরি অধ্যাদেশের খসড়া বাতিলের দাবিতে গত ২৪ মে আন্দোলনে নামেন সচিবালয়ের কর্মচারীরা। কর্মচারীদের আন্দোলনের মধ্যেই ২৫ মে রাতে এই অধ্যাদেশ জারি করে সরকার। অধ্যাদেশ অনুযায়ী, চার ধরনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অপরাধের জন্য বিভাগীয় মামলা ছাড়াই শুধুমাত্র কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে চাকরিচ্যুত করা যাবে।
অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে সর্বশেষ ঈদের ছুটির আগে তিন জুন পর্যন্ত সচিবালয়ে বিক্ষোভ করেছেন কর্মচারীরা। চাকরি অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে সরকারের সাতজন উপদেষ্টাকে স্মারকলিপিও দিয়েছেন তারা। ১৫ জুনের মধ্যে চাকরি অধ্যাদেশ বাতিল না করলে ১৬ জুন থেকে কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণার হুমকিও দিয়েছিলেন কর্মচারী নেতারা।
এর মধ্যে গত ৪ জুন `সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫' পর্যালোচনা করে সুপারিশ দিতে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ নজরুলকে আহ্বায়ক করে একটি কমিটি গঠন করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। কমিটি সোমবার বিকেলে প্রথম বৈঠকে বসছে। কমিটির সুপারিশ দেওয়া পর্যন্ত কর্মচারীদের আন্দোলন কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন আইন উপদেষ্টা।

সরকারি চাকরি অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে সচিবালয়ে প্রশাসনিক ভবন অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন কর্মচারীরা। আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সচিবালয়ের ৪ নম্বর ভবনের সামনে সমবেত হন তারা। এক পর্যায়ে তারা বসে পড়ে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে ৷
আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য ফোরাম। সংগঠনটির কো–চেয়ারম্যান মো. বাদিউল কবির ও মো. নুরুল ইসলাম, কো–মহাসচিব নজরুল ইসলামসহ অন্যান্য নেতারা বিক্ষোভে অংশ নেন।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া কর্মচারীরা ‘আমার সোনার বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই’, ‘লেগেছে রে লেগেছে, রক্তে আগুন লেগেছে’, ‘জেগেছে রে জেগেছে, সচিবালয় জেগেছে’, ‘মানি না মানবো না, ফ্যাসিবাদী কালো আইন’, ‘ফ্যাসিবাদের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান’—এমন নানা স্লোগানে মুখর করে তোলেন সচিবালয় এলাকা।
উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদনের পর সরকারি চাকরি অধ্যাদেশের খসড়া বাতিলের দাবিতে গত ২৪ মে আন্দোলনে নামেন সচিবালয়ের কর্মচারীরা। কর্মচারীদের আন্দোলনের মধ্যেই ২৫ মে রাতে এই অধ্যাদেশ জারি করে সরকার। অধ্যাদেশ অনুযায়ী, চার ধরনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অপরাধের জন্য বিভাগীয় মামলা ছাড়াই শুধুমাত্র কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে চাকরিচ্যুত করা যাবে।
অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে সর্বশেষ ঈদের ছুটির আগে তিন জুন পর্যন্ত সচিবালয়ে বিক্ষোভ করেছেন কর্মচারীরা। চাকরি অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে সরকারের সাতজন উপদেষ্টাকে স্মারকলিপিও দিয়েছেন তারা। ১৫ জুনের মধ্যে চাকরি অধ্যাদেশ বাতিল না করলে ১৬ জুন থেকে কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণার হুমকিও দিয়েছিলেন কর্মচারী নেতারা।
এর মধ্যে গত ৪ জুন `সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫' পর্যালোচনা করে সুপারিশ দিতে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ নজরুলকে আহ্বায়ক করে একটি কমিটি গঠন করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। কমিটি সোমবার বিকেলে প্রথম বৈঠকে বসছে। কমিটির সুপারিশ দেওয়া পর্যন্ত কর্মচারীদের আন্দোলন কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন আইন উপদেষ্টা।

বেনজীরকে ‘জঘন্য হত্যাকারী’ আখ্যা দিয়ে সংসদে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের কাছে যে তথ্য আছে তাতে বেনজীর ক্যারিবীয় দ্বীপরাষ্ট্র সেন্ট লুসিয়ায় যাননি। দুবাইয়ে আছেন। তাকে দুবাই থেকে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে।
১৩ ঘণ্টা আগে
সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে বলে জাতীয় সংসদে ক্ষোভ জানিয়েছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। দুবাইয়ে গ্রেপ্তারের পরও বেনজীরের জামিনে মুক্তি এবং পরে তার সেন্ট লুসিয়ায় যাওয়ার খবর জানিয়ে তারা দ্রুত তাকে দেশে ফিরিয়ে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানিয়েছেন।
১৪ ঘণ্টা আগে
নোটিশে মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক এম এ জি ওসমানীর ১০৮তম জন্মবার্ষিকীতে বঙ্গবীর ওসমানী স্মৃতি পরিষদ আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি হতাশ ও লজ্জিত হয়েছেন। তার দাবি, প্রবীণ কিছু মানুষ ছিলেন অনুষ্ঠানের বক্তা ও শ্রোতা, যাদের বয়স ৭০ থেকে ৮০ বছরের বেশি।
১৫ ঘণ্টা আগে
নুর মোহাম্মদ এই হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন। পরে আদালত থেকে জামিন নিয়ে তিনি পলাতক হন। মামলার রায় ঘোষণার সময়ও তিনি পলাতক ছিলেন। দুই যুগ পর সেই মামলায় ১০ বছরের সাজা ভোগ করতে ১০৪ বছর বয়সে কারাগারে গেলেন তিনি।
১৬ ঘণ্টা আগে