
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

হার্টে স্টেন্ট (রিং) বসানোর খরচ বাজেট পাসের পর প্রায় অর্ধেকে নেমে আসবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, বর্তমানে হার্টে স্টেন্ট করতে যেখানে প্রায় ১ লাখ টাকা লাগে, বাজেট কার্যকর হওয়ার পর সেই খরচ প্রায় ৫০ শতাংশ কমে যাবে।
আজ সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাজেটে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং তার বাইরে গতকালকে আমি এবং মাননীয় অর্থমন্ত্রী আলোচনা করে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে— যেটি আমরা আগেও বলেছি বাজেট উপস্থাপনের দিন যে ডায়ালাইসিস ফিল্টার, হার্টের স্টেন্টিংয়ের যে স্টেন্ট (রিং) সেটি, হার্টের ভাল্ব, পেসমেকার, অক্সিজেনেটরস, পেরিফেরাল ভাস্কুলার স্টেন্ট, রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি অ্যাবলেশন ফাইবার, চোখের লেন্স, ক্যান্সার চিকিৎসার যে কাঁচামাল— মাননীয় স্পিকার, এগুলোর ওপরে ভ্যাট এবং ট্যাক্স যতটুকু সম্ভব (ম্যাক্সিমাম) কমানো যায়, আমরা সেই উদ্যোগ গ্রহণ করেছি, মাননীয় স্পিকার।’
তিনি বলেন, ‘এবং এর ফলে, আমরা হিসাব করে দেখেছি, একজন মানুষের যদি এখন হার্টে স্টেন্ট করতে ১ লক্ষ টাকা লাগে, এই আগামী পরশুদিন থেকে মাননীয় স্পিকার, এই বাজেট পাস হওয়ার সাথে সাথে সেই খরচটি নেমে প্রায় (অলমোস্ট) ৫০ শতাংশে চলে আসবে।’
স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব
স্বাস্থ্যসেবাকে মানুষের মৌলিক অধিকার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ছোটবেলা থেকে পড়ে এসেছি— চিকিৎসা মানুষের মৌলিক অধিকার। মাননীয় স্পিকার, এই কথাটি আমরা— আমি, আমার সহকর্মীবৃন্দ, আমার অর্থমন্ত্রী— আমরা এই কথাটি তীব্রভাবে মনে-প্রাণে বিশ্বাস করি। এবং বিশ্বাস করি বলেই, এবার বাজেটে সরকার এই চিকিৎসা সেবার ওপরে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে এবং সর্বোচ্চ বাজেট আমরা বরাদ্দ (এলোকেট) করেছি, মাননীয় স্পিকার।’
তিনি বলেন, ‘প্রস্তাবিত বাজেটে জিডিপির ১.২ শতাংশ (৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা) প্রস্তাব করা হয়েছে এবার। কিন্তু, ঠিক একইভাবে মাননীয় স্পিকার, আগামী পাঁচ বছরে শিক্ষায় যেরকম আমরা জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ করতে চাই পর্যায়ক্রমিকভাবে ধীরে ধীরে, একই সাথে আমরা স্বাস্থ্য সেবাতেও জিডিপির বরাদ্দের ৫ শতাংশ পরিকল্পিতভাবে উন্নীত করতে চাই আগামী ৫ বছরে।’
স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের পরিকল্পনা
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাস্থ্যেরই বড় অস্বাস্থ্যকর অবস্থা। মাননীয় বিরোধী দলীয় নেতা একটু আগেও ওনার বক্তব্যে বলেছেন, আমি ওনার সাথে ১০১ পার্সেন্ট (শতাংশ) একমত। এবং সে কারণেই, মাননীয় স্পিকার, আমরা একটা স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই। যেই স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় আমরা সহজেই প্রত্যেকটা নাগরিকের মিনিমাম (ন্যূনতম) স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পারি।’
তিনি বলেন, ‘আমরা জানি, গতকালকেও এই পার্লামেন্টে আলোচনা হয়েছে যে আমাদের জনগণ— বিরাট সংখ্যক একটা জনগণ— পরিবারের কেউ যদি অসুস্থ হয়, তার চিকিৎসা ব্যয় মিটাতে গিয়ে পরিবার নিঃস্ব হয়ে যায়, একদম নিঃস্ব হয়ে যায়। এবং সেইটিকে লক্ষ্য রেখেই, মাননীয় স্পিকার, আমরা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি।’
‘প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিওর’ নীতি বাস্তবায়ন
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘চিকিৎসা যে ব্যয়, এই ব্যয়টি কমানোর পাশাপাশি আরেকটি বিষয়ে আমরা জোর দিয়েছি।’
ইউরোপের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ‘ইউকে-র (যুক্তরাজ্য) মতন দেশে— একটি রিচ কান্ট্রিও (ধনী দেশ) দেশের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে গিয়ে তারা ইদানীং হিমশিম খাচ্ছে। এবং সে কারণেই তারা এখন একটি নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এবং সেটি শুধু ইউকে-তেই নয়, অল ওভার (সমস্ত) ইউরোপে এই উদ্যোগটা তারা গ্রহণ করেছে; সেটা হচ্ছে প্রিভেনশন। অর্থাৎ, একটি মানুষ অসুস্থ হওয়ার আগেই তাকে সচেতন করা। হিসাব করে দেখা গেছে, এতে খরচ অনেক কম হয়।’
সারা দেশে নিয়োগ দেওয়া হবে ১ লাখ হেলথ কেয়ারার
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরাও এখন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি যে, স্বাভাবিকভাবে ২০ কোটি মানুষের দেশ, এত মানুষকে চিকিৎসা সুবিধা দিতে গেলে সরকারের সম্পদের সীমাবদ্ধতা আছে। সেজন্য আমরা উদ্যোগ গ্রহণ করেছি, আমরা মানুষকে বোঝাবো, মানুষকে অ্যাওয়ার করবো যে কী কী থেকে, কী কী অসুখ— কাজ থেকে বিরত থাকলে, খাবার-দাবার, লাইফস্টাইল ফলো করলে অসুখ থেকে দূরে থাকা যায়।’
তিনি বলেন, ‘সে কারণেই আমরা সমগ্র বাংলাদেশে ১ লক্ষ হেলথ কেয়ারার বা হেলথ ওয়ার্কার নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। যাদেরকে— যারা গ্রামে গ্রামে, ঘরে ঘরে যাবে। আমাদের মায়েদেরকে বোঝাবে, বোনেদেরকে বোঝাবে, কারণ মা-বোনেরাই পরিবারের স্বাস্থ্য, খাবার-দাবার, হাইজিন সবকিছু কম-বেশি খেয়াল রাখেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘কোন জিনিসটি খেলে হার্টের অসুখ থেকে দূরে থাকা যাবে, কোন জিনিসটি খেলে বা কোন জিনিসটি না খেলে কিডনির প্রবলেম থেকে দূরে থাকা যাবে, কোন জিনিসটি খেলে না খেলে প্রেশার বা অন্যান্য যাবতীয় অসুস্থতা থেকে দূরে থাকা যাবে— এই হেলথ কেয়ারাররা সেখানেই কাজ করবে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আশা করি, ধীরে ধীরে জনগণ এটির সুফলটি পাবে। ফলে, এখানে যদি রোগীর সংখ্যা কমে, আমরা হসপিটালগুলোতে কিছুটা হলেও বেটার সার্ভিস তখন এনশিওর (নিশ্চিত) করতে পারব।’
এ সময় তিনি আরও জানান, বর্তমানে দেশের হাসপাতালগুলোতে বেডের অভাবে প্রায় ৪০ লাখ মানুষ মেঝেতে থেকে চিকিৎসা নিতে বাধ্য হন। এ বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়েই সরকার প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

হার্টে স্টেন্ট (রিং) বসানোর খরচ বাজেট পাসের পর প্রায় অর্ধেকে নেমে আসবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, বর্তমানে হার্টে স্টেন্ট করতে যেখানে প্রায় ১ লাখ টাকা লাগে, বাজেট কার্যকর হওয়ার পর সেই খরচ প্রায় ৫০ শতাংশ কমে যাবে।
আজ সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাজেটে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং তার বাইরে গতকালকে আমি এবং মাননীয় অর্থমন্ত্রী আলোচনা করে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে— যেটি আমরা আগেও বলেছি বাজেট উপস্থাপনের দিন যে ডায়ালাইসিস ফিল্টার, হার্টের স্টেন্টিংয়ের যে স্টেন্ট (রিং) সেটি, হার্টের ভাল্ব, পেসমেকার, অক্সিজেনেটরস, পেরিফেরাল ভাস্কুলার স্টেন্ট, রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি অ্যাবলেশন ফাইবার, চোখের লেন্স, ক্যান্সার চিকিৎসার যে কাঁচামাল— মাননীয় স্পিকার, এগুলোর ওপরে ভ্যাট এবং ট্যাক্স যতটুকু সম্ভব (ম্যাক্সিমাম) কমানো যায়, আমরা সেই উদ্যোগ গ্রহণ করেছি, মাননীয় স্পিকার।’
তিনি বলেন, ‘এবং এর ফলে, আমরা হিসাব করে দেখেছি, একজন মানুষের যদি এখন হার্টে স্টেন্ট করতে ১ লক্ষ টাকা লাগে, এই আগামী পরশুদিন থেকে মাননীয় স্পিকার, এই বাজেট পাস হওয়ার সাথে সাথে সেই খরচটি নেমে প্রায় (অলমোস্ট) ৫০ শতাংশে চলে আসবে।’
স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব
স্বাস্থ্যসেবাকে মানুষের মৌলিক অধিকার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ছোটবেলা থেকে পড়ে এসেছি— চিকিৎসা মানুষের মৌলিক অধিকার। মাননীয় স্পিকার, এই কথাটি আমরা— আমি, আমার সহকর্মীবৃন্দ, আমার অর্থমন্ত্রী— আমরা এই কথাটি তীব্রভাবে মনে-প্রাণে বিশ্বাস করি। এবং বিশ্বাস করি বলেই, এবার বাজেটে সরকার এই চিকিৎসা সেবার ওপরে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে এবং সর্বোচ্চ বাজেট আমরা বরাদ্দ (এলোকেট) করেছি, মাননীয় স্পিকার।’
তিনি বলেন, ‘প্রস্তাবিত বাজেটে জিডিপির ১.২ শতাংশ (৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা) প্রস্তাব করা হয়েছে এবার। কিন্তু, ঠিক একইভাবে মাননীয় স্পিকার, আগামী পাঁচ বছরে শিক্ষায় যেরকম আমরা জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ করতে চাই পর্যায়ক্রমিকভাবে ধীরে ধীরে, একই সাথে আমরা স্বাস্থ্য সেবাতেও জিডিপির বরাদ্দের ৫ শতাংশ পরিকল্পিতভাবে উন্নীত করতে চাই আগামী ৫ বছরে।’
স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের পরিকল্পনা
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাস্থ্যেরই বড় অস্বাস্থ্যকর অবস্থা। মাননীয় বিরোধী দলীয় নেতা একটু আগেও ওনার বক্তব্যে বলেছেন, আমি ওনার সাথে ১০১ পার্সেন্ট (শতাংশ) একমত। এবং সে কারণেই, মাননীয় স্পিকার, আমরা একটা স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই। যেই স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় আমরা সহজেই প্রত্যেকটা নাগরিকের মিনিমাম (ন্যূনতম) স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পারি।’
তিনি বলেন, ‘আমরা জানি, গতকালকেও এই পার্লামেন্টে আলোচনা হয়েছে যে আমাদের জনগণ— বিরাট সংখ্যক একটা জনগণ— পরিবারের কেউ যদি অসুস্থ হয়, তার চিকিৎসা ব্যয় মিটাতে গিয়ে পরিবার নিঃস্ব হয়ে যায়, একদম নিঃস্ব হয়ে যায়। এবং সেইটিকে লক্ষ্য রেখেই, মাননীয় স্পিকার, আমরা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি।’
‘প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিওর’ নীতি বাস্তবায়ন
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘চিকিৎসা যে ব্যয়, এই ব্যয়টি কমানোর পাশাপাশি আরেকটি বিষয়ে আমরা জোর দিয়েছি।’
ইউরোপের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ‘ইউকে-র (যুক্তরাজ্য) মতন দেশে— একটি রিচ কান্ট্রিও (ধনী দেশ) দেশের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে গিয়ে তারা ইদানীং হিমশিম খাচ্ছে। এবং সে কারণেই তারা এখন একটি নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এবং সেটি শুধু ইউকে-তেই নয়, অল ওভার (সমস্ত) ইউরোপে এই উদ্যোগটা তারা গ্রহণ করেছে; সেটা হচ্ছে প্রিভেনশন। অর্থাৎ, একটি মানুষ অসুস্থ হওয়ার আগেই তাকে সচেতন করা। হিসাব করে দেখা গেছে, এতে খরচ অনেক কম হয়।’
সারা দেশে নিয়োগ দেওয়া হবে ১ লাখ হেলথ কেয়ারার
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরাও এখন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি যে, স্বাভাবিকভাবে ২০ কোটি মানুষের দেশ, এত মানুষকে চিকিৎসা সুবিধা দিতে গেলে সরকারের সম্পদের সীমাবদ্ধতা আছে। সেজন্য আমরা উদ্যোগ গ্রহণ করেছি, আমরা মানুষকে বোঝাবো, মানুষকে অ্যাওয়ার করবো যে কী কী থেকে, কী কী অসুখ— কাজ থেকে বিরত থাকলে, খাবার-দাবার, লাইফস্টাইল ফলো করলে অসুখ থেকে দূরে থাকা যায়।’
তিনি বলেন, ‘সে কারণেই আমরা সমগ্র বাংলাদেশে ১ লক্ষ হেলথ কেয়ারার বা হেলথ ওয়ার্কার নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। যাদেরকে— যারা গ্রামে গ্রামে, ঘরে ঘরে যাবে। আমাদের মায়েদেরকে বোঝাবে, বোনেদেরকে বোঝাবে, কারণ মা-বোনেরাই পরিবারের স্বাস্থ্য, খাবার-দাবার, হাইজিন সবকিছু কম-বেশি খেয়াল রাখেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘কোন জিনিসটি খেলে হার্টের অসুখ থেকে দূরে থাকা যাবে, কোন জিনিসটি খেলে বা কোন জিনিসটি না খেলে কিডনির প্রবলেম থেকে দূরে থাকা যাবে, কোন জিনিসটি খেলে না খেলে প্রেশার বা অন্যান্য যাবতীয় অসুস্থতা থেকে দূরে থাকা যাবে— এই হেলথ কেয়ারাররা সেখানেই কাজ করবে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আশা করি, ধীরে ধীরে জনগণ এটির সুফলটি পাবে। ফলে, এখানে যদি রোগীর সংখ্যা কমে, আমরা হসপিটালগুলোতে কিছুটা হলেও বেটার সার্ভিস তখন এনশিওর (নিশ্চিত) করতে পারব।’
এ সময় তিনি আরও জানান, বর্তমানে দেশের হাসপাতালগুলোতে বেডের অভাবে প্রায় ৪০ লাখ মানুষ মেঝেতে থেকে চিকিৎসা নিতে বাধ্য হন। এ বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়েই সরকার প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

সোমবার (২৯ জুন) বঙ্গভবনের প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। একই সঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।
২ ঘণ্টা আগে
আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘এই যে নির্বাচনি ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি…এগুলো বললে তারা (রাজনৈতিক দল) একটু হাসবে হয়তো। কারণ, এগুলো তাদের অভ্যাস। এই ধোঁকাবাজিটা তাদের রাজনীতিরই একটা অংশ।’
২ ঘণ্টা আগে
প্রস্তাবিত বাজেটে করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর পাশাপাশি ব্যাংক হিসাব খুলতে টিআইএন থাকার বাধ্যবাধকতা তুলে নেওয়ার প্রস্তাব করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আরও কয়েকটি ক্ষেত্রে শুল্ক-কর কমানোর পাশাপাশি ‘কালো টাকা সাদা করা’র বিতর্কিত বিধান প্রত্যাহার করতে অর্থমন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।
৩ ঘণ্টা আগে
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন ইস্যুতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানির বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমরা নামের কাঙাল নয়, আমরা কামের কাঙাল।’ একই সঙ্গে তিনি শিগগিরই পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নের আশা প্রকাশ করেছেন।
৩ ঘণ্টা আগে