
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় কড়া নিরাপত্তার মধ্যে দাফনের সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সমাধিস্থলে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি সাধারণ মানুষদের। পরদিন তাদের অনেকেই ছুটে এসেছেন খালেদা জিয়ার সমাধিস্থলে। তারা শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন দেশের প্রথম এই নারী প্রধানমন্ত্রীকে, দোয়া করছেন তার জন্য।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল থেকেই অনেকে ভিড় জমিয়েছিলেন খালেদা জিয়ার সমাধি এলাকায়। তবে সেখানে কারও প্রবেশাধিকার ছিল না। পরে দুপুর ১২টার দিকে জিয়া উদ্যানের প্রবেশমুখ খুলে দেওয়া হয়।
এ সময় সাধারণ মানুষ ছুটে যান খালেদা জিয়ার সমাধিতে। তার কবর জিয়ারত করে দোয়া করেন তারা। অনেকে ফুল নিয়ে এসেছিলেন শ্রদ্ধা জানাতে৷ তারা খালেদা জিয়ার সমাধি প্রাঙ্গণে ফুল দেন।
জিয়া উদ্যানে আসা মানুষজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, তাদের অনেকে ঢাকার বাইরে থেকেও এসেছেন। তারা কেউ কেউ গতকাল খালেদা জিয়ার জানাজাতেও অংশ নিয়েছিলেন। কিন্তু কবর পর্যন্ত আসতে পারেননি। এ কারণে আজ আবার এসেছেন।
এর আগে গত মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান খালেদা জিয়া। গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজাসহ আশপাশের এলাকা জুড়ে তার জানাজা হয়। সারা দেশ থেকে আসা লাখ লাখ মানুষের ঢলে বাংলামোটর, জাহাঙ্গীর গেট, কলেজ গেট, আগারগাঁও মেট্রো স্টেশন ছাড়িয়ে যায় জানাজাস্থল। ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে বাসার ছাদে ছাদে পর্যন্ত মানুষ তার জানাজা আদায় করেন।
জানাজার পর খালেদা জিয়ার মরদেহ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় জিয়া উদ্যানে শায়িত তার স্বামী প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পাশে সমাহিত করা হয়।

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় কড়া নিরাপত্তার মধ্যে দাফনের সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সমাধিস্থলে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি সাধারণ মানুষদের। পরদিন তাদের অনেকেই ছুটে এসেছেন খালেদা জিয়ার সমাধিস্থলে। তারা শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন দেশের প্রথম এই নারী প্রধানমন্ত্রীকে, দোয়া করছেন তার জন্য।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল থেকেই অনেকে ভিড় জমিয়েছিলেন খালেদা জিয়ার সমাধি এলাকায়। তবে সেখানে কারও প্রবেশাধিকার ছিল না। পরে দুপুর ১২টার দিকে জিয়া উদ্যানের প্রবেশমুখ খুলে দেওয়া হয়।
এ সময় সাধারণ মানুষ ছুটে যান খালেদা জিয়ার সমাধিতে। তার কবর জিয়ারত করে দোয়া করেন তারা। অনেকে ফুল নিয়ে এসেছিলেন শ্রদ্ধা জানাতে৷ তারা খালেদা জিয়ার সমাধি প্রাঙ্গণে ফুল দেন।
জিয়া উদ্যানে আসা মানুষজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, তাদের অনেকে ঢাকার বাইরে থেকেও এসেছেন। তারা কেউ কেউ গতকাল খালেদা জিয়ার জানাজাতেও অংশ নিয়েছিলেন। কিন্তু কবর পর্যন্ত আসতে পারেননি। এ কারণে আজ আবার এসেছেন।
এর আগে গত মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান খালেদা জিয়া। গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজাসহ আশপাশের এলাকা জুড়ে তার জানাজা হয়। সারা দেশ থেকে আসা লাখ লাখ মানুষের ঢলে বাংলামোটর, জাহাঙ্গীর গেট, কলেজ গেট, আগারগাঁও মেট্রো স্টেশন ছাড়িয়ে যায় জানাজাস্থল। ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে বাসার ছাদে ছাদে পর্যন্ত মানুষ তার জানাজা আদায় করেন।
জানাজার পর খালেদা জিয়ার মরদেহ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় জিয়া উদ্যানে শায়িত তার স্বামী প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পাশে সমাহিত করা হয়।

তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের স্পিকার সরদার আয়াজ সাদিক, ভূটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিয়নপো ডি. এন. ধুংগেল, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর, নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দ শর্মা, শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্র, বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও পর্যটনমন্ত্রী বিজিতা
৭ ঘণ্টা আগে
পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার ইবনে মিজান জানান, মোবাইল ব্যবসায়ীরা হঠাৎ হামলা চালান। বিটিআরসি ভবনের দিকে ইটপাটকেল ছুড়ে মারেন। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী, পুলিশ, র্যাব ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়।
৮ ঘণ্টা আগে
তিন দিনের রিমান্ড শেষে আজ বৃহস্পতিবার তাদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়ায় পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলম তাদে
৮ ঘণ্টা আগে
ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) কার্যক্রম চালুর প্রতিবাদে বিটিআরসি ভবন ভাঙচুর করছে বিক্ষোভকারীরা।
১০ ঘণ্টা আগে