‘জ্বালানি ঝড়ে’র মুখে এক মাস বয়সী সরকার

নাজমুল ইসলাম হৃদয়
আপডেট : ২৩ মার্চ ২০২৬, ১৯: ২৮
ইরান যুদ্ধের জের ধরে জ্বালানি সংকটের মুখে পড়েছে বাংলাদেশও। প্রতীকী ছবি

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান যুদ্ধে বৈশ্বিক জ্বালানি খাতই টালমাটাল হয়ে পড়েছে। সংকটের কালো ছায়া পড়তে শুরু করেছে দেশীয় জ্বালানি খাতেও। বিশেষ করে ঈদের ছুটির পর যখন দেশের শিল্প-কারখানা ও অফিস-আদালত পূর্ণ গতিতে চালু হবে, তখন জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট প্রকট হয়ে সামনে এসে দাঁড়াবে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। সরকারের সামনেই তাই জ্বালানি হয়ে উঠতে পারে প্রধান চ্যালেঞ্জ।

আমদানি করা জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা ও বিশ্ববাজারে তেলের আকাশচুম্বী দাম— এই দ্বিমুখী চাপে মাত্র এক মাস আগে গঠিত নতুন সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা। বাংলাদেশের মতো আমদানিনির্ভর অর্থনীতির জন্য এই সংকট কেবল বিদ্যুৎ বিভ্রাট নয়, বরং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর বড় ধরণের আঘাত হানার সংকেত দিচ্ছে।

বর্তমানে দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা কমপক্ষে চার হাজার মিলিয়ন ঘনফুট হলেও সরবরাহ করা হচ্ছে মাত্র আড়াই হাজার থেকে দুই হাজার ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। এই চাহিদার বড় একটি অংশ মেটানো হয় আমদানি করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) দিয়ে। কিন্তু যুদ্ধের প্রভাবে লোহিত সাগর ও অতি গুরুত্বপূর্ণ হরমোজ প্রণালি অস্থিতিশীল হয়ে ওঠায় বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

সার্বিক প্রেক্ষাপটে জ্বালানি সংকটের মধ্যে ঈদের পর শিল্প উৎপাদন সচল রাখা ও কৃষি আবাদে সেচ নিশ্চিত করাকেই নতুন সরকারের ‘প্রকৃত অগ্নিপরীক্ষা’ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, বানানো কথা বা মিথ্যা আশ্বাস না দিয়ে সরকারকে ‘ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট’ শুরু করতে হবে। অতিরঞ্জিত চাহিদা নিরূপণ পরিহার করে তথ্যভিত্তিক পরিকল্পনা ও জ্বালানি সাশ্রয়ে জাতীয়ভাবে কঠোর অবস্থান না নিলে সামনের দিনগুলোতে বাংলাদেশের জনজীবন ও অর্থনীতি উভয়ই চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়বে।

জ্বালানি ও টেকসই উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সাবেক অধ্যাপক ড. ইজাজ হোসেন রাজনীতি ডটকমকে বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের ২০ শতাংশ, এশিয়ার ৫০ শতাংশ এবং বাংলাদেশের প্রায় ৮০ শতাংশ জ্বালানি তেল প্রবাহিত হয়। ইরান এই পথ বন্ধ করে দেওয়ায় আমরা এক সাংঘাতিক সংকটের মুখে রয়েছি। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে তেলের দাম তো বেড়েছেই, যা খুব শিগগিরই কমবে বলে মনে হচ্ছে না। ফলে তেলের দাম যেমন আগামী ছয় মাস আমাদের ভোগাবে, তেমনি এটি কিনতেও আমাদের চরম বেগ পেতে হবে।’

বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের জন্য এরই মধ্যে বড় দুঃসংবাদ এসেছে কাতার থেকে। দেশের মোট এলএনজি আমদানির প্রায় ৯৬ শতাংশই আসে এই দেশ থেকে। কিন্তু সাম্প্রতিক যুদ্ধে দেশটির জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তারা ‘ফোর্স মেজার’ বা অনিবার্য কারণ দেখিয়ে আপাতত সরবরাহ বন্ধের কথা সরকারকে জানিয়ে দিয়েছে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিটের সিনিয়র সাংবাদিক অরুণ কর্মকার রাজনীতি ডটকমকে বলেন, ‘আমাদের এলএনজির ৯৬ শতাংশের উৎস কাতার। অথচ ইরানের আক্রমণে কাতারের অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তারা আপাতত সরবরাহ বন্ধের কথা সরকারকে জানিয়ে দিয়েছে। বর্তমানে আবহাওয়া কিছুটা ঠান্ডা থাকলেও সামনে যখন তীব্র গরম পড়বে এবং বোরো চাষে সেচের জন্য চাহিদা বেড়ে যাবে, তখন পরিস্থিতি সামলানো অত্যন্ত কঠিন হবে।’

জ্বালানি আমদানিনির্ভর দেশ হওয়ায় বৈশ্বিক এই সংকটের ‘চেইন রিঅ্যাকশন’ পড়বে জীবনরক্ষাকারী ওষুধ থেকে শুরু করে নিত্যদিনের প্রয়োজনীয় সব পণ্যের ওপর। কেবল বাংলাদেশ নয়, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে বড় বড় দেশগুলোকে ভুগতে হলে তার প্রভাবেও ভোগান্তি বাড়বে বাংলাদেশের।

জ্বালানি খাতের সাংবাদিক আরিফুজ্জামান তুহিন চলমান ইরান যুদ্ধের বহুমুখী প্রভাবের কথা তুলে ধরে রাজনীতি ডটকমকে বলেন, ‘আমরা জ্বালানি আমদানিনির্ভর দেশ হওয়ায় বৈশ্বিক সংকটে আমাদের একার পক্ষে সক্ষমতা দেখানো সম্ভব নয়। এমনকি চীনের মতো ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিও এমন সংকটে থমকে যাবে। আর চীন থমকে গেলে আমাদের অধিকাংশ পণ্য, এমনকি ওষুধেরও ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ কাঁচামাল আসা বন্ধ হয়ে যাবে।’

‘ফলে জ্বালানির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নয়— এমন পণ্যের দামও আকাশচুম্বী হবে। পরিস্থিতি এমন হতে পারে যে স্রেফ একটি সাধারণ প্যারাসিটামলের দামও বেড়ে যেতে পারে,’— বলেন আরিফুজ্জামান তুহিন।

সংকট কেবল আমদানিতেই সীমাবদ্ধ নেই, মাঠপর্যায়ে দেশের পেট্রোল পাম্পগুলোতেও এখন চরম অরাজকতা শুরু হয়েছে। সরবরাহ সংকটের কারণে পাম্পগুলোতে তেল নিতে আসা মোটরসাইকেল চালকসহ সাধারণ গ্রাহকরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন সদ্য শেষ হওয়া রমজান মাসের মাঝামাঝি সময় থেকেই। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন যেকোনো সময় পাম্প বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

পাম্পের মালিকদের এ সমিতি এক বিবৃতিতে তেল পরিবহনের সময় ট্যাংকারগুলো পথে লুট হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, যা দেশের অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য এক বড় সংকেত। পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ও সরবরাহ নিশ্চিত করা না হলে তাদের ডিপো থেকে তেল উত্তোলন বন্ধ রাখার হুমকি বাস্তবায়িত হলে পুরো দেশ কার্যত অচল হয়ে পড়বে।

ড. ইজাজ হোসেন তাই এ বাস্তবতাকে উপেক্ষা না করে যথাযথভাবে আমলে নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘মোটরসাইকেলে তেলের চাহিদা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। কিন্তু পাম্প কমে যাওয়ায় তারা ভোগান্তিতে পড়ছে। তেলের পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইনের খবর আসছে। পাম্প বন্ধ হয়ে যাওয়ার খবরও আসছে। পাম্পগুলো বন্ধ হয়ে গেলে বা ২ বিলিয়ন ডলারের ঋণ না পেলে রিজার্ভের ওপর যে চাপ পড়বে, তা আমাদের জাতীয় বিপর্যয়ের দিকে নিয়ে যেতে পারে।’

পাম্প মালিকদের অভিযোগ, বর্তমানে ডিপো থেকে যে পরিমাণ তেল তাদের সরবরাহ করা হচ্ছে, তা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল। চাহিদার চাপে অনেক পাম্পে অ্যাম্বুলেন্সের জন্য মাত্র ২০০ লিটার অকটেনও সংরক্ষণ করা সম্ভব হচ্ছে না। পাম্পগুলোতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা না থাকায় কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটছে।

অরুণ কর্মকার মনে করেন, এ সংকটের মূলে রয়েছে দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা। তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার ফলে সরকারের কাছে এখন ভর্তুকি দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত অর্থ নেই। বিদ্যুৎ উৎপাদন চারগুণ বাড়লেও গত দেড় দশকে ব্যয় বেড়েছে ১১ গুণ, ক্যাপাসিটি চার্জ বেড়েছে ২০ গুণ। এসব এখন মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ১৯৯৬ সালের পর থেকে কোনো সমন্বিত জ্বালানি নীতি প্রণয়ন না করা এবং দীর্ঘ ১৬ বছর গ্যাস অনুসন্ধান কার্যত বন্ধ রাখাই আজকের এই সংকটের মূল কারণ।’

এদিকে প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে তেল বিক্রি করা হলেও এক শ্রেণির মানুষ দিনে ১০ বারের মতো তেল নিয়ে বাইরে চড়া দামে বিক্রি করছে বলে অভিযোগ মিলছে। এমনকি গভীর রাতে সংঘবদ্ধভাবে হাজির হয়ে জোর করে পাম্প খুলিয়ে তেল নেওয়ার মতো ‘লুটতরাজে’র দুয়েকটি ঘটনাও খবরে এসেছে।

আরিফুজ্জামান তুহিন এ অস্থিতিশীলতা কাটাতে সিস্টেম লস ও চুরি কমানোর ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমাদের মহেশখালীর ‘সিংগেল পয়েন্ট মুরিং’ প্রকল্পটি দ্রুত বাণিজ্যিকভাবে চালু করা জরুরি। এটি চালু হলে বড় জাহাজ থেকে সরাসরি পাইপলাইনে তেল আসবে। ফলে সিস্টেম লস ও চুরি কমবে। বর্তমানে বিদ্যমান ৪৫ দিনের মজুতের সঙ্গে স্পেশাল ট্যাংকারের আরও ২৫ দিনের সক্ষমতা যোগ হয়ে মোট ৭০ দিনের রিজার্ভ নিশ্চিত হবে, যা দক্ষিণ এশিয়ায় আর কোনো দেশের নেই।’

জ্বালানির চড়া দাম ও ডলার সংকটের এই দ্বিমুখী চাপে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে তেল কেনাই এখন বড় দুশ্চিন্তার কারণ। ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল আনার সক্ষমতা থাকলেও যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে তারাও তেল দেবে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

আরিফুজ্জামান তুহিন বলেন, “আন্তর্জাতিক ‘প্ল্যাটস’ (Platts) মেথডোলজিতে তেলের প্রতি ব্যারেলের দাম তখন ২০০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। কিউবার মতো ৮০ দিনের ব্ল্যাকআউট বা মানবিক বিপর্যয় এড়াতে অতীতের করা এসব অবকাঠামো ও পাইপলাইনের সর্বোচ্চ ব্যবহার এখন সময়ের দাবি।’

অরুণ কর্মকারও একমত হয়ে জানান, দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিতে যেখানে এলএনজি ১০ ডলারে পাওয়া যেত, সেখানে শেষ চালান ২৭ ডলারে আনতে হয়েছে। ফলে গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানো ছাড়া সরকারের হাতে হয়তো আর কোনো পথ খোলা থাকবে না।

এ অবস্থায় সংকট উত্তরণে কঠোর কৃচ্ছ্রসাধনের পরামর্শ দিয়ে ড. ইজাজ হোসেন রাজনীতি ডটকমকে বলেন, ‘এখন সব ঠিক আছে বলে মিথ্যা আশ্বাস না দিয়ে সরকারের উচিত বাস্তব পরিস্থিতি স্বীকার করে নেওয়া। মন্ত্রী থেকে শুরু করে প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত যারা আছেন, তাদেরও গাড়ি কম ব্যবহার করে হাঁটতে উৎসাহিত করার বার্তা দিতে হবে মানুষকে।’

“এই সংকটকে ‘ফুল ক্রাইসিস’ হিসেবে ম্যানেজ করতে হবে সরকারকে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) পরামর্শ অনুযায়ী গাড়ি কম গতিতে চালানো, সপ্তাহে একদিন গাড়ি বন্ধ রাখা কিংবা একদিন জোড় ও একদিন বিজোড় নম্বরপ্লেটের গাড়ি চালানোর মতো সাহসী সিদ্ধান্ত নিতে হবে,”— বলেন এই জ্বালানি বিশেষজ্ঞ।

আমাদের দেশে পেট্রোলের অর্ধেকেরও বেশি নিজস্ব কনডেনসেট থেকে আসে উল্লেখ করে ড. ইজাজ আরও বলেন, ‘তাই অকটেন বুস্টার আনলে মে মাস পর্যন্ত এ নিয়ে বড় সমস্যা হওয়ার কথা নয়। এর মধ্যেই সরকারকে সব ধরনের বিকল্প অনুসন্ধান করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।’

চলমান পরিস্থিতিতে বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন, দীর্ঘমেয়াদে ডিজেলের উচ্চ চাহিদা কমাতে হবে এবং সোলার ইরিগেশন বা রিনিউয়েবল এনার্জির ক্র্যাশ প্রোগ্রাম নিতে হবে, যা পাঁচ-ছয় মাসেই করা সম্ভব। এ ছাড়া ভোলা থেকে শুরু হয়ে বরিশাল, খুলনা ও যমুনা পর্যন্ত বিস্তৃত নতুন ভূতাত্ত্বিক কাঠামোয় দ্রুত প্রচুর কূপ খনন করে নিজস্ব গ্যাস অনুসন্ধান বাড়াতে হবে।

আন্তর্জাতিকভাবেও সরকারকে নানা উদ্যোগ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, চীন, ইন্দোনেশিয়া বা মালয়েশিয়ার মতো পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে থাকা ‘জি-টু-জি’ চুক্তিগুলো কাজে লাগিয়ে প্রশান্ত মহাসাগরীয় নিরাপদ রুট দিয়ে তেল আনার ব্যবস্থা করতে হবে। এর মাধ্যমে অন্তত ৫০ থেকে ৬০ দিনের একটি স্ট্র্যাটেজিক রিজার্ভ গড়ে তুলতে হবে।

ad
ad

খবরাখবর থেকে আরও পড়ুন

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে তেল, জিনিসপত্রের দাম বাড়তে পারে: মির্জা ফখরুল

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে দেশে তেলসহ জিনিসপত্রের দাম বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘এই যুদ্ধটা আমাদের খুব ক্ষতি করতেছে। আমাদের তেলের দাম বাড়বে, আমাদের জিনিসপত্রের দাম বাড়বে। সেগুলোকে সয়ে (সহ্য) নিয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হব

১০ ঘণ্টা আগে

সাংবাদিকতা পেশা কতিপয় ব্যক্তির কারণে বিতর্কিত: তথ্যমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীসহ রাষ্ট্রের শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তিদের যেমন জবাবদিহিতার মধ্যে থাকতে হয়, তেমনি গণমাধ্যম কর্মীদেরকেও জবাবদিহিতার আওতায় থাকতে হবে।

১৬ ঘণ্টা আগে

যেকোনো সময় বন্ধ হতে পারে দেশের সব পেট্রোল পাম্প

সংগঠনটির দাবি, জ্বালানি বিপণন ব্যবস্থায় নিরাপত্তার বিষয়টি সরকার ও জেলা প্রশাসন কার্যত উপেক্ষা করছে। পাম্পগুলোতে তেল বিক্রির সময় কোনো কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় দিন দিন বিশৃঙ্খলা বাড়ছে। পাম্প মালিকরা জানান, গত ঈদের আগের দিন একটি পাম্পে ১০ হাজার ৫০০ লিটার পেট্রোল ও সমপরিমাণ অকটেন মজুদ থাকলেও

১৭ ঘণ্টা আগে

কক্সবাজার সৈকতের বালিয়াড়িতে অবৈধ স্থাপনা থাকবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১ দিন আগে